মুখে ব্রণ হলে অনেকেই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে চান না। তাদের ধারণা, এতে ত্বক আরও তৈলাক্ত হবে এবং ব্রণের সমস্যা বাড়বে। কিন্তু এই ধারণা ঠিক নয়। শীতের শুরু থেকেই বাতাসে আর্দ্রতা কমতে থাকে। ঠান্ডা হাওয়ায় ত্বক দ্রুত শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তার উপর বার বার মুখ ধোয়া কিংবা নিজের ইচ্ছেমতো স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ও বেঞ্জয়েল পারক্সাইড ব্যবহার করলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা আরও কমে যায়। ফলে ত্বকের সুরক্ষাবর্ম দুর্বল হতে পারে।
ত্বক তৈলাক্ত হলে ব্রণ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে ঠিকই, তবে শুষ্ক ত্বকেও ব্রণ দেখা দিতে পারে। তাই মুখে ব্রণ থাকলেও ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা জরুরি। এ ক্ষেত্রে ত্বকের ধরন বুঝে ময়েশ্চারাইজার বেছে নিতে হবে। সেরামাইড, গ্লিসারিন বা হায়ালুরোনিক অ্যাসিড রয়েছে এমন হালকা ময়েশ্চারাইজার কিংবা সিরাম ব্যবহার করতে পারেন। তবে এমন প্রসাধনী বেছে নেওয়া ভালো, যা ত্বকের রন্ধ্র বন্ধ করে না।
ত্বক পরিষ্কার রাখাও জরুরি। দিনের শেষে মৃদু ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তবে বার বার মুখ ধোয়া বা অতিরিক্ত ঘষাঘষি করা ঠিক নয়। এতে ত্বক আরও শুষ্ক ও সংবেদনশীল হয়ে উঠতে পারে। ব্রণ বা র্যাশ থাকলে প্রতিদিন স্ক্রাব ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। স্ক্রাব করলেও খুব আলতো হাতে করতে হবে, যাতে ত্বকে ঘর্ষণ না লাগে।
শীতকালেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। রোদ কম থাকলেও অতিবেগনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে ত্বকের উপযোগী সানস্ক্রিন মাখুন। ব্রণের সমস্যা বেশি হলে বা ত্বকে জ্বালা, লালচে ভাব ও অতিরিক্ত শুষ্কতা দেখা দিলে নিজে থেকে প্রসাধনী বা অ্যাকটিভ উপাদান ব্যবহার না করে ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।