ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহাদৎ হোসাইনকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ৩ সপ্তাহের মধ্যে ঢাবির উপাচার্য, সিন্ডিকেট, রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বুধবার বিচারপতি তারিক-উল হাকিম ও বিচারপতি মো. ফারুকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার তাহসিনা তাসনিম মৃদু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম।
ব্যারিস্টার তাহসিনা তাসনিম মৃদু বলেন, ‘ড. শাহাদৎ হোসাইনকে বরখাস্তের আগে কোনও শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়নি। এমনকি তাকে নিজের পক্ষে কোনও যুক্তি উপস্থাপনের সুযোগ না দিয়েই বরখাস্ত করা হয়েছে। এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের লঙ্ঘন।’
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের জুলাই মাসে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দুই ছাত্রী তাদের বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহাদৎ হোসাইনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৭ সালের ৬ মার্চ তাকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সিদ্ধান্তে বলা হয়, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দুই ছাত্রীর যৌন হয়রানির অভিযোগ সত্য। ছাত্রীদের সঙ্গে ড. শাহাদৎ হোসাইনের এই আচরণ স্পষ্টতই নৈতিক স্খলন, যা গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই তাকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ড. মো. শাহাদৎ হোসাইন।
ইউআই/এনআই/এমএনএইচ/






