দেশ থেকে দুর্নীতি নিশ্চিহ্ন করতে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহ। একইসঙ্গে দুদকের কর্মকর্তাদের দুর্নীতি রোধে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।
বুধবার (১০ মার্চ) বিকেলে সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে নবনিযুক্ত কমিশনার মো. জহুরুল হকও উপস্থিত ছিলেন।
দুদক চেয়ারম্যান মঈন উদ্দীন আব্দুল্লাহ বলেন, দুর্নীতিমুক্ত দেশ আমরা সবাই চাই। দুর্নীতি বিরুদ্ধে আমরা সবাই একমত। কিন্তু তারপরও পৃথিবীর সবদেশে কম-বেশি দুর্নীতি আছে। আমাদের লক্ষ্য হবে দুর্নীতিমুক্ত দেশ ও সমাজ বিনির্মাণ। দুর্নীতি দমনে সুনির্দিষ্ট আইন রয়েছে । বাংলাদেশ বিদ্যমান প্রতিটি আইনই দুর্নীতিবিরোধী। আমরা চেষ্টা করবো দুর্নীতিবিরোধী এসব আইনের নিখুঁত ও নির্মোহ প্রয়োগ করতে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদকের অনুসন্ধান বা তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রাখা হবে। সকলের সহযোগিতা নিয়ে আমার আমাদের দায়িত্ব পালন করতে চাই। এক্ষেত্রে কৃষক থেকে শুরু করে গণমাধ্যমসহ সকলের সার্বিক সহযোগিতা আমরা প্রত্যাশা করি।
নব নিযুক্ত কমিশনার মো. জহুরুল হক বলেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুসরণ করবে দুদক। অর্থ পাচার রোধের চেষ্টা করা হবে বলেও জানান জহুরুল হক।









