X
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২২, ১৩ মাঘ ১৪২৮
সেকশনস

বইয়ের দোকান অলিতেগলিতে গড়ে উঠুক

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২২, ১২:১২

[পাপড়ি রহমান লেখক, সম্পাদক, গবেষক এবং অনুবাদক। জন্ম : ১৯৬৫, হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, ঢাকা। পৈতৃকবাস : টাঙ্গাইল। গল্পের বই : লখিন্দরের অদৃষ্ট যাত্রা (২০০০) হলুদ মেয়ের সীমান্ত (২০০১) অষ্টরম্ভা (২০০৭) ধূলি চিত্রিত দৃশ্যাবলি (২০১০) ইত্যাদি। উপন্যাস :পোড়া নদীর স্বপ্নপুরাণ (২০০৪) মহুয়া পাখির পালক (২০০৪) বয়ন (২০০৮) ইত্যাদি। অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২২ নিয়ে এই কথাসাহিত্যিকের সঙ্গে কথা বলেন অরণ্য মুশফিক।]

 

প্রশ্ন : অমর একুশে বইমেলা ২০২২ কেমন চান?

উত্তর : আমি যেমন চাই তেমন মেলা কি হবে? করোনা মহামারিকে পাশ কাটিয়ে কীভাবে সম্ভব একটা উৎসবমুখর ও সত্যিকার বইপ্রেমীদের মেলার দেখা পাওয়া? তারপরও আমি আশাবাদী, নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনকে নিয়ন্ত্রণ করা গেলে নিশ্চয়ই আমার প্রত্যাশিত জমজমাট বইমেলার দেখা পাওয়া যাবে।

 

প্রশ্ন : এ বছর আপনার কি কি বই আসবে? কোন প্রকাশনা থেকে?

উত্তর : খুব বেশি কাজ আমি কখনো করতে পারি না। তাই প্রতি মেলাতেই আমার বই প্রকাশিত হয় না। কিন্তু এবছর ব্যতিক্রম হিসেবেই আমার দুটো বই আসছে। পাঠক সমাবেশ থেকে আসবে স্মৃতিগদ্য ‘আমার একলা পথের সাথি’ ও পরিবার পাবলিকেশন থেকে আসবে কিশোর উপন্যাস ‘তুতুনের দিনরাত’। আরও দুটো বই কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু পাণ্ডুলিপি গোছাতে পারিনি বলে ও বই দুটো এবার আর আসছে না।

 

প্রশ্ন : প্রকাশিতব্য বই সম্পর্কে জানতে চাই।

উত্তর : আসলে প্যান্ডেমিক সময়ে আমি তেমন কিছুই লিখে উঠতে পারিনি। গত দুইবছর ধরে লিখেছি স্মৃতিগদ্য ‘আমার একলা পথের সাথি’—এই বইটিতে রয়েছে আমার লেখক হবার জার্নির কথা। বা এ বইটাকে আমার লেখালিখির জার্নালও বলা যায়। আর জুভেনিল লিখেছিলাম তারও বছর খানেক আগে, ‘তুতুনের দিনরাত’। এই বইটিও কিশোরদের ভালো লাগবে বলেই আশা করছি।

 

প্রশ্ন : অমর একুশে বইমেলা ২০২১ এর অভিজ্ঞতা কেমন?

উত্তর : আমার দুর্ভাগ্য যে ২০২১ এর বইমেলায় আমি একদিনও যেতে পারিনি। সেবারই প্রথমÑযেবার বইমেলায় আমি একদিনও যাইনি। কারণ ২০২০ এর ডিসেম্বরে আমি কোভিড আক্রান্ত হই। তার পরের তিন-চারমাস আমার মাথার ভেতর ঘোরঘুট্টি অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই ছিল না। 

 

প্রশ্ন : বইমেলার পর আমাদের বই খুঁজে পাওয়া যায় না এবং বইয়ের দোকানও স্বল্প। এই পরিস্থিতিতে বই পাঠকের কাছে পৌঁছাতে আপনার ভাবনা যদি জানাতেন।

উত্তর : এটা যেকোনো লেখকের জন্যই খুব দমবদ্ধকর পরিস্থিতি। তাঁর বইটা মেলার পর আর খুঁজে পাওয়া যায় না! এসবের সেরকম কোনো সমাধান আদতে নেই। তবুও খানিকটা হয়, যদি বইয়ের দোকান বাড়ানো যায়। অলিতেগলিতে যেমন করে ফাস্টফুডের দোকান চোখে পড়ছে, বইয়ের দোকানও অলিতেগলিতে গড়ে উঠুক। আর সমস্ত প্রকাশকেরা অনলাইনে বই বিক্রির ব্যবস্থা করুক।

আর লেখকেরাও খানিকটা খোঁজখবর রাখুক, তাঁর এ বছরের প্রকাশিত বইটি পাঠকের নাগালে আছে কি নেই!

/জেডএস/
সম্পর্কিত
দুনিয়ার মজদুর এক হও ।। জুলি কোহ
দুনিয়ার মজদুর এক হও ।। জুলি কোহ
৪৫ বছরের লেখালিখির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলাম
৪৫ বছরের লেখালিখির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলাম
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ফোটা একগুচ্ছ গোলাপ
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ফোটা একগুচ্ছ গোলাপ
জেমকন সাহিত্য পুরস্কারের দীর্ঘ তালিকা ঘোষণা
জেমকন সাহিত্য পুরস্কারের দীর্ঘ তালিকা ঘোষণা
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
দুনিয়ার মজদুর এক হও ।। জুলি কোহ
সমকালীন অস্ট্রেলিয়ান গল্পদুনিয়ার মজদুর এক হও ।। জুলি কোহ
৪৫ বছরের লেখালিখির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলাম
৪৫ বছরের লেখালিখির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলাম
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ফোটা একগুচ্ছ গোলাপ
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ফোটা একগুচ্ছ গোলাপ
জেমকন সাহিত্য পুরস্কারের দীর্ঘ তালিকা ঘোষণা
জেমকন সাহিত্য পুরস্কারের দীর্ঘ তালিকা ঘোষণা
মাসুদ রানার চেয়েও অধিক
মাসুদ রানার চেয়েও অধিক
© 2022 Bangla Tribune