করোনা মোকাবিলায় বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিকদের করণীয়

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৯ মে ২০২০, ২০:৪৯আপডেট : ১৯ মে ২০২০, ২০:৫১

করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ মহামারী প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জন্য বেশ কিছু নির্দেশনা নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (১৯ মে) সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সমন্বিত কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র কোভিড-১৯ এর সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের কারিগরি নির্দেশনা প্রণয়ন করেছে। এই নির্দেশনায় বিভিন্ন ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য করণীয় বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারী প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জন্য পালনীয় কারিগরি নির্দেশনাগুলো হলো:
১. প্রবীণদের বারবার হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করতে হবে। হাত ধোয়ার পর হ্যান্ড-ক্রিম ব্যবহারে মনোযোগী হতে হবে।
২. নিজের ব্যবহৃত জিনিসপত্র যেমন তোয়ালে অন্য কারও সঙ্গে অদলবদল করা যাবে না।
৩. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনের নিয়ম মেনে চলা উচিত।
৪. সম্ভব হলে পরিবারের অন্য সদস্যরা নিয়মিত শরীরের তাপমাত্রা এবং রক্তচাপ পরীক্ষা করে দেখবেন। সন্দেহজনক উপসর্গ যেমন জ্বর, কাশি দেখা দিলে সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে এবং অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
৫. একান্ত প্রয়োজন না হলে ঘরেই অবস্থান করা শ্রেয়। জনবহুল এলাকা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। যে কোনও জনসমাগম যেমন অনুষ্ঠান, চায়ের দোকানে আড্ডা ইত্যাদি পরিহার করতে হবে।
৬. বাইরে যাওয়ার সময় নিজের নিরাপত্তার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যেমন মাস্ক পরিধান করা এবং ১ মিটার অথবা তার চেয়ে বেশি দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করতে হবে।
৭. যারা ফুসফুস অথবা হার্টের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন তাদেরকে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ মেনে যথাযথ উপায়ে মাস্ক পরিধান করে বাইরে বের হতে হবে।
৮. আগে থেকে অসুস্থ ব্যক্তিরা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না। যেকোনও সমস্যায় চিকিৎসার জন্য অথবা পরামর্শের জন্য নিকটবর্তী চিকিৎসা কেন্দ্রে যাওয়া যেতে পারে অথবা মোবাইলের মাধ্যমে নির্দেশনা নিতে পারেন। নিকটবর্তী চিকিৎসা কেন্দ্রে যাওয়ার সময়েও অবশ্যই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে অর্থাৎ মাস্ক পরিধান করতে হবে। রোগীর বদলে পরিবারের অন্য সদস্যও ওষুধ আনা-নেওয়ার ব্যাপারে সহযোগিতা করতে পারে।
৯. যেসব বয়স্ক রোগীদের সর্বক্ষণ যত্নের প্রয়োজন সেক্ষেত্রে তাদের পরিচর্যাকারীদেরও নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হতে হবে। যতটা সম্ভব ঘরেই অবস্থান করতে হবে। বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হলে অবশ্যই নিজস্ব সুরক্ষা সামগ্রী তথা মাস্ক পরে যেতে হবে।

/এমআর/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম