রোজায় খাদ্যাভ্যাস

Send
আমিনা শাহনাজ হাশমি
প্রকাশিত : ১৬:০০, এপ্রিল ১৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৬:০০, এপ্রিল ১৯, ২০২০

আর কিছুদিন পরই শুরু হচ্ছে রোজা। বদলে যাবে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস। দৈহিক চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রেখেই এই সময়ে খাবার নির্বাচন করা দরকার। খুব কম খেয়ে রোজা রাখা যেমন ঠিক নয়, তেমনি সারাদিন খাওয়া হয় না এজন্য ইফতারে অতিরিক্ত খাওয়াটাও অনুচিত। খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেতে হবে যা হজমে সহায়ক। ইফতার ও সেহরির মধ্যে সাত থেকে আট গ্লাস পানি পান করতে হবে। এই সময় কার্বনেটেড ড্রিঙ্কস এবং সোডা জাতীয় পানীয় বর্জন করতে হবে, কারণ এগুলো অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দেয়। গ্লুকোজ খেতে পারেন। দ্রুত শক্তি পাওয়া যায় গ্লুকোজ থেকে। এটি তাৎক্ষণিক শক্তির যোগান দিতে সক্ষম। এছাড়াও ফলের মধ্যে আঙুর, খেজুর অথবা ফলের রস তাৎক্ষণিক শক্তি সরবরাহ করে এবং শরীরে পানি ও খনিজের প্রয়োজন মেটায়। চিনিযুক্ত খাবার বর্জন করাই ভালো।

ইফতারে যা খাবেন

রোজাদার ব্যক্তি ইফতারে কী খাবেন তা নির্ভর করে তার স্বাস্থ্য ও বয়সের ওপর। একটি পুষ্টিগুণসম্পন্ন ইফতারে বেশকিছু আইটেম থাকা চাই। খেজুর খেতে পারেন ইফতারে। সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে শরীর সুস্থ রাখতে খেজুরের জুড়ি নেই। পরিমিত পানি পান তো রয়েছেই। ভাজাপোড়া খাবার না খেয়ে টাটকা সবজিতে ভরপুর এক বাটি গরম স্যুপ খেয়ে নেওয়া যায়। স্যুপ যেমন পানির অভাব পূরণ করে, তেমনি পাকস্থলী সুস্থ রাখে ও খাবারের আগ্রহ বাড়ায়। সবজি ও ফল দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন সালাদ। এটি পুষ্টি জোগাবে। খেজুর,পানি, স্যুপ,সালাদ দিয়ে শুরু করুন আপনার প্রতিদিনের ইফতার। এরপর পছন্দ মতো স্বাস্থ্যকর কিছু খেতে পারেন।

সেহরিতে যা যা খাবেন:

রোজা শুরু হয় সেহরি দিয়ে। সেহরির খাদ্যতালিকায় প্রোটিন সমৃদ্ধ, আঁশযুক্ত, সুষম, দ্রুত হজম হয় এমন খাবার খাওয়া উচিৎ। গমের আটার রুটি, ভাত, শাকসবজি থাকতে পারে এই তালিকায়। এছাড়া বাদাম, কম চর্বিযুক্ত মাছ বা মাংস, দুধজাতীয় খাবার খেতে পারেন।

সেহরিতে ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত চিনি বা চর্বিজাতীয় খাবার, মাত্রাতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত নয়।  চা বা কফি খাওয়াও অনুচিত।

লেখক: পুষ্টিবিদ

/এনএ/

লাইভ

টপ