রাজনৈতিক পদ ও আসন্ন নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে মন্ত্রী, এমপি, সরকারি আমলা ও ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি করতেন তারা। আর এজন্য তারা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপের নাম ব্যবহার করতো বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপির) অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ) আব্দুল বাতেন।
তিনি বলেন, ‘এমপি, মন্ত্রী, বিভিন্ন পোস্টোর নেতা ও ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে ড. আবদুস সোবহান গোলাপের নাম করে চাঁদা দাবি করতো তারা।’
শুক্রবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজির সময় মোহাম্মদ আলী (৪০) ও নাদিয়া সুলতানা (২৭) নামের দুই চাঁদাবাজকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। রাজধানীর গোপীবাগ এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) রাত ১২টার দিকে তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (পূর্ব-ডিবি)। সম্পর্কে তারা ভাই-বোন। তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন, বেশ কয়েকটি সিম কার্ড ও দু’টি বিকাশ নম্বর উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘গ্রেফতাদের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা চাঁদাবাজির বিষয়টি স্বীকার করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কত জনের কাছ থেকে কত টাকা আদায় করেছে তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেনি। ধারণা করছি, শুধু তারা দু’জনই নয়, তাদের সঙ্গে আরও সদস্য আছে, তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে আব্দুস সোবহান গোলাপ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ ধরনের একটি চক্র আমার নাম ব্যবহার করে হাই লেভেল থকে বিভিন্ন পর্যায়ে থেকে চাঁদাবাজি করেছে। আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদকের পদ দেওয়া কথা বলে বিকাশসহ বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে চাঁদাবাজি করেছে। বিষয়টি আমার নজরে আসায় আমি এমন কিছু মোবাইল নম্বর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দিয়েছি। নম্বর ট্র্যাকিং করে এদেরকে ধরা হয়েছে।’








