যুক্তরাষ্ট্রে ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ মর্যাদা পেলো করোনার দুই ভ্যাকসিন

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১০:০৪, জুলাই ১৪, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১০:০৮, জুলাই ১৪, ২০২০

মার্কিন ফাইজার এবং জার্মান কোম্পানি বায়োএনটেকের তৈরি করোনার সম্ভাব্য দুই ভ্যাকসিনকে ‘ফাস্ট ট্র্যাক স্ট্যাটাস’ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন। এর মধ্য দিয়ে ওই ভ্যাকসিন দুটির রেগুলেটরি পর্যালোচনা প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে। সোমবার কোম্পানি দুটি যৌথভাবে এমন তথ্য জানিয়েছে।

মহামারিতে পরিণত হওয়া করোনাভাইরাসের টিকা উদ্ভাবনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জোরালো প্রচেষ্টা চললেও এখন পর্যন্ত কার্যকর ভ্যাকসিন উদ্ভাবন সম্ভব হয়নি। তবে রাশিয়ার পক্ষ থেকে একটি ভ্যাকসিনের সফলভাবে হিউম্যান ট্রায়াল শেষ করার কথা জানানো হয়েছে।

বিশ্বে তৈরি দুই শতাধিক ভ্যাকসিনের মধ্যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে ১৫টির। এরমধ্যে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ উৎপাদনকারী অ্যাস্ট্রাজেনেকার পরীক্ষামূলক প্রকল্পটি প্রথম ভ্যাকসিন হিসেবে চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছেছে। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের মডার্না ছাড়াও অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার শীর্ষে রয়েছে ফাইজার-বায়োএনটেকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি ভ্যাকসিন দুটি।

ফাস্ট ট্র্যাক স্ট্যাটাস পাওয়ায় এখন থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিএনটি১৬২বি১ ও বিএনটি১৬২বি২ নামে ফাইজার এবং বায়ো এন টেকের ভ্যাকসিন দুটির উন্নতি পর্যালোচনা করবে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন এফডিএ। এর আওতায় সংস্থাটি ছয় মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনটি বাজারে আনার অনুমোদনের লক্ষ্যে কাজ করবে।

ফাইজার ও বায়োএনটেকের মতো একই প্রযুক্তির মাধ্যমে করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরি করেছে আরেক মার্কিন কোম্পানি মডার্না। অবশ্য গত মে মাসেই তাদেরকে ফাস্ট ট্র্যাক স্ট্যাটাস দেয় যুক্তরাষ্ট্র। রয়টার্স বলছে, গবেষণায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে এমন অন্তত চারটি সম্ভাব্য ভ্যাকসিনে একটি ফাইজার-বায়োএনটেকের।

/বিএ/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ