সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার মামলায় স্বাস্থ্য খাতের ঠিকাদার মোতাজজেরুল ইসলাম ওরফে মিঠুকে দেওয়া অব্যাহতির আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে মামলার বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এবিএম সিদ্দিকুর রহমান খান ও আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।
আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানান, আজ শুনানিতে আমরা আদালতকে জানিয়েছি, স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে দুটি ফাইলের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাই আদালত এই দুই নথির ওপর অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে ২০১৬ সালের ১০ মে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে মিঠুর বিরুদ্ধে রাজধানীর বনানী থানায় মামলা করে দুদক। তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে তাকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানায় দুদক। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ১৭ এপ্রিল মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মিঠুকে অব্যাহতির আদেশ দেন।
ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে ও অভিযোগের ওপর পুনরায় তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে ২০২০ সালের ১৫ অক্টোবর হাইকোর্ট রিট দায়ের করেন ঢাকাস্থ বনশ্রীর বাসিন্দা মো. মনিরুজ্জামান। সে রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করলেন হাইকোর্ট।









