ঝুম্পা লাহিড়ীর সাক্ষাৎকার

‘একজন নারী হিসেবে লিখতে পারছি, বিষয়টি স্বাভাবিক বলে ধরে নিই না’

অনুবাদ : মিতা হক
১১ জুলাই ২০২৬, ২০:০০আপডেট : ১১ জুলাই ২০২৬, ২০:১৩

ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন লেখক ঝুম্পা লাহিড়ী সম্প্রতি ‘হার্পার্স বাজার’-কে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে লেখালেখির প্রেরণা, ভাষা, অনুবাদ ও সৃষ্টিশীলতার অন্তরঙ্গ অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছেন। কেটলিন গ্রিনিজের নেওয়া সাক্ষাৎকারটির বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করা হলো।

আপনি কার জন্য লেখেন এবং কেন?

আমি মনে করি, আমি মূলত নিজের জন্যই লিখি। বেঁচে থাকার জন্য লিখি। লেখালেখি আমার অস্তিত্বের একটি অংশ। যত দূর মনে পড়ে, লেখালেখি সব সময়ই আমার পরিচয় ও জীবনযাপনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। তাই নিজের সবচেয়ে গভীর সত্তার জন্যই আমি লিখি।

তবে আরেকটি ইচ্ছাও আছে। আমি এমন কিছু লেখকের জন্যও লিখতে চাই, যারা আমার আগে পথ তৈরি করে গেছেন। যেমন ফ্রানৎস কাফকা কিংবা ভার্জিনিয়া উলফ। কখনও কখনও ভাবি, “তারা কি এই বাক্যটি পড়তে চাইতেন?” কথাটা হয়তো কিছুটা দুঃসাহসী শোনায়। কিন্তু আমি মনে করি, তাদের মতো পূর্বসূরিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই আমি লিখি।

আপনি গল্প-উপন্যাসের পাশাপাশি প্রবন্ধও লেখেন। এমন কিছু কি আছে, যা নির্দিষ্ট এক ধরনের লেখায় বলা যায়, কিন্তু অন্য ধরনের লেখায় বলা যায় না?

এই বিভাজনটি এখন আর আমার ভালো লাগে না। এমন বিভাজনকে আমি বরং প্রশ্ন করতে চাই। আপনি একটু আগে ‘সত্য’ শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। আমার মনে হয়, কল্পকাহিনির মধ্যেও সত্য থাকে। আবার সত্যের মধ্যেও কল্পনার উপস্থিতি থাকে। দুটি বিষয় একে অপরের সঙ্গে মিশে থাকে। তাদের মধ্যে কঠিন কোনো দেয়াল নেই।

এখন ‘ফিকশন’ শব্দটিও আমাকে অস্বস্তিতে ফেলে। ফিকশন মানেই শুধু উপন্যাস বা ছোটোগল্প, এমন ধারণা তুলনামূলকভাবে নতুন। আসলে ফিকশন মানে শুধু সেই ধরনের লেখা নয়। এর অর্থ নতুন কিছু সৃষ্টি করা। সব ধরনের লেখালেখিতেই সৃষ্টিশীলতা থাকে। এমনকি সাংবাদিকতাও অনেক সময় সৃজনশীল হতে পারে। আবার সেখানে সব সময় পুরোপুরি সত্যও থাকে না।

একইভাবে ‘নন-ফিকশন’ শব্দটিও আমার পছন্দ নয়। আমি যদি প্রবন্ধ লিখি, তাহলে তাকে হয়তো ‘আন-ফিকশন’ বলা আরও আকর্ষণীয় হতে পারে। এখন আবার ‘অটোফিকশন’ শব্দও এসেছে, যা সত্য ও কল্পনার মিলনকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু লেখক কী করতে পারেন, তা বোঝানোর জন্য এসব শব্দ আমার কাছে যথেষ্ট নয়।

আবার ভার্জিনিয়া উলফের কথায় ফিরি। তিনি প্রবন্ধ লিখেছেন, চিঠি লিখেছেন, ডায়েরি লিখেছেন, ছো্টোগল্প লিখেছেন, উপন্যাস লিখেছেন। তার সব ধরনের লেখাই একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। একটি লেখা অন্যটিকে প্রভাবিত করেছে। এভাবেই একজন লেখক গড়ে ওঠেন।

আমার মনে হয়, লেখকের জন্য সব ধরনের লেখাই গুরুত্বপূর্ণ। গল্প, কবিতা কিংবা নাটকের লক্ষ্যও তো শেষ পর্যন্ত সত্যকে অন্য এক শিল্পরূপে প্রকাশ করা। তাই এসব নাম বা শ্রেণিবিভাগকে খুব বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখার প্রয়োজন নেই।

উপন্যাস লেখা আপনি কীভাবে শুরু করেন? শব্দ, বাক্য, চরিত্র, নাকি কোনো দৃশ্য থেকে?

এগুলোর যেকোনো একটি থেকেও শুরু হতে পারে, আবার কোনোটিই নাও হতে পারে। একটি উপন্যাস কখনও একটি ছোট্ট নোট থেকে জন্ম নেয়। কখনও কোনো অসমাপ্ত গল্প, একটি ভাবনা, একটি অনুচ্ছেদ বা দীর্ঘদিন ধরে ভাবনায় থাকা কোনো বিষয় থেকে শুরু হয়।

বেশির ভাগ সময় উপন্যাসের শুরু হয় এমন কিছু থেকে, যা আমাকে দীর্ঘদিন ধরে তাড়া করে বেড়ায়। তারপর একসময় আমি সিদ্ধান্ত নিই, সেই অজানা পথ ধরে এগোব। আমি নিজেকে বলি, “ওখানে কী আছে? এই ভূতটা কী? এই টোকা দেওয়ার শব্দ কোথা থেকে আসছে? আমি একটু ভয় পাচ্ছি, কিন্তু আমাকে জানতে হবে ব্যাপারটা কী।”

কোনো একটি বিষয় আমাকে অস্থির করে তোলে। তখন আমাকে তার সঙ্গে সময় কাটাতে হয়। তাকে নতুন করে এমনভাবে দেখতে হয়, যেভাবে আগে কখনও দেখিনি।

একজন লেখক ‘আউটসাইডার’ হওয়া থেকে কী শেখেন? সেই দৃষ্টিভঙ্গি তিনি তার লেখায় কীভাবে ব্যবহার করতে পারেন?

আমার মনে হয়, প্রত্যেক লেখকই একজন বহিরাগত। লেখক হতে হলে এমন অবস্থান প্রয়োজন। বাইরে দাঁড়িয়ে না থাকলে, প্রান্তে না থাকলে, দূরত্ব রেখে না দেখলে লেখা সম্ভব নয়। সেই দূরত্বই লেখককে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেয়।

তবে একটি বিষয় আছে। কেউ কেউ জন্ম থেকেই সমাজের প্রান্তিক অবস্থানে থাকেন। আবার কেউ সচেতনভাবে সেই অবস্থান বেছে নেন বা ধরে রাখেন।

আমার ক্ষেত্রে এটি ছিল জন্মগত বাস্তবতা। পরে আমি বুঝতে পারি, সব সময় যে বিচ্ছিন্নতা বা বাদ পড়ে থাকার অনুভূতি নিয়ে বড় হয়েছি, তারও একটি ভাষা হতে পারে। একটি দৃষ্টিভঙ্গি হতে পারে। তা এমন কিছু বলতে পারে, যা মূলধারার কেন্দ্র থেকে বলা সম্ভব নয়।

আমার বিশ্বাস, একজন লেখকের নিজের বহিরাগত অবস্থানকে গ্রহণ করা খুবই জরুরি। লেখক হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পর তা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ লেখক হয়ে গেলে অদ্ভুতভাবে আপনি অনেক সময় সবার নজরের কেন্দ্রে চলে আসেন।

আজ যেমন আমার ছবি তোলার জন্য ডিজাইনারদের পাঠানো অসংখ্য পোশাক এসেছে। ফটোগ্রাফার ও পুরো দল এসেছে। হঠাৎ করেই সবাই আমাকে ঘিরে আছে। এই সাক্ষাৎকারও তেমনই। হঠাৎ আমার ওপর আলো পড়েছে। অথচ মানুষ হিসেবে আমি এভাবে বড় হইনি।

কিন্তু এসব সাময়িক। আসল কাজ শুরু হয় তখনই, যখন সবকিছু শেষ হয়ে যায়। আপনি আবার নিজের সেই প্রান্তিক জায়গায় ফিরে যান, সেখানে হাঁটেন, থাকেন। সেখানেই শিল্পের জন্ম হয়।

যেদিন একজন শিল্পী সেই বহিরাগত অবস্থান ছেড়ে দেন, সেদিন তিনি তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানটি হারান। সমাজ বা ইতিহাসের দৃষ্টিতে তা হয়তো সুবিধাজনক অবস্থান নয়। কিন্তু একজন শিল্পীর জন্য এটিই সবচেয়ে মূল্যবান অবস্থান। শিল্প সৃষ্টির জন্য এর বিকল্প নেই।

ছবি : পেগাহ ফারাহমান্দ
২০২৪ সালে ‘প্যারিস রিভিউ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আপনি বলেছিলেন, “আমার লক্ষ্য আমার কণ্ঠ নিয়ে সন্তুষ্ট হওয়া নয়। আমি শুধু চাই, আমার একটি নিজস্ব কণ্ঠ থাকুক।” এ কথা একটু ব্যাখ্যা করবেন? আজকের এমন এক সময়ে, যখন চারদিকে অসংখ্য মত, ভাষা ও তথ্যের ভিড়, তখন একজন শিল্পী কীভাবে নিজের কণ্ঠ তৈরি করেন?

প্যারিস রিভিউ-এর সেই সাক্ষাৎকারের সময় আমি ওভিডের ‘মেটামরফোসিস’ নিয়ে কাজ করছিলাম। তখন বারবার ভাবছিলাম, এই কাব্যে কতবার দেখা যায় যে নারীদের শাস্তি হিসেবে তাদের কণ্ঠ কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। যেন বলা হচ্ছে, “তুমি আমার কথা মানোনি, তাই তুমি গোরু হয়ে যাবে, কিংবা অন্য কিছুতে রূপান্তরিত হবে। তুমি আর নিজের ভাষায় কথা বলতে পারবে না।”

ইকো ও নার্সিসাসের গল্পটি ধরুন। ইকোকে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, কারণ সে জুপিটারের প্রেমঘটিত সম্পর্ক আড়াল করতে জুনোকে ব্যস্ত রেখেছিল। জুনো ছিলেন জুপিটারের স্ত্রী। সত্য জানার পর তিনি ইকোকে অভিশাপ দেন। এরপর থেকে ইকো নিজের ভাষায় কিছু বলতে পারে না, অন্যের কথার শেষ অংশটুকু শুধু পুনরাবৃত্তি করতে পারে। অর্থাৎ তার কণ্ঠ আংশিকভাবে কেড়ে নেওয়া হয়।

এই কাব্যে আরও অনেক জায়গায় নারীদের কণ্ঠ পুরোপুরি কেড়ে নেওয়ার ঘটনা আছে। কোথাও তাদের জিহ্বা কেটে ফেলা হয়। ঘটনাগুলো খুবই নির্মম ও সহিংস। যেমন প্রোকনে ও ফিলোমেলার গল্প। ফিলোমেলাকে তার ভগ্নিপতি ধর্ষণ করে ও সত্য প্রকাশ করতে যেন না পারে, সে জন্য তার জিহ্বা কেটে দেয়। কিন্তু তারপরও সে থেমে যায় না। সে বুননের মাধ্যমে নিজের গল্প বলে।

এই সব পুরাণকাহিনি আমি সারা জীবন পড়েছি। কিন্তু একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী হিসেবে এখন আমি সেগুলোকে নতুনভাবে বুঝতে পারি। এগুলো আমাকে বারবার মনে করিয়ে দেয়, ইতিহাসজুড়ে নারীদের নিজের কণ্ঠ ছিল না। এটাই বাস্তবতা।

তাই আমি একজন নারী হিসেবে লিখতে পারছি, এ বিষয়টি কখনও স্বাভাবিক বলে ধরে নিই না। আমি খুব মূল্য দিই এই সত্যটিকে যে আমি কিছু বলতে পারি, কেউ তা প্রকাশ করে, কেউ শোনে। কারণ ছোটোবেলায় আমি এমনটা কল্পনাও করিনি। আমি খুব শান্ত স্বভাবের শিশু ছিলাম। খুব কম কথা বলতাম। তাই লিখতাম। কিন্তু শিশু অবস্থায় তো কেউ আপনার লেখা পড়ে না। আপনি শুধু লিখে যান, আর সেই লেখা কাগজের নীরব জগতে থেকে যায়।

আমি আগেও বলেছি, আমি সুখী হওয়ার জন্য লিখি না। আমি লিখি টিকে থাকার জন্য। আরও ভালোভাবে বাঁচার জন্য। শেখার জন্য। একজন ভালো মানুষ হয়ে ওঠার জন্য। জীবনে সুখের গুরুত্ব আমি অস্বীকার করি না। কিন্তু সেই সুখ আমি অন্য উৎস থেকে পাই। লেখালেখি আমার সুখের পথ নয়। তা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়।

অনেকে জিজ্ঞেস করেন, “একটি বই লিখে আপনি কি খুশি?” তখন আমি বলতে পারি, “আমি এতে সন্তুষ্ট। হয়তো কিছুটা গর্বিতও। শেষ হয়েছে বলে স্বস্তি পাচ্ছি। বইটির ভবিষ্যৎ কী হবে, তা জানার কৌতূহল আছে।” কিন্তু ‘সুখ’ শব্দটি এখানে আসে না।

আমি বলতে পারি, ব্যক্তিগত জীবনে এখন আমি সুখী। যদিও সব সময় এমন ছিল না। কিন্তু সেই সুখের সঙ্গে আমার বই লেখার কোনো সম্পর্ক নেই। আমার মনে হয়, নিজের লেখা বা নিজের কণ্ঠ নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়ে পড়া বিপজ্জনক। একজন লেখকের সব সময় এগিয়ে যেতে হবে। নিজের সীমা পরীক্ষা করতে হবে। নিজেকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করাতে হবে।

একটি বই থেকে আরেকটি বই আসে। তারপর আরও একটি। কিন্তু বাইরে থেকে নানা ধরনের মন্তব্যও আসে—“আগের বইটি এমন ছিল, নতুনটি তেমন হলো”, “এটি ভালো, ওটি ততটা নয়।” এই কথাগুলো যেন সমান্তরাল এক শব্দধারা, যা আমরা চাইলে গ্রহণ করি, চাইলে উপেক্ষা করি। আমার বিশ্বাস, একজন লেখকের লক্ষ্য সুখী হওয়া নয়। লেখকের কাজ অন্য কিছুর দিকে এগিয়ে যাওয়া।

রোমে এমন কোনো জায়গা আছে, যেখানে বসে আপনি সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে লিখতে পারেন?

আমি এখন যেদিকে তাকিয়ে আছি, সেখানেই। আমি এই সোফাতেই সবচেয়ে বেশি লিখি। এই মুহূর্তে সোফার ওপর ফেরাগামো ও ফেন্ডির অনেক ব্যাগ রাখা আছে। কিন্তু সাধারণত আমি এখানেই বসে লিখি। ধীরে ধীরে এই সোফাটাই আমার লেখার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা হয়ে উঠেছে।

আমি হাতে লিখতেও খুব ভালোবাসি। প্রথম খসড়া প্রায়ই হাতে লিখি। নোটবুকেই শুরু করি। সেই কাজগুলোর বেশির ভাগই এই সোফায় বসেই হয়।

রোমে থাকলে আমি কয়েকটি লাইব্রেরিতেও কাজ করি। ব্রুকলিনে থাকলে নিজের বাড়িতেই লিখি। ভ্রমণের সময়ে কখনও কখনও লিখতে পারি। সাধারণত ট্রেনে, মাঝে মাঝে বিমানে। যদিও এমনটা খুব বেশি হয় না। তবে কখনও কখনও নির্দিষ্ট কোনো উচ্চতায় উড়তে উড়তে হঠাৎ একটি বাক্য মাথায় চলে আসে।

কীভাবে বুঝতে পারেন, একটি গল্প বা উপন্যাসের শেষ এসে গেছে? আপনার মতে, একটি ভালো সমাপ্তির বৈশিষ্ট্য কী?

যখন কোনো কাজ শেষ করার সময় আসে, তখন এক ধরনের অস্থিরতা অনুভব করি। সেটিই আমার কাছে সবচেয়ে বড় সংকেত।

একটি লেখা অতিরিক্ত লিখে ফেলার ঝুঁকি সব সময় থাকে। তাই লেখাটিকে সম্পূর্ণ করা ও অযথা বাড়িয়ে না ফেলার মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য খুঁজে নিতে হয়।

কোনো কোনো প্রকল্প শেষ হতে অনেক বছর লেগে যায়। আবার কিছু লেখা খুব দ্রুত নিজের সমাপ্তি খুঁজে পায়।

আমার কাছে সবচেয়ে ভালো সমাপ্তি হলো এমন, যেখানে লেখক ঠিক সেই মুহূর্তে পাঠককে বিদায় দেন, যখন একটি সুন্দর আড্ডা শেষ হতে চলেছে। আপনি ভালো সময় কাটিয়েছেন, খেয়েছেন, অনেক মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন, চারপাশ দেখেছেন। তারপর বাড়ির মালিক আপনাকে বলছেন, “এবার আপনার যাওয়ার সময় হয়েছে। এটি তো আপনার বাড়ি নয়।”

আমি একটি বই শেষ করে ঠিক এমন অনুভূতিই পেতে চাই। মনে হোক, “কী দারুণ ছিল! কিন্তু আমি তো এই গল্পের ভেতরে সারাজীবন থাকতে পারি না। এবার এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে।”

/জেড-এস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
এইচএসসির প্রশ্ন কমন না পড়ায় কেন্দ্রে হুলুস্থুল, দলবেঁধে হামলা-ভাঙচুর
এইচএসসির প্রশ্ন কমন না পড়ায় কেন্দ্রে হুলুস্থুল, দলবেঁধে হামলা-ভাঙচুর
আগামী ১০০ বছরে আর কোনও গণঅভ্যুত্থানের সম্ভাবনা নেই: রুমিন ফারহানা
আগামী ১০০ বছরে আর কোনও গণঅভ্যুত্থানের সম্ভাবনা নেই: রুমিন ফারহানা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসা নিয়ে যা জানালো ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসা নিয়ে যা জানালো ইরান
চট্টগ্রাম বোর্ডের আরও তিন দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
চট্টগ্রাম বোর্ডের আরও তিন দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
সর্বাধিক পঠিত
নেশাগ্রস্ত পিতার আঘাতেই প্রাণ হারায় মেয়ে: আদালতে মা
নেশাগ্রস্ত পিতার আঘাতেই প্রাণ হারায় মেয়ে: আদালতে মা
মেসির দুই মিসের পর আর্জেন্টিনার পেনাল্টি কে নেবেন জানালেন কোচ
মেসির দুই মিসের পর আর্জেন্টিনার পেনাল্টি কে নেবেন জানালেন কোচ
সরকারি শিশু পরিবারে কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা হলো কিশোরী, বরখাস্ত ৫ কর্মকর্তা
সরকারি শিশু পরিবারে কীভাবে অন্তঃসত্ত্বা হলো কিশোরী, বরখাস্ত ৫ কর্মকর্তা
‘ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন, এখনই দেশে ফিরুন’—শেখ হাসিনাকে আসিফ নজরুল
‘ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন, এখনই দেশে ফিরুন’—শেখ হাসিনাকে আসিফ নজরুল
‘পরীমণিকে গ্রেফতার করা যৌক্তিক ছিল না’—অভিযানের নেপথ্য জানালেন র‍্যাবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান
‘পরীমণিকে গ্রেফতার করা যৌক্তিক ছিল না’—অভিযানের নেপথ্য জানালেন র‍্যাবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান