গুরুতর আক্রান্তদের মৃত্যুঝুঁকিও কমাচ্ছে রেমডেসিভির: গিলিয়াডের বিশ্লেষণ

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৪:৩৩, জুলাই ১১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৫১, জুলাই ১১, ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানি গিলিয়াড সায়েন্স মনে করছে, গুরুতর অসুস্থ করোনা রোগীদের মৃত্যুঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখছে তাদের উৎপাদিত অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ রেমডেসিভির। এক বিশ্লেষণে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ দাবি জানিয়েছে তারা। তবে গিলিয়াড মনে করে এ ব্যাপারে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল প্রয়োজন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতীকী ছবি

করোনাভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য এখন পর্যন্ত কোনও অনুমোদিত ওষুধ নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কার্যকরী ওষুধ নিয়ে গবেষণা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথও বেশ কয়েকটি ওষুধ নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে। এরই একটি হলো রেমডেসিভির। গিলিয়াড সায়েন্সেস-এর তৈরি এ ওষুধটি অতীতে ইবোলার বিরুদ্ধে পরীক্ষা করা হলেও এতে সফলতা এসেছিলো খুবই কম। তবে করোনা আক্রান্তদের শরীরে রেমডেসিভিরের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালিয়ে গিলিয়াড সায়েন্স দাবি করে, এ ওষুধ প্রয়োগের পর আক্রান্তদের সেরে উঠতে সময় কম লাগছে। ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, রেমডেসিভির ওষুধটির সম্ভাবনা আছে। যুক্তরাষ্ট্রে এরইমধ্যে জরুরি প্রয়োজনে করোনা রোগীদের রেমডিসিভির প্রদানের অনুমতি দেওয়া আছে। এছাড়া বাংলাদেশ, ভারত, জাপানসহ বেশ কয়েকটি দেশে করোনার চিকিৎসায় ওষুধটি ব্যবহার করা হচ্ছে। সম্পতি সে তালিকায় যোগ দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও (ইইউ)।

এতোদিন মনে করা হচ্ছিলো, রেমডেসিভির করোনা আক্রান্তদের সুস্থ হওয়ার সময়কে কমিয়ে আনে। এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছিল, প্লাসেবো গ্রহণকারী রোগীদের চেয়ে রেমডেসিভির গ্রহণকারী রোগীরা ৩১ ভাগ দ্রুত গতিতে সুস্থ হচ্ছেন। তবে নতুন এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী গিলিয়াড এখন দাবি করছে, এ ওষুধ গেুরুতর আক্রান্তদের মৃত্যুঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা রাখছে।

রেমডেসিভির দিয়ে চিকিৎসা করা হয়েছে এবং রেমডেসিভির ছাড়া চিকিৎসা করা হয়েছে এমন রোগীদের দুইটি দলে ভাগ করে নতুন বিশ্লেষণটি করা হয়ে। এতে দেখা গেছে, রেমডেসিভির দিয়ে চিকিৎসা করা হয়েছে এমন রোগীদের মৃত্যুহার ৭.৬ শতাংশ। আর রেমডেসিভির দেওয়া হয়নি এমন রোগীদের মৃত্যুহার ১২.৫ শতাংশ। 

/এফইউ/বিএ/

লাইভ

টপ