রাজধানীর ফু-ওয়াং ক্লাবের কর্মচারী চঞ্চল পালমাকে দিয়ে সিম কিনিয়েছিলেন এটিএন নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার ইমরান হোসেন সুমন। এরপর সিমটি নিজেই ব্যবহার করতেন তিনি। আর এই সিমের মাধ্যমে তারই নারী সহকর্মীর নামে আপত্তিকর এসএমএস ও ছবি পাঠানোর তথ্য প্রমাণ পেয়েছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সিরিয়াস ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ। এ কাজে ইমরান হোসেন সুমনের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ পাওয়া সাপেক্ষে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত কর্মকর্তারা। রবিবার (১৯ জুলাই) রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার (২০ জুলাই) পল্লবী থানার মামলায় আদালতে হাজির করা হলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক সুমনের একদিনের দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সাংবাদিক ইমরান হোসেন সুমনকে গ্রেফতারের বিষয়ে সিরিয়াস ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের এডিসি মনিরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা শুধুমাত্র কারও দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইমরান হোসেন সুমনকে গ্রেফতার করিনি। আমাদের কাছে থাকা তথ্যের সব প্রমাণ জোগাড় করার পর তাকে গ্রেফতার করেছি।
বিভিন্ন নাম্বার ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুক্তভোগী সম্পর্কে তার স্বামী, দেবর, মা ও স্বামীর বন্ধুদের কাছে আপত্তিকর এসএমএস ও ছবি পাঠানোর অভিযোগে গত ১২ জুলাই পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী। পরবর্তীতে মামলাটি তদন্ত শুরু করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সিরিয়াস ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএমপির একজন উপ কমিশনার পদমর্যাদার কর্মকর্তা জানান, তদন্তে চঞ্চল পালমার নাম আসে। তাকে গ্রেফতারের পর বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত যাচাই-বাচাই ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, চঞ্চল পালমাকে দিয়ে সিম কিনিয়েছিলেন ইমরান হোসেন সুমন। সিমটি সুমন নিজেই ব্যবহার করতেন। বিভিন্ন জনের কাছে এসএমএস ও ছবি পাঠানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে। সব তথ্য প্রমাণ যাচাই করে সুমনের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে ১৯ জুলাই রাতে গ্রেফতার করা হয়।








