চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মাসউদুর রহমানের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমের নাতির দায়ের করা ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা প্রত্যাহারে সাতদিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম (এলআরএফ)। রবিবার (৩১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের মূল ফটকের সামনে মানববন্ধন করে এই দাবি জানান সংগঠনের নেতারা।
এলআরএফ সভাপতি মাশহুদুল হক বলেন, ‘একযুগ ধরে দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় ড. শামসুল আলমের অনেক সুনাম রয়েছে। কিন্তু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ছেলের করা মানহানির মামলা তার সেই সুনাম ক্ষুন্ন করছে। আমরা সাতদিনের মধ্যে এই মামলা প্রত্যাহারে প্রতিমন্ত্রীকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় সাংবাদিক সমাজ বৃহত্তর আন্দোলনে গেলে তার সুনাম আরও ক্ষুণ্ন হবে।’
জানা গেছে, মুশফেক আলম সৈকতের সাবেক স্ত্রী তাসনোভা ইকবাল পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও তার স্ত্রী এবং তাদের নাতিকে বিবাদী করে হাইকোর্টে রিভিশন মামলা করেন। পাঁচ বছরের শিশু সন্তানকে দেখতে না দিয়ে ১৭ মাস ধরে আটকে রাখার অভিযোগ তোলেন তিনি।
মামলার নথি ধরে একটি প্রতিবেদন করেন চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সাংবাদিক মাসউদুর রহমান। খবরটি প্রচারের কারণে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর, চ্যানেলটির বার্তা সম্পাদক এবং প্রতিবেদক মাসউদুর রহমানসহ পাঁচজনের নামে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন মুশফেক আলম সৈকত। এর শুনানি নিয়ে পিবিআইকে তদন্ত প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালত।
মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি মাশহুদুল হকের সভাপতিত্বে কর্মসূচি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইয়াছিন।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি মোরসালীন নোমানী, সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান, সহ-সভাপতি ওসমান গণি বাবুল, সাবেক সহ-সভাপতি আজমল হক হেলাল, জার্মান সংবাদ সংস্থা ডিপিএ’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম মিঠু, এলআরএফের সাবেক সভাপতি এম বদি-উজ-জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. দিদারুল আলম দিদার, সহ-সভাপতি আজিজুল ইসলাম পান্নু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ কে এম রফিকুল হাসান (হাসান জাবেদ), যুগ্ম সম্পাদক মো. সাইদুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ ও কল্যাণ সম্পাদক মো. বাহাউদ্দিন আল ইমরান, সদস্য শংকর মৈত্র, তানভীর আহমেদ, মেহেদী হাসান ডালিম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আক্তার হোসেন, ডিআরইউ’র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক তোফাজ্জেল হোসেন, মঈন উদ্দিন খান, ডিআরইউ’র সাবেক কার্য নির্বাহী সদস্য সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান।









