গণপিটুনি থেকে বাঁচতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চায় এক নারী। পরে পুলিশ গিয়ে দেখতে পায়, যিনি সহায়তা চেয়েছেন তিনি ছিনতাইকারী। এক ব্যক্তিকে স্বামী পরিচয় দিয়ে তিনি ছিনতাই করে বেড়ান। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে বাঁচালেও কথিত এই দম্পতিকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় জরুরি সেবার পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য জানান।
তিনি জানান, মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে একজন নারী কলার মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থানাধীন জামালদি বাস স্ট্যান্ড থেকে ফোন করে জানান, তাকে এবং তার স্বামীকে এলাকার কিছু লোক মিথ্যা চুরির অভিযোগে আটকে মারধর করছে।
৯৯৯ বিষয়টি গজারিয়া থানায় জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বললে, গজারিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে গজারিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাঈনুদ্দীন ৯৯৯ কে ফোনে জানান, ওই নারী এবং তার কথিত স্বামী দুইজনই পেশাদার অপরাধী। বিকালের দিকে তারা একটি অটোরিকশা ভাড়া করে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করে একটি নির্জন স্থানে অটো ড্রাইভার হৃদয়কে মারধর করে গাড়িটি নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল। হৃদয় বিষয়টি ফোনে অন্য ড্রাইভারদের জানালে তারা ধাওয়া করে কথিত স্বামী-স্ত্রী ছিনতাইকারীদের আটক করে।
আটক ছিনতাইকারী সাথী আক্তার (২৫), যিনি ৯৯৯ এ ফোন করেছিলেন এবং তার কথিত স্বামী নাজমুল (২৫) কে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তারা উভয়ই গজারিয়ার পুরান বাউসিয়ার অধিবাসী। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে।









