ন্যাটো সম্মেলন শেষে তুরস্ক থেকে ফেরার পথে কাতারের উপহার হিসেবে পাওয়া নতুনভাবে সংস্কার করা বোয়িং ৭৪৭-৮০০ বিমান ব্যবহার না করে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে ভ্রমণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শেষ মুহূর্তের এই সিদ্ধান্ত ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে প্রেসিডেন্টের বিমানের নিরাপত্তা সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত আসে। এর একদিন আগে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের কথিত হামলার জবাবে ইরানের ভেতরে বড় ধরনের হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
বিমান পরিবর্তনের কারণ সম্পর্কে ট্রাম্প বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি। তিনি বলেন, ‘পুরোনো দিনের কথা মনে করেই’ তিনি পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে ফিরেছেন। তিনি আরও জানান, দুটি বিমানই যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্স মিলডেনহলে নির্ধারিত সূচির বাইরে যাত্রাবিরতি করবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প জানান, নতুন বিমানটি ঘাঁটিতে থামবে যাতে সামরিক সদস্যরা সেটি ঘুরে দেখতে পারেন। আর তিনি কয়েক দশক ধরে প্রেসিডেন্টদের বহন করে আসা পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানেই ওয়াশিংটনে ফিরবেন।
সংবাদ সম্মেলনে শেষ মুহূর্তে বিমান পরিবর্তনের পেছনে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ ছিল কি না এমন প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেননি ট্রাম্প। এর পরিবর্তে ইরানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমাকে হত্যার তালিকায় এক নম্বরে রাখা হয়েছে।
আরও প্রশ্ন করা হলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, তিনি ‘স্বাভাবিক উপায়ে’ দেশে ফিরবেন।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে: ইরানে হামলার ছবি শেয়ার করে ট্রাম্পের হুমকি






