সাহিত্য সালতামামি ২০১৯

Send
শামস-উল-আলম
প্রকাশিত : ১৮:০৯, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:২২, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৯

চলে যাচ্ছে ২০১৯ সাল। এ বছর অনেক প্রাপ্তিই আছে, আবার এসবের বিপরীতে হারিয়ে গেছে অনেক প্রিয় মুখ। আনন্দ বেদনার মিশেলেই জীবনের চলমানতা রয়ে যায় অব্যাহত। সামনের দিনগুলোর সোনালি অর্জন সমৃদ্ধ করবে আগামী জীবন—এই প্রত্যাশায় চলমান থাকবে সামনের পথে এগিয়ে যাওয়া। জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো সাহিত্যেও ঘটেছে অনেক স্মরণীয় ঘটনা, কিছু আনন্দের প্রাপ্তি, কিছু বেদনার বিয়োগ। পেছনের দিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে দেখে নেওয়া যেতে পারে সাহিত্য অঙ্গনে ঘটে যাওয়া বেশ কিছু চিত্র।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা : বছরের ২৮ জানুয়ারি ঘোষণা করা হয় বাংলা সাহিত্যের একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮। এ বছর চার বিভাগে চারজন বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন—কবিতায় কাজী রোজী, কথাসাহিত্যে মোহিত কামাল, প্রবন্ধ ও গবেষণায় সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যে আফসান চৌধুরী।

কবি আল মাহমুদের প্রয়াণ : ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১১ টা ৫ মিনিটে ধানমন্ডির শংকরে ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন সোনালী কাবিনের কবি আল মাহমুদ। ৯ ফেব্রুয়ারি শারীরিক অসুস্থতার কারণে আল মাহমুদকে ধানমন্ডি শংকরে ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরের দিন একই হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি নিউরোলোজিস্ট প্রফেসর আব্দুল হাইয়ের তত্ত্বাবধানে ছিলেন।

জীবনানন্দ পুরস্কার ঘোষণা : ১৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হয় জীবনানন্দ পুরস্কার ২০১৯। কবিতায় জুয়েল মাজহার ও কথাসাহিত্যে আবদুল মান্নান সরকার এ পুরস্কার লাভ করেন। ধানসিড়ি সাহিত্য সৈকত ও দূর্বা’র যৌথ উদ্যোগে প্রবর্তিত এই পুরস্কারের দশ হাজার টাকা অর্থমূল্য ও সম্মাননাপত্র বছরের ২২ অক্টোবর জীবনানন্দের প্রয়াণদিবসে বরিশালে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্পণ করা হয়।

গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার ঘোষণা : বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী ২৫ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯ উপলক্ষে বাংলা একাডেমি পরিচালিত চারটি গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার ঘোষণা করেন। ২০১৮ সালে প্রকাশিত বিষয় ও গুণমানসম্মত সর্বাধিক সংখ্যক গ্রন্থ প্রকাশের জন্য কথাপ্রকাশ-কে চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার-২০১৯, ২০১৮ সালে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে গুণমান ও শৈল্পিক বিচারে সেরা গ্রন্থ বিভাগে গোলাম মুরশিদের বিদ্রোহী রণক্লান্ত : নজরুল-জীবনী গ্রন্থের জন্য প্রথমা প্রকাশনকে, মইনুদ্দীন খালেদের মনোরথে শিল্পের পথে গ্রন্থের জন্য জার্নিম্যান বুকসকে এবং মারুফুল ইসলামের মুঠোর ভেতর রোদ গ্রন্থের জন্য চন্দ্রাবতী একাডেমিকে মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার ২০১৯ প্রদান করা হয়। এছাড়া, ২০১৮ সালে প্রকাশিত শিশুতোষ গ্রন্থের মধ্য থেকে গুণমান বিচারে সর্বাধিক গ্রন্থ প্রকাশের জন্য পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লিমিটেড-কে রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার-২০১৯ এবং ২০১৯ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্য থেকে নান্দনিক অঙ্গসজ্জায় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মধ্যমা (এক ইউনিট), বাতিঘর (বহু ইউনিট), পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লি.-(প্যাভেলিয়ন)-কে শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার ২০১৯ প্রদান করা হয়।

পুলিৎজার পুরস্কার ঘোষণা : বছরের ১৫ এপ্রিল মার্কিন সময় বিকাল ৩টায় কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের সেমিনার কক্ষে ২০১৯-এর পুলিৎজার জয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ২০১৮ সালের সেরা বিবেচনায় মোট ২১টি শাখায় পুলিৎজার প্রাইজ বোর্ডের পক্ষ থেকে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন ডানা কেনেডি। ২১টি শাখার মধ্যে সেরা গ্রন্থ বিবেচনায় ৫টি শাখায় পুরস্কার দেওয়া হয়। ‘ওভারস্টোরি’ উপন্যাসের জন্য উপন্যাস বিভাগে পুরস্কার জেতেন মার্কিন উপন্যাসিক রিচার্ড পাওয়ার্স।

উপন্যাসটি গড়ে উঠেছে নয়জন মার্কিনকে নিয়ে যাদের প্রত্যেকের জীবনে গাছ নিয়ে একটি অনন্য অভিজ্ঞতা রয়েছে। যে অভিজ্ঞতা এক সময় বন-সম্পদ রক্ষায় কাজ করার জন্য তাদের সবাইকে একত্রিত করে।

আমেরিকার বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক ফ্রিডরিখ ডগলাসের জীবনকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় দাসপ্রথা বিলুপ্তির ইতিহাস নিয়ে রচিত ‘ফ্রিডরিখ ডগলাস: প্রফেট অফ ফ্রিডম’ গ্রন্থের জন্য ইতিহাস শাখায় পুলিৎজার জেতেন মার্কিন ইতিহাসবিদ ও ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক ডেভিড ডাব্লিউ ব্লাইগট।

বিখ্যাত মার্কিন লেখক ও দার্শনিক অ্যালেন লুকের জীবনীগ্রন্থ ‘নিউ নেগ্রো: দ্য লাইফ অব অ্যালেন লুক’-এর জন্য জীবনীগ্রন্থ শাখায় পুরস্কার জেতেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেফ্রি সি স্টুয়ার্ট।

‘বি উইথ’ কাব্যগ্রন্থের জন্য কবিতায় পুলিৎজার জেতেন মার্কিন কবি, উপন্যাসিক, সমালোচক এবং অনুবাদক ফরেস্ট গ্যাদার। একজন অনুবাদক হিসেবে তার অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে চিত্রকলা নিয়ে তার মতামত পর্যন্ত প্রতিফলিত হয়েছে ‘বি উইথ’ কাব্যগ্রন্থের কবিতাসমূহে।

‘অ্যামিটি অ্যান্ড প্রসপারিটি: ওয়ান ফ্যামিলি অ্যান্ড দ্য ফ্রাকচারিং অফ আমেরিকা’ গ্রন্থের জন্য জেনারেল ননফিকশন শাখায় পুলিৎজার পুরস্কার জেতেন মার্কিন কবি ও সাংবাদিক এলিজা গ্রিসওয়ালড। বইটি রচিত হয়েছে আল্পস পর্বতে বসবাসরত একটি পরিবারের জীবনের বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে, যারা কর্পোরেট ফ্রাকিং-এর বিরুদ্ধে লড়ে মধ্যবিত্ত জীবন যাপনের জন্য নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে।

গিরিশ কনরাডের প্রস্থান : ভারতের বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার ও সাহিত্যিক গিরিশ কারনাড ১০ জুন সোমবার সকালে বেঙ্গালুরুতে লাভেলি রোডে নিজ বাসভবনে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালক হিসেবেও সুনাম ছিলো তার।  জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ চারটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৬০ সাল থেকে কন্নড় ভাষায় লেখক হিসেবে তিনি পরিচিতি পেতে শুরু করেন। তার নাটকের মধ্যে ‘হয়বদন’ সবথেকে উল্লেখযোগ্য এবং জনপ্রিয়। ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয় এ নাটকটি টমাস মানের উপন্যাসিকা ‘দ্য ট্রান্সপোজড হেডস’-এর মূলভাবের পুনঃনির্মাণ, যেটাকে তিনি এগারো শতকের কথাসরিৎসাগরের অনুসরণে ভারতীয় করে তোলেন।

টনি মরিসনের প্রয়াণ : আফ্রিকান-আমেরিকান সাহিত্যের প্রথম নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নারী উপন্যাসিক টনি মরিসন ৫ আগস্ট রাতে নিউইয়র্কের এক হাসপাতালে মারা যান। আমেরিকার জনপ্রিয় এই লেখক ১৯৮৮ সালে পুলিৎজার এবং ১৯৯৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরুস্কার লাভ করেন। ২০১২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাকে ‘প্রেসিডেন্টসিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম’ এওয়ার্ড প্রদান করেন।

রিজিয়া রহমানের মৃত্যু : একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক রিজিয়া রহমান ১৬ আগস্ট সকালে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কথাসাহিত্যিক রিজিয়া রহমানের মূল পরিচিতি ঔপন্যাসিক হিসেবেই। তার লেখা পাঠকপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ঘর ভাঙা ঘর’, ‘রক্তের অক্ষর’, ‘উত্তর পুরুষ’, ‘বং থেকে বাংলা, ধবল জ্যোৎস্না, প্রভৃতি। উপন্যাসে অবদানের জন্য ১৯৭৮ সালে রিজিয়া রহমান বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।

একসঙ্গে ২০১৮ ও ২০১৯ সালের সাহিত্যে নোবেল : ১০ অক্টোবর সাহিত্যে দুই বছরের নোবেল পুরস্কার একসঙ্গে ঘোষণা করে নোবেল কমিটি। সাহিত্যে ২০১৮ সালের নোবেল পান পোলিশ সাহিত্যিক ওলগা তোকারচুগ। ২০১৯ সালের নোবেল পান অস্ট্রিয়ান লেখক পেটার হ্যান্ডকে। সুইডিশ একাডেমির সদস্যদের যৌন কেলেঙ্কারি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার কারণে গত বছর সাহিত্যে কাউকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছিলো না।

নিয়ম ভেঙে বুকার প্রাইজের প্রাপক দুজন : যৌথভাবে ২০১৯ সালের দ্য বুকার প্রাইজ পান কানাডিয়ান কবি, ঔপন্যাসিক ও সাহিত্য-সমালোচক মার্গারেট অ্যাটউড এবং ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক বার্নার্ডাইন এভারিস্টো। মার্গারেট অ্যাটউড তার উপন্যাস ‘দ্য টেস্টামেন্টস : দ্য সিকুয়েল টু দ্য হ্যান্ডমেড’স টেল’ এবং বার্নার্ডাইন এভারিস্টো তার উপন্যাস ‘গার্ল, ওম্যান, আদারস’-এর জন্য এ পুরস্কার পান।

তবে এবারই প্রথম নয়, বুকারের ইতিহাসে যৌথভাবে পুরস্কার পাওয়ার রেকর্ড রয়েছে—১৯৭৪ সালে নাদিন গর্ডিমার ও স্ট্যানলি মিডিলটন এবং ১৯৯২ সালে মাইকেল ওনাদিয়েজি এবং ব্যারি আনসওয়ার্থ যৌথভাবে বুকার জিতেছিলেন। ১৯৯২ সালে যৌথভাবে পুরস্কার বিজয়ী ঘোষণা হওয়ার পর বুকার কমিটি ঘোষণা দিয়ে নতুন নিয়ম করেছিলো যে, পুরস্কার একজনই পাবেন। তবু এবারও নিয়ম ভেঙেছেন বিচারকরা। তারা বলছেন যে, তারা নিয়ম ভাঙেননি, বরং তারা দু’জনকে পৃথক করতে পারেননি। ১৮ অক্টোবর বুকার প্রাইজ কমিটি বুকার প্রাইজ ২০১৯-এর ঘোষণা দেয়।

নবমবারের মতো ঢাকা লিট ফেস্ট অনুষ্ঠিত : নবমবারের মতো বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসব ‘ঢাকা লিট ফেস্ট।’ ৭ নভেম্বর ক্লাসিক্যাল ড্যান্সের সঙ্গে সুরের মূর্ছনায় শুরু হয় এই আয়োজন। লিট ফেস্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু ও ম্যানবুকার পুরস্কারের চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়া সাহিত্যিক মনিকা আলী। আরও ছিলেন ঢাকা লিট ফেস্টের পরিচালক সাদাফ সায্, কাজী আনিস আহমেদ এবং আহসান আকবর, টাইটেল স্পন্সর বাংলা ট্রিবিউনের সম্পাদক জুলফিকার রাসেল ও ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক জাফর সোবহান।

সাহিত্যিক মনিকা আলী ছাড়াও উপমহাদেশের অন্যতম সাহিত্য ব্যক্তিত্ব শংকর, পুলিৎজার প্রাইজ বিজয়ী লেখক জেফরি গেটলম্যান, ডিএসসি পুরস্কারজয়ী সাহিত্যিক এইচএম নাকভি, ইতিহাসভিত্তিক লেখক উইলিয়াম ডালরিম্পল, ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও লেখক শশী থারুর, কবি তিশানি দোশি, সাহিত্যিক স্বপ্নময় চক্রবর্তী, কবি ও সাংবাদিক মৃদুল দাশগুপ্ত, কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ইমদাদুল হক মিলন, শাহীন আখতারসহ অনেক লেখক-সাহিত্যিক অংশ নেন সাহিত্যের এই উৎসবে।

জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ২০১৯ : ‘অসুখী দিন’ উপন্যাসের জন্য জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ২০১৯ লাভ করেন কথাসাহিত্যিক শাহীন আখতার। ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। এর আগে একই দিন বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার এবং তরুণ কবিতা পুরস্কার ঘোষণা ও প্রদান করা হয়।  জেমকন তরুণ কথাসাহিত্য পুরস্কার ও তরুণ কবিতা পুরস্কার ২০১৯ পান যথাক্রমে অভিষেক সরকার ও রফিকুজ্জামান রণি।

পেন বাংলাদেশের ৪৬তম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত : নতুন উদ্যমে ও নতুন পরিকল্পনায় বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরার প্রত্যয় নিয়ে ১৮ ডিসেম্বর ধানমন্ডিস্থ ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের প্রধান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় পেন বাংলাদেশের ৪৬তম সাধারণ সভা। সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন পেন বাংলাদেশের নির্বাহী উপদেষ্টা কথাসাহিত্যিক কাজী আনিস আহমেদ, সভাপতি কথাসাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আনিসুর রহমানসহ পেনের সহ-সভাপতিরা, নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাধারণ সদস্যরা।

বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রথমেই বরণ করে নেওয়া হয় নতুন সদস্যদের। এ বছর নতুন সদস্য হিসেবে পেন বাংলাদেশে যোগ দিয়েছেন বিশিষ্ট্য শিক্ষাবিদ ও কথাসাহিত্যিক মোহিতুল আলম, কথাসাহিত্যিক হাইফেল হাশমী, অনুবাদক জ্যাকি কবির, কথাসাহিত্যিক পাঁপড়ি রহমান।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ পুরস্কার ঘোষণা : বাংলা একাডেমি পরিচালিত সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন কথাসাহিত্যিক সালমা বাণী ও সাগুফতা শারমীন তানিয়া। গত ২৪ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে। আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বাংলা একাডেমির অমর একুশে গ্রন্থমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে।

//জেডএস//

লাইভ

টপ