চুয়াডাঙ্গার বোয়ালিয়া গ্রামে পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় লিমা আক্তার অন্তরা (২৬) নামে এক গৃহবধূকে আগুনে ঝলসে দিয়েছে পাষণ্ড স্বামী। সোমবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) বিকালে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদরের বলদিয়া গ্রামের কৃষক আলম হোসেনের মেয়ে লিমা আক্তার অন্তরাকে ৬ বছর আগে বিয়ে দেওয়া হয় বোয়ালিয়া গ্রামের সানোয়ার মল্লিকের ছেলে নাজমুল মল্লিকের সঙ্গে। নাজমুল পেশায় অটোচালক। আবির হোসেন নামে তাদের আড়াই বছরের একটি ছেলে রয়েছে।
অন্তরা অভিযোগ করে বলেন, সোনালী নামের এক নারীর সঙ্গে তার স্বামীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সোনালী একই গ্রামের এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ীর স্ত্রী। মাঝে আমার স্বামীর সঙ্গে সোনালীর প্রেমেরে সম্পর্কের ভাটা পড়লেও বছর খানেক আগে আবার নতুন করে সম্পর্ক শুরু হয়। এরপর থেকেই নাজমুল কথায় কথায় আমাকে নির্যাতন করতো।
সোমবার (১৩ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে আমি রান্না করছিলাল। এ সময় সোনালীর বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি চলছিল। এক পর্যায়ে নাজমুল আমার শাড়ির পেছনের দিকে আগুন ধরিয়ে দিয়ে রান্নাঘরের দরজা টেনে দিয়ে বাইরে চলে যায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে আমার শরীরের আগুন নেভান।
অন্তরাকে দ্বগ্ধ অবস্থায় প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল ও পরে মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
ঢামেক বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শঙ্কর পাল বলেন, লিমা আক্তার অন্তরার শরীরের ৪৪ শতাংশ দ্বগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয়।
এদিকে অন্তরার ভাই মো. হাসান জানান, এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
/এআইবি/এআর/








