ওটের পুষ্টিগুণ

Send
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৮:২৩, নভেম্বর ২০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৫৭, নভেম্বর ২০, ২০২০

স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্টের লিস্ট করা হলে সবার আগে আসবে ওটের নাম। ফল ও বাদাম মিশিয়ে সকালে এক বাটি ওট খেলে যেমন পেট ভরবে, তেমনি পুষ্টি ও এনার্জিও পাবেন শতভাগ। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই খাদ্যশস্যটির উপকারিতা কী জেনে নিন।

  • ওটমিলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, আয়রন, প্রোটিন ও ভিটামিন বি। ভিটামিন বি শরীরে কার্বোহাইড্রেট হজমে সাহায্য করে।
  • অন্যান্য শস্যজাতীয় খাবারের তুলনায় ওটে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি প্রয়োজনীয় মিনারেল বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।
  • ওটমিলে বিটা গ্লুকোন নামক বিশেষ এক ধরনের ফাইবার রয়েছে, যা শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। প্রতিদিন তিন গ্রাম ওট খেলেই প্রায় আট থেকে দশ শতাংশ পর্যন্ত কোলেস্টেরল কমানো সম্ভব।
  • বিটা গ্লুকোন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে ব্যাকটেরিয়াজনিত ইনফেকশন প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
  • হার্ট ভালো রাখার ক্ষেত্রেও কার্যকরী ওটমিল। এর বিশেষ এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট উপাদান শরীরে এলডিএলের মতো ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
  • অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তার কারণে হাইপারটেনশনে ভোগেন অনেকেই। এর ফলে হওয়া উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে ওট।
  • লো ক্যালোরি ও সুগার ফ্রি হওয়ায় ডায়াবেটিসের রোগীরা অনায়াসে খেতে পারেন ওটমিল।
  • হজম ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে ওটমিলে থাকা ফাইবার। যারা কোষ্ঠকাঠিন্য বা হজমের সমস্যায় ভুগছেন, তারা নিয়মিত খান এটি।
  • ওট খাওয়ার পর অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা থাকে। তাই সকালের নাস্তায় এক বাটি ওট খেলে অনেকক্ষণ ক্ষুধা লাগে না।
  • ওটমিলে খেলে ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে। এর হোল গ্রেন্স মেনোপজের পরবর্তী সময়ে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

 

/এনএ/

লাইভ

টপ