গ্রাহকদের তথ্য প্রতারক চক্রের কাছে পাচারের অভিযোগে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করে আগামী ১৮ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটির এজাহার আদালতে পৌঁছায়। এরপর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মাহমুদা আক্তার এজাহারটি গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের এ দিন ধার্য করেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ মামলা করে পুলিশ।
এ বিষয়ে ডিএমপির তেজগাঁও জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) হারুন-অর-রশীদ জানান, বিটিআরসির নীতিমালা ভেঙে গ্রাহকদের তথ্য পাচার করায় গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়। এ ঘটনায় দুজন গ্রেফতার রয়েছেন।
হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘আমাদের কাছে চক্রটির হাতে প্রতারিত হওয়া ছয় ব্যক্তি অভিযোগ করেন। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রতারক চক্রটির কাছে গ্রামীণফোনের কিছু অসৎ কর্মচারী গ্রাহকদের সিম নিবন্ধনের তথ্য থেকে নানা ধরনের তথ্য দীর্ঘদিন ধরে পাচার করে আসছিল। পরে ওই চক্রটি গোপন তথ্য ফাঁস করার ভয় দেখাত সমাজের উঠতি বয়সী ধনাঢ্য ব্যক্তিদের। সামাজিক হয়রানি ও মর্যাদাহানির ভয়ে অনেকে তাদের অর্থ দিতে বাধ্য হতেন। এভাবে তথ্য দিয়ে ব্ল্যাকমেইলিং করে চক্রটি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতো।’
মামলা দায়েরের পর এখন পর্যন্ত দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন গ্রামীণফোনের কাস্টমার সার্ভিস ম্যানেজার রুবেল মাহমুদ অনিক ও প্রতারক পারভীন আক্তার।






