চাঁদা দাবি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে সাভার থানার ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শাহ আলমসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহজাদী তাহমিদার আদালতে মামলাটির আবেদন করেন রাফিয়া আক্তার তুলি নামের এক নারী। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে নথি পর্যালোচনায় মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন, আওলাদ হোসেন খান, মো. আলাউদ্দিন, আমান উল্লাহ, মনোয়ারা বেগম ও জামাল হোসেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাদী ও তার স্বামী ১৭৭ শতাংশ সম্পত্তি কিনে মালিক ও দখলদার হন। তারা নূরনবী আলী ও ইউনুছ আলী হাওলাদারকে কেয়ারটেকার হিসেবে নিযুক্ত করেন। এই কেয়ারটেকাররা বাদীর বাড়ি দেখভাল ও বসবাস করে আসছিলেন।
গত ২৬ সেপ্টেম্বর আসামি আওলাদ হোসেন খাঁনসহ অন্যান্য আসামিরা বাদীর বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এতে বাধা দিলে আসামিরা কেয়ারটেকার ইউনুছ আলী হাওলাদারকে মারধর করে। পরবর্তীতে ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে সাভার থানার ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শাহ আলম ও দুইজন কনস্টেবলের উপস্থিতেতে আওলাদ হোসেন এবং আলাউদ্দিন কেয়ারটেকারের স্ত্রীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করে।
এরপর এসআই শাহআলম ভিকটিমকে বলেন, ‘তোমাদের বাড়ির মালিক রাফিয়া আক্তারকে বলবে সে যেন ৫ লাখ টাকা নিয়ে ভাকুর্তা ভিট অফিসে দেখা করে’। পরবর্তীতে ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে বাদীর শুভাকাঙ্ক্ষী জাকির হোসেন ভাকুর্তা পুলিশ ফাঁড়িতে এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে গেলে ফাঁড়ির দায়িত্বরত এসআই শাহ আলম জাকিরকে তৎক্ষণাৎ হাতকড়া পরান। এরপর ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় গত ৬ অক্টোবর এসআই শাহআলম কেয়ারটেকারকে ফোন করে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।









