ভোট গণনা চলছে

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:০৮, মার্চ ২৮, ২০১৯

সারাংশ

চট্টগ্রামে ভোটকেন্দ্রকয়েকটি জায়গায় অনিয়ম, বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতা এবং সর্বোপরি ভোটারদের অনাগ্রহের মধ্যদিয়ে শেষ হলো পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপের ভোট।  ১১৬টি উপজেলায় সোমবার (১৮ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একনাগারে ভোটগ্রহণ করা হয়।  কোনও কেন্দ্রে ভোট স্থগিতের তথ্য পাওয়া যায় নি।

১৭:২৪, মার্চ ১৮, ২০১৯

রাজনগরে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ভোট বর্জন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

ভোট বর্জনের ঘোষণামৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী, বর্তমান চেয়ারম্যান আছকির খান ভোট বর্জন করেছেন। নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে সোমবার (১৮ মার্চ) দুপুরের দিকে রিটার্নিং অফিসার কাছে লিখিত অভিযোগে তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান খানের (কাপ পিরিস) বিরুদ্ধে ভোট কেন্দ্রে বল প্রয়োগ, ভোটকেন্দ্র দখল, পুলিশ প্রশাসনের অসহযোগিতা, জালভোটসহ বিভিন্ন অভিযোগ করেন তিনি।
রাজনগরে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে ইউপি চেয়ারম্যান মিলন বখত বলেন, ‘বিভিন্ন কেন্দ্রে বল প্রয়োগ করা হয়েছে, জালভোট দেওয়া হয়েছে। এজন্য আমরা ভোট বর্জন করেছি।’
রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার ফেরদৌসি আক্তার বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তিনি (আছকির খান) নির্বাচন বর্জন করেছেন।’

১৩:৫৭, মার্চ ১৮, ২০১৯

সিলেটে বিএনপি নেতাকর্মীদের ভোট না দেওয়ার নির্দেশ, ৮ জনকে শোকজ

তুহিনুল হক তুহিন, সিলেট

বিএনপিপঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটে সিলেটের ১২টি উপজেলায় সোমবার (১৮ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ চলছে। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। দলীয় নির্দেশ উপেক্ষা করে বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জের বর্তমান দুজন চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় কেন্দ্রীয় বিএনপি তাদের দল থেকে বহিষ্কার করেছে। তবে এবার ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রেও বাধা তৈরি করেছে দলটি। দলের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৮ মার্চ) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার জন্য বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এসব বিষয়ে সিলেটে একাধিক গোপন বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে সিলেটের কয়েকটি উপজেলায় বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্বাচনি প্রচারণা অংশ নেওয়ায় আট জনকে শোকজ করেছে সিলেট জেলা বিএনপি। সোমবার (১৮ মার্চ) তাদের কাছে শোকজের চিঠিও পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ বলেন, ‘সাজানো ও নাটকীয় এই নির্বাচন বিএনপি শুরু থেকেই বয়কট করেছে। এরপরেও সিলেট বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও দায়িত্বশীল অনেকেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং দলের সিদ্ধান্ত না মানায় কেন্দ্রীয় বিএনপি ইতোমধ্যে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করেছে। গত শনিবার বিএনপির এক জরুরি বৈঠকে আট জনের বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই শেষে শোকজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ সোমবার সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়।’

তিনি আরও জানান, ‘আমরা দলের নেতাকর্মীসহ আমাদের অঙ্গসংঠন ও শুভাকাঙ্ক্ষিদের অনুরোধ করেছি ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট না দেওয়ার জন্য। আর দলের নেতাকর্মীদের জন্য এটা একটা নির্দেশনা। তবুও তারা যদি ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন তাহলে এটা হবে দলের সঙ্গে প্রতারণা। আমি আশাবাদী, যারা জিয়াউর রহমানের আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করেন তারা এই সিদ্ধান্তের বাইরে কখনও যাবেন না। এছাড়াও যাদের শোকজ করা হয়েছে তারা যদি সঠিক জবাব না দিতে পারেন তাহলে তাদের দল থেকেও বহিষ্কার করা হতে পারে। আমরা বিষয়টি কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতাকর্মীসহ সিলেটের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় নেতাদেরও জানিয়েছি।’

সূত্র জানায়, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে যারা বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন তাদের ছবি ও ভিডিও ফুটেজ দলের শীর্ষ নেতাদের কাছে পাঠানো হয়। সেই সূত্র ধরেই সিলেটের আট নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। যাদের শোকজ করা হয়েছে তারা হলেন-সিলেট জেলা বিএনপির সদস্য ইলিয়াছ মিয়া, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আহমেদুর চৌধুরী নিলু, সিলেট সদরের খাদিমপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুল ইসলাম আজাদ, জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি হাজী চেরাগ,নাসিরুদ্দিন নাসির, মইনুদ্দিন, তোফায়েল আহমদ চৌধুরী ও জকিগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর রিপন আহমদ।

এর আগে গত ৩ মার্চ কেন্দ্রীয় বিএনপি যাদের বহিষ্কার করেছে তারা হলেন- জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মাজহারুল ইসলাম ডালিম, সিলেট জেলা বিএনপির সদস্য ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি জিল্লুর রহমান সোয়েব, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা শামছুল আলম, বিএনপি নেতা ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা যুবদল নেতা সুন্দর আলী, সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মাওলানা রশীদ আহমদ, জকিগঞ্জ উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি ইয়াহইয়া বেগম, জকিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলে আশরাফ মান্না, গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি লুৎফুল হক খোকন, গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম স্বপন, গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, সিলেট জেলা মহিলা দলের সাবেক সহসভাপতি খোদেজা বেগম কলি, ৫নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হক, সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি সোহেল আহমদ চৌধুরী, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপি নেতা মিসবাহ উদ্দিন আহমদ, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আহমদ নুর উদ্দিন, সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমান খালেদ, বিএনপি নেতা ও সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন রুবেল, বিশ্বনাথ উপজেলা যুবদল নেতা জুবেল আহমদসহ ৩২ জন।

 

১৩:৩৪, মার্চ ১৮, ২০১৯

ফটিকছড়িতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

ফটিকছড়িতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগফটিকছড়িতে চেয়ারম্যান প্রার্থী হোসাইন মো. আবু তৈয়ব ওপর হামলার অভিযোগ করেছেন তার সমর্থকরা। সোমবার (১৮ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ফটিকছড়ির উত্তর রাঙামাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ হামলায় নাছির ও আলাউদ্দিন নামে তৈয়ুবের দুই সমর্থক আহত হয়েছেন বলে তারা জানান।

প্রত্যক্ষদর্শী রায়হান বলেন, ‘১৯৯৮ সালে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা টিপু খুন হন। এ ঘটনায় টিপুর অনুসারীরা তৈয়বকে টিপুর খুনী হিসেবে অভিযুক্ত করে আসছেন। তৈয়ব দুপুর ১২টার দিকে টিপুর এলাকায় একটি ভোটকেন্দ্রে আসলে তার প্রতিবেশীরা চারপাশ থেকে ঘেরাও করে স্লোগান দিতে থাকে। এসময় তারা চেয়ারম্যান প্রার্থী তৈয়বকে আটকে রাখার চেষ্টা করে।’ফটিকছড়িতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ

উত্তর রাঙামাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসার মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘কেন্দ্রের ভেতর কোনও ধরনের সমস্যা হয়নি। কেন্দ্রের বাইরে চেয়ারম্যান প্রার্থী হোসাইন মো. আবু তৈয়ব আসলে চারপাশে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ এসে পরিবেশ শান্ত করেন। ভোট গ্রহণ চলছে।’

তবে চেয়ারম্যান প্রার্থী হোসাইন মো. আবু তৈয়বের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

 

১৩:৩৪, মার্চ ১৮, ২০১৯

পাহাড়ে ভোটার উপস্থিতি বেশি

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক

রাঙামাটিতে ভোটারদের লাইনদেশের ১১৬টি উপজেলায় সোমবার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ চলছে। বিরতিহীনভাবে চলছে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। সমতলে ভোটার উপস্থিতি না থাকলেও পার্বত্য তিন জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে ভোটার উপস্থিতি লক্ষ্যনীয়। এখন পর্যন্ত এ তিন জেলা থেকে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হলো।

রাঙামাটি

রাঙামাটির দশ উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবির পাশাপাশি কেন্দ্রে কেন্দ্রে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন করেছে সেনাবাহিনী।

রাঙামাটি সদর উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে শহরের বেশ কিছু কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিত ভালো। কিছু কেন্দ্রে কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ভোটারের উপস্থিতি বেড়েছে।

যোগেন্দ্র পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট দিতে আসা ভোটরা বলেন, ‘সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারছে। ভোট দিতে কোথাও কোনও বাধা দিচ্ছে না কেউ। যিনি আমাদের সবার মঙ্গলের জন্য কাজ করবেন তাকেই আমরা ভোট দেবো।’  

রাঙামাটি সদর, যোগেন্দ্র পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রিজাইডিং অফিসার, মহিউদ্দিন বলেন, ‘সকাল থেকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে।’

রাঙামাটি সদর কেন্দ্রের (এএসআই) আরিফিন হোসেন বলেন, ‘ভোটাররা ভোট দিয়ে চলে যাচ্ছে, কোনও ভোটার ভোট প্রদানের বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেননি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট চলেছে।’

এদিকে, ভোট কারচুপি,  কেন্দ্রে যেতে বাধা ও রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তির অভিযোগে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, নানিয়ারচর ও কাউখালীতে স্বতন্ত্র পাঁচ চেয়ারম্যান ও সাত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। তারা নির্বাচন স্থগিত করার আবেদন জানিয়ে রাঙামাটির রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েছেন।

পার্বত্য জেলা রাঙামাটির ১০ উপজেলায় একযোগে এই ভোট উৎসব চলছে। তবে লংগদু ও কাপ্তাই উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নৌকার দুই প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ায় এখন চেয়ারম্যান পদে লড়াই হচ্ছে বাকি আট উপজেলায়। এর মধ্যে জেলায় চেয়ারম্যান পদে ২০ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩১, মাহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৬  প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দশ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৭ হাজার ৩৫৯ জন। ভোট কেন্দ্র রয়েছে ২০৩টি।

বান্দরবান

বান্দরবা‌নের সাতটি উপ‌জেলায়ও ভোটার উপস্থিতি লক্ষ্যনীয়। সকা‌ল ৮টা থে‌কে ভোটারদের লম্বা লাই‌নে দাঁড়ি‌য়ে ভোট দিতে দেখা গেছে। ‌বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাইনও লম্বা হচ্ছে। ত‌বে পুরুষ ভোটা‌রের চে‌য়ে নারী ভোটা‌রের সংখ্যা বেশি দেখা গেছে।


ভোটার আবুল বশর নয়ন ব‌লেন,‘আ‌মি নাইক্ষ্যংছ‌ড়ি সরকারি প্রাথ‌মিক বিদ্যাল‌য়ের ভোটকে‌ন্দ্রে ভোট দি‌য়ে‌ছি। খুই শা‌ন্তিপূর্ণভা‌বে ভোট দি‌তে পে‌রে‌ছি। এভা‌বে ভোটগ্রহণ চল‌লে সাধারণ ভোটাররা নির্ভ‌য়ে ভোট দি‌তে পার‌বে ব‌লে আ‌মি ম‌নে ক‌রি।’
ভোটার মু‌ন্নি ব‌লেন, ‘ভোট দিতে আমার কোনও সমস্যা হয়‌নি।’
এ ব্যাপা‌রে বান্দরবান জেলা রিটা‌র্নিং কর্মকর্তা আবুল ক‌ালাম ব‌লেন, জেলার ১৭৬টি কে‌ন্দ্রের ম‌ধ্যে এখনও পর্যন্ত  কোনও কে‌ন্দ্রেই সমস্যা হয়‌নি। সব জায়গায় শা‌ন্তিপূর্ণ নির্বাচন চল‌ছে। এর মধ্যে ১৩টি দুর্গম কেন্দ্রে নিরাপত্তা টহলের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।
এবার সাত উপ‌জেলায় চেয়ারম্যান প‌দে ১৬, ভাইস চেয়ারম্যান প‌দে ১৭ ও ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম্যান প‌দে ১৪ প্রার্থী নির্বাচন কর‌ছে। এ এলাকায় মোট ভোটার ২ লাখ ৪৬ হাজার ১৮৪ জন।

খাগড়াছড়ি

খাগড়াছড়ির ৮টি  উপজেলায় সোমবার সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। ভোট দিতে সকাল থেকে পাহাড়ি-বাঙালি ভোটাররা কেন্দ্রে আসেন।  বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। পাহাড়িরা স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ভোট দিচ্ছেন। তবে বাঙালি এলাকায় ভোটারদের উপস্থিতি খুবই কম। অনেক কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে।

জেলার ১৭৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৫৭ কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে  চিহিৃত করে তিন স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসক শহিদুল ইসলাম।

৮টি উপজেলার মধ্যে খাগড়াছড়ি ও মানিকছড়ি দুইটি উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান ও একটি উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। ফলে খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং মানিকছড়ি উপজেলা পরিষদে শুধু মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হচ্ছে।

সব মিলিয়ে চেয়ারম্যান পদে ২১, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৭ ও  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৯ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আরও পড়ুন:

রাঙামাটিতে ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোট বর্জন

‘স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে উপজেলা পরিষদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’

ভোটার উপস্থিতি কম, স্বতন্ত্র প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ

বান্দরবা‌নে পুরু‌ষের চেয়ে নারী ভোটা‌রের উপ‌স্থি‌তি বে‌শি

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় হামলার অভিযোগ

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পাহাড়ে ভোট চলছে

‘পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে আনন্দ লাগছে’

দেড় ঘণ্টায় ৬ ভোট!

১১৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

১২:৪৮, মার্চ ১৮, ২০১৯

রাঙামাটিতে ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোট বর্জন

রাঙামাটি প্রতিনিধি

নির্বাচন স্থগিতের আবেদন জানিয়েছে রাঙামাটির রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠিভোট কারচুপি,  কেন্দ্রে যেতে বাধা ও রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তির অভিযোগে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, নানিয়ারচর ও কাউখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র পাঁচ চেয়ারম্যান ও সাত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। তারা নির্বাচন স্থগিত করার আবেদন জানিয়ে রাঙামাটির রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েছেন।

রাতে ভোটগ্রহণ ও দিনে বেলায় ভোটারদের কেন্দ্রমুখী হতে না দেওয়ার অভিযোগ এনে বাঘাইছড়িতে ভোট শুরুর একঘণ্টা পরেই বর্জনের ঘোষণা দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বড়ঋষি চাকমা এবং তিন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী। এ উপজেলায় জনসংহতি সমিতির দু’টি অংশের প্রভাবশালী দুই নেতা বড়ঋষি চাকমা  ও সাবেক চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা মুখোমুখি হয়েছিলেন এবার চেয়ারম্যান পদে।

ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান ও এবারের প্রার্থী বড় ঋষি চাকমা অভিযোগ করেছেন, ‘রবিবার রাতেই বিভিন্ন কেন্দ্রে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার সকাল থেকেই আমার সমর্থক ও ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দেওয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) বিপুল সংখ্যক বহিরাগত  ও সশস্ত্র কর্মী এলাকায় অবস্থান নিয়ে ভোট সন্ত্রাস করলেও প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। তাই আমি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলাম। আমার সঙ্গে আরও তিন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীও নির্বাচন বর্জন করছেন।’

নানিয়ারচরের চেয়ারম্যান প্রার্থী রূপম দেওয়ানের অভিযোগ,  ‘রাতেই বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শেষ হয়ে গেছে এবং দিনের বেলায় আমরা ও আমাদের ভোটাররা কেন্দ্রেই যেতে পারছি না। সঙ্গত কারণেই নির্বাচনে থাকার কোনও মানে নেই। তাই আমিসহ তিন চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং চার ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে গেলাম।’

তিনি জানিয়েছেন, চেয়ারম্যান প্রার্থী জোন্তিনা চাকমা ও পঞ্চানন  চাকমাও নির্বাচন বর্জন করেছেন।

এদিকে কাউখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনসংহতি সমিতি সমর্থিত প্রার্থী অর্জুন মনি চাকমা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। এই উপজেলায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগের শামসুদ্দৌহা ও জনসংহতি সমিতির প্রার্থীর অর্জুন মনি চাকমার মধ্যে অর্জুন মনি চাকমা ভোট বর্জন করেন।

তিনি বলেন, ‘ব্যাপক ভোট কারচুপি ও ভোট দিতে বাধা দেওয়ায় আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।’

নানিয়াচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসউদ পারভেজ মজুমদার বলেছেন, তিন চেয়ারম্যান ও চার ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচন স্থগিত করতে আমার কাছে একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। বিষয়টি আমি রিটার্নিং অফিসারকে জানিয়েছি।

রাঙামাটির রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এসএম শফি কামাল বলেন, তিনি বিষয়টি শুনেছেন।

প্রসঙ্গত, বাঘাইছড়ি উপজেলায় দুই আঞ্চলিক সংগঠন জনসংহতি সমিতি বড়ঋষি চাকমা ও জনসংহতি সমিতি(এমএন লারমা) সমর্থিত প্রার্থী সুদর্শন চাকমা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নানিয়ারচরে ৫  প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে বর্জনকারী তিন চেয়ারম্যাপন প্রার্থী বাদে রূপম দেওয়ান এবং বর্তমান চেয়ারম্যান প্রগতি চাকমা দুজনই পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএললারমা) প্রার্থী হিসেবে প্রচার ও দাবি করে আসছিলেন। এই দুই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জাতীয় দলগুলোর কোনও প্রার্থী নেই।

আরও পড়ুন:

 ‘স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে উপজেলা পরিষদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’

 

 

ভোটার উপস্থিতি কম, স্বতন্ত্র প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ

 

বান্দরবা‌নে পুরু‌ষের চেয়ে নারী ভোটা‌রের উপ‌স্থি‌তি বে‌শি

 শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পাহাড়ে ভোট চলছে

দেড় ঘণ্টায় ৬ ভোট!

১১৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

 

১২:৩২, মার্চ ১৮, ২০১৯

‘ভোটাররা না আসলে কী করবো?'

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক

দিনাজপুরের ভোটকেন্দ্রদেশের পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১১৬ উপজেলায় ভোট চলছে। এসব উপজেলার সবখানে সকাল ৮টায় ভোট শুরু হলেও ভোটার উপস্থিতি কম বলে জানা গেছে। প্রথম এক দেড় ঘণ্টায় অনেক কেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কোনও কোনও জায়গায় ভোটারের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। তবে পাহাড়ের কয়েকটি কেন্দ্র ছাড়া ব্যাপক ভোটার উপস্থিতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর- নওগাঁর ভোটকেন্দ্র

নওগাঁ

কোনও ধরনের সহিংসতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চলছে নওগাঁর ১০ উপজেলায়। একটি উপজেলায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে ভোটার উপস্থিতি খুবই কম।

পোরশা উপজেলায় পোরশা হাই মাদ্রাসা কাম হাইস্কুল কেন্দ্রে সকালে কিছু মহিলা ভোটারের উপস্থিতি চোখে পড়েছে। তবে কোনও পুরুষ ভোটার ছিল না। তবে এই অবস্থায়ও পোরশা হাই মাদ্রাসা কাম হাইস্কুল কেন্দ্রের কর্তব্যরত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ফয়সাল আলম দাবি করেন, ‘সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। সকাল ১০টা পর্যন্ত ৩০ শতাংশ ভোট প্রদান করা হয়েছে।’নওগাঁর ভোটকেন্দ্র

পোরশার ২ নং কালাইবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার শফিকুল ইসলাম দাবি করেন, ‘১১টা পর্যন্ত ২৬ শতাংশ ভোট পড়েছে।’ তবে ওই কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি দেখা গেছে খুবই কম।শ্রীমঙ্গলের ভোটকেন্দ্র

মৌলভীবাজার

মৌলভীবাজার সাতটি উপজেলার ৫১৬টি কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি নেই বলেই মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন বিভিন্ন এলাকার  ভোটাররা। শ্রীমঙ্গলে দি  বাডস্ রেসিডেনসিয়্যাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে মোট ভোটার ২১৫১ মহিলা। বুথ ৫টি।  প্রিজাইডিং অফিসার নোমান সিদ্দীকি জানান, প্রথম দুই ঘণ্টায় ভোট  কাস্টিং হযেছে ৭৬টি। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার বিকাশ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘ভোটাররা না আসলে কী করবো? ভোটারের আগ্রহ নাই।’শ্রীমঙ্গলের ভোটকেন্দ্র

সকাল ১০টা নাগাদ শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ সেন্টারে ভোট কাস্টিং হয়েছে ২০০টি। ওই কেন্দ্রটি শুধু পুরুষ ভোটারের। মোট ভোটার ১৯৮৮ জন। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. আলা উদ্দীন জানান, ভোটারের লাইন ধরার মতো পরিস্থিতি হয়নি। কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার অরুন কুমার সাহা বলেন, ‘এমনিতেই ভোটার নেই,বসে বসে কী করবো?।’শ্রীমঙ্গলের ভোটকেন্দ্র

ভোটার আবুল হোসেন বলেন, ‘ভোটারের মধ্য উৎসাহ নেই। গত নির্বাচনে ভোটারের মাঝে যে আতঙ্ক ছিল, তাই এখনই বিরাজ করছে।’

চট্টগ্রামে ভোটকেন্দ্রচট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের ভোট কেন্দ্রগুলো ফাঁকা বললেই চলে। মিরসরাই ও রাউজানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সব প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে যাওয়ায় সেখানে ভোট হচ্ছে না। ভোট হচ্ছে বাকি পাঁচ উপজেলায়।

ফটিকছড়ি উপজেলায় সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরুর তিন ঘণ্টার মাথায় কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি শূন্য শতাংশে চলে এসেছে। ফটিকছড়ি  এলাকার বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্রই চোখে পড়েছে। অধিকাংশ কেন্দ্র ছিল ভোটার শূন্য।পুরুষ কেন্দ্রেও ভোটার উপস্থিতি কম

ফটিকছড়ি উপজেলার শাহনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. ইব্রাহিম জানান, ‘সকাল ৮ টায় ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ১০টা বাজতে না বাজতেই তা শূন্য শতাংশে চলে আসছে। তবে বেলা বাড়লে ভোটার বাড়তে পারে। এখনও কোনও সমস্যা হয়নি। আশাকরি সুন্দর, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারবো।’

বখতপুর দায়রা বাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, গুলজার বাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র, জাহানপুর আমজাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ঘুরে একই অবস্থা দেখা যায়।Bandarban-election-news-pic--3

কাঞ্চননগর রুস্তমিয়া মনিরুল ইসলাম দাখিল মাদ্রাসা প্রিজাইডিং অফিসার আলমগীর কবির বলেন, ‘কেন্দ্রটি মহিলা ভোটকেন্দ্র। ভোট শুরু হওয়ার পর থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কোনও ভোটার আসেননি। দুপুরের পরে হয়তো আসতে পারে। কেন্দ্রে  সকাল থেকে কোনও সমস্যা হয়নি। আইনশৃঙ্খলাও স্বাভাবিক রয়েছে। এরপরও কেন ভোটাররা আসছেন না আমার জানা নেই।’

বান্দরবান

বান্দরবানে ৭টি উপ‌জেলায় ভোট হচ্ছে। চেয়ারম্যান প‌দে ১৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান প‌দে ১৭ জন ও ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম্যান প‌দে ১৪জন প্রার্থী নির্বাচন কর‌ছে। মোট ভোটার র‌য়ে‌ছে দুই লাখ ৪৬ হাজার ১৮৪ জন।

সোমবার সকা‌ল ৮টা থে‌কে ভোটাররা লাই‌নে দাঁড়ি‌য়ে তা‌দের ম‌নোনীত প্রার্থী‌কে ভোট  দিচ্ছেন। ‌বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটা‌রের সংখ্যাও বাড়ছে। ত‌বে পুরুষ ভোটা‌রের চে‌য়ে নারী ভোটা‌রের সংখ্যা ছিল অ‌নেক বে‌শি। নাইক্ষ্যংছড়ি উপ‌জেলার ম‌ডেল সরকারি প্রাথ‌মিক বিদ্যালয়, তাংরা বিছামারা সরকারি প্রাথ‌মিক বিদ্যালয়, আশারতলী সরকারি প্রাথ‌মিক বিদ্যালয়সহ বেশ ক‌য়েক‌টি কেন্দ্র ঘু‌রে প্রায়  একই  চিত্র  দেখা গে‌ছে। বান্দরবানের ভোটকেন্দ্র

ভোটার আবুল বশর নয়ন ব‌লেন, ‘আ‌মি নাইক্ষ্যংছ‌ড়ি সরকারি প্রাথ‌মিক বিদ্যাল‌য় কে‌ন্দ্রে ভোট দি‌য়ে‌ছি। খুই  শা‌ন্তিপূর্ণভাবে ভোট দি‌তে পে‌রে‌ছি। এভা‌বে ভোট চল‌লে সাধারণ ভোটাররা নির্ভ‌য়ে  ভোট দি‌তে পার‌বে ব‌লে আ‌মি ম‌নে ক‌রি।’
আ‌রেকজন ভোটার মু‌ন্নি ব‌লেন, ‘আ‌মি নাইক্ষ্যংছ‌ড়ি তাংরা বিছামারা সরকারি প্রাথ‌মিক বিদ্যাল‌য়ে  আমার ভোট দি‌য়ে‌ছি। ভোট দিতে কোনও সমস্যা হয়‌নি।’

এ ব্যাপা‌রে বান্দরবান জেলা রিটা‌র্নিং কর্মকর্তা আবুল কালাম ব‌লেন, ‘জেলার ১৭৬টি ভোট কে‌ন্দ্রের ম‌ধ্যে কোনও কেন্দ্রেই কোনও  সমস্যা হয়‌নি। সব জায়গায় শা‌ন্তিপূর্ণ নির্বাচন চল‌ছে।’রংপুরের ভোটকেন্দ্র

রংপুর

রংপুরের ছয়টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে। তবে বেশিরভাগ কেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি একেবারই কম। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে।

সরেজমিনে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ালকুঠি ও ডাঙ্গিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দু’টি কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি কম। ডাঙ্গিরহাট স্কুল কেন্দ্রে  দুই হাজার ৪৩২ ভোটারের মধ্যে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ৩৫০ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আব্দুস সবুর। হাড়িয়ালিকুঠি কেন্দ্রে ২ হাজার ৯১ ভোটারের মধ্যে দুই শতাধিক ভোট পড়েছে বলে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তবে এ কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি একেবারেই ছিল না। কর্তব্যরত পোলিং অফিসার জানান, ২/৪ জন ভোটার আসছেন, আর ভোট দিচ্ছেন।রংপুরের ভোটকেন্দ্র


পাবনা

পাবনার ৮টি উপজেলায় এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভোটারের উপস্থিতি খুব কম লক্ষ্য করা গেছে। ভোট কেন্দ্রে নেই ভোটারের সেই দীর্ঘ লাইন। দুই-একজন করে ভোটার এসে ভোট দিয়ে চলে যাচ্ছেন।

চাটমোহরের বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডং অফিসার হাসিবুর রহমান বেলা সাড়ে ১০ টায় জানান, ‘এই সেন্টারে এখন পর্যন্ত শতকরা ১০ শতাংশ ভোট পড়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে পারে।’পাবনার ভোটকেন্দ্র

আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি একেবারেই কম।

পাবনার বেড়ায় সুলতানা খানম নামের এক নারী ইউপি সদস্যকে পাইকান্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে পাঁচ দিনের সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক বেড়া ইউএনও আসিফ আনাম সিদ্দিকী। বেলা ১১ টায় এই রায় দেন। সুলতানা বেড়ার রুপপুর ইউপির সদস্য।

উল্লেখ্য, ১৮ মার্চকে ভোটগ্রহণের দিনক্ষণ ঠিক করে গত ৭ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল দেয় ইসি। ১৭টি জেলার ১২৯টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল হলেও এর মধ্যে গোপালগঞ্জ জেলার ৫টি উপজেলার ভোট দ্বিতীয় দফার পরিবর্তে তৃতীয় দফায় নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন উপলক্ষে ১৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টুঙ্গিপাড়া সফর থাকার কারণে তার নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে এ জেলার সব কয়টি উপজেলার ভোটের তারিখ পরিবর্তন হয়েছে। এদিকে দ্বিতীয় ধাপে থাকা দিনাজপুর সদর উপজেলার ভোটও ৪র্থ ধাপে (৩১ মার্চ) স্থানান্তর করা হয়েছে। অপরদিকে, আদালতের আদেশে দ্বিতীয় ধাপের তফসিল ঘোষিত গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ভোট স্থগিত হয়েছে। এছাড়াও ৬টি উপজেলার সবগুলো পদে একক প্রার্থী থাকায় ইতোমধ্যে এসব উপজেলার ফল ঘোষণার নির্দেশ দিয়েছে ইসি। যার কারণে এই ৬টি উপজেলায়ও ভোটগ্রহণের প্রয়োজন পড়ছে না। ফলে সব মিলিয়ে ১১৬টি উপজেলায় সোমবার ভোট হচ্ছে।

আরও পড়ুন-

১১৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

দেড় ঘণ্টায় ৬ ভোট!

ভোটার উপস্থিতি কম, স্বতন্ত্র প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ

 

১২:১৭, মার্চ ১৮, ২০১৯

‘স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে উপজেলা পরিষদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’

দিনাজপুর প্রতিনিধি

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে এবং স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে উপজেলা পরিষদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

সোমবার (১৮ মার্চ) সকালে দিনাজপুরের বোঁচাগঞ্জ উপজেলার ধনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেন নৌ প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার চায় সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদে জনগণ তাদের যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচন করুক এবং এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগও প্রার্থী দিয়েছে। উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে জনগণ আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে জয়ী করবে।’

প্রসঙ্গত,  দিনাজপুরের ১২টি উপজেলার ৬৬৩টি কেন্দ্রে সোমবার ভোটগ্রহণ চলছে। এই ১২টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩০, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫০ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৭ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য দিনাজপুরের ১২ উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১১ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে টহল দিচ্ছে বিজিবি। দায়িত্বে রয়েছেন ৪৫ জন জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। 

আরও পড়ুন:

ভোটার উপস্থিতি কম, স্বতন্ত্র প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ

 

বান্দরবা‌নে পুরু‌ষের চেয়ে নারী ভোটা‌রের উপ‌স্থি‌তি বে‌শি

 শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পাহাড়ে ভোট চলছে

দেড় ঘণ্টায় ৬ ভোট!

১১৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

 

১১:৪৭, মার্চ ১৮, ২০১৯

ভোটার উপস্থিতি কম, স্বতন্ত্র প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ

রংপুর প্রতিনিধি

ভোটার উপস্থিতি কমদ্বিতীয় ধাপে রংপুরের ছয়টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সোমবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকে ভোটগ্রহণ চলছে। তবে কেন্দ্রগুলোয় ভোটার উপস্থিতি খুব একটা ছিল না। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে বলে আশা করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সরেজমিনে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার হাড়িয়ালকুঠি ও ডাঙ্গিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দু’টি কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি কম। ডাঙ্গিরহাট স্কুল কেন্দ্রে  দুই হাজার ৪৩২ ভোটারের মধ্যে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ৩৫০ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আব্দুস সবুর।

হাড়িয়ালিকুঠি কেন্দ্রে ২ হাজার ৯১ ভোটারের মধ্যে দুই শতাধিক ভোট পড়েছে বলে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তবে এ কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি একেবারেই ছিল না।ভোটার উপস্থিতি কমকর্তব্যরত পোলিং অফিসার জানালেন, ২/৪ জন ভোটার আসছেন,  আর ভোট দিচ্ছেন। তবে এই কেন্দ্রে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহিনুর রহমানের মার্শালের কোনও এজেন্টকে দেখা যায়নি। তার সমর্থকদের অভিযোগ,  তাদের পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়েছে নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিসুর রহমানের লিটনের লোকজন।

তবে নৌকা মার্কার প্রার্থীর লোকজন এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তারা পোলিং এজেন্ট দিতে পারেনি।

রংপুরের যে ৬টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে এর মধ্যে গঙ্গাচড়া উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী রুহুল আমিন এবং কাউনিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম মায়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ দুই উপজেলায় শুধু ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ ছাড়া যে বাকি ৪টি উপজেলায় নির্বাচন হচ্ছে সেগুলো হলো তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জ, পীরগাছা ও পীরগঞ্জ উপজেলা।

আরও পড়ুন:

বান্দরবা‌নে পুরু‌ষের চেয়ে নারী ভোটা‌রের উপ‌স্থি‌তি বে‌শি

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় হামলার অভিযোগ

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পাহাড়ে ভোট চলছে

দেড় ঘণ্টায় ৬ ভোট!

১১৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

১১:২১, মার্চ ১৮, ২০১৯

বান্দরবা‌নে পুরু‌ষের চেয়ে নারী ভোটা‌রের উপ‌স্থি‌তি বে‌শি

‌বান্দরবান প্রতি‌নি‌ধি

নারী ভোটারদের লাইনউপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সোমবার দ্বিতীয় দফায় বান্দরবা‌নের সাতটি উপ‌জেলায় ভোটগ্রহণ চলছে। সকা‌ল ৮টা থে‌কে ভোটারদের লম্বা লাই‌নে দাঁড়ি‌য়ে ভোট দিতে দেখা গেছে। ‌বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাইনও লম্বা হচ্ছে। ত‌বে পুরুষ ভোটা‌রের চে‌য়ে নারী ভোটা‌রের সংখ্যা বেশি দেখা গেছে।
নাইক্ষ্যংছ‌ড়ি উপ‌জেলার ম‌ডেল সরকারি প্রাথ‌মিক বিদ্যালয়,তাংরা বিছামারা সরকারি প্রাথ‌মিক বিদ্যালয়,আশারতলী সরকারি প্রাথ‌মিক বিদ্যালয়সহ বেশ ক‌য়েক‌টি কেন্দ্র ঘু‌রে প্রায় একই চিত্র দেখা গে‌ছে। 

নারী ভোটারদের লাইনএ ব্যাপা‌রে ভোটার আবুল বশর নয়ন ব‌লেন,‘আ‌মি নাইক্ষ্যংছ‌ড়ি সরকারি প্রাথ‌মিক বিদ্যাল‌য়ের ভোটকে‌ন্দ্রে ভোট দি‌য়ে‌ছি। খুই শা‌ন্তিপূর্ণভা‌বে ভোট দি‌তে পে‌রে‌ছি। এভা‌বে ভোটগ্রহণ চল‌লে সাধারণ ভোটাররা নির্ভ‌য়ে ভোট দি‌তে পার‌বে ব‌লে আ‌মি ম‌নে ক‌রি।’

ভোটার মু‌ন্নি ব‌লেন, ‘ভোট দিতে আমার কোনও সমস্যা হয়‌নি।’

এ ব্যাপা‌রে বান্দরবান জেলা রিটা‌র্নিং কর্মকর্তা আবুল ক‌ালাম ব‌লেন, জেলার ১৭৬টি কে‌ন্দ্রের ম‌ধ্যে এখনও পর্যন্ত  কোনও কে‌ন্দ্রেই সমস্যা হয়‌নি। সব জায়গায় শা‌ন্তিপূর্ণ নির্বাচন চল‌ছে। এর মধ্যে ১৩টি দুর্গম কেন্দ্রে নিরাপত্তা টহলের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।
এবার সাত উপ‌জেলায় চেয়ারম্যান প‌দে ১৬, ভাইস চেয়ারম্যান প‌দে ১৭ ও ম‌হিলা ভাইস চেয়ারম্যান প‌দে ১৪ প্রার্থী নির্বাচন কর‌ছে। এ এলাকায় মোট ভোটার ২ লাখ ৪৬ হাজার ১৮৪ জন।

আরও পড়ুন:

 ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় হামলার অভিযোগ

 শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পাহাড়ে ভোট চলছে

দেড় ঘণ্টায় ৬ ভোট!

১১৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

 

 

১১:০৬, মার্চ ১৮, ২০১৯

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় হামলার অভিযোগ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

আহত শিক্ষকখাগড়াছড়ি জেলা সদরের শালবন এলাকায় আক্তার হোসেন (৩৮) নামে এক স্কুল শিক্ষককে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তির পরিবারের দাবি,  সোমবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর পক্ষে কাজ না করায় আক্তারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

আক্তারের বাড়ি খাগড়াছড়ি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার লেলাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

এই হামলার জন্য পৌর মেয়র রফিকুল আলম ও তার সমর্থকদের দায়ী করেছে আক্তারের পরিবার। তারা জানায়, শালবন এলাকায় নিজ বাসার সামনে ৮/৯ জন দুর্বৃত্ত আক্তার হোসেনকে এলোপাথাড়ি মারধর করে এবং মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসাপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আলাউদ্দিন বলেন, আহত ব্যক্তির মাথার মাঝখানে অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। তবে অবস্থা স্থিতিশীল।

আক্তারের ছোট ভাই সাইফুল হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই পৌর মেয়র রফিকুল আলমের বিরুদ্ধে একটি মানহানির মামলা করে। মামলাটি প্রত্যাহার করতে দীর্ঘ দিন ধরে মেয়র ও তার লোকজন আমার ভাইকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল। মামলা প্রত্যাহার না করায় এবং উপজেলা নির্বাচনে তাদের  পচন্দের এক ভাইস চেয়ারম্যানের পক্ষে কাজ না করার অভিযোগ তুলে সুযোগ বুঝে মেয়রের লোকজন এ হামলা করেছে।’

প্রসঙ্গত, ২৯ জানুয়ারি খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র রফিকুল আলমের বিরুদ্ধে চিফ জুডিশয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন আক্তার হোসেন। মামলাটি পুলিশি তদান্তাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন:

 শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পাহাড়ে ভোট চলছে

 

‘পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে আনন্দ লাগছে’

দেড় ঘণ্টায় ৬ ভোট!

১১৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

 

১০:৫৩, মার্চ ১৮, ২০১৯

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পাহাড়ে ভোট চলছে

রাঙামাটি প্রতিনিধি

ভোটারদের লাইনপার্বত্য জেলা রাঙামাটির দশ উপজেলায় সোমবার (১৮ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ চলছে। দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পার্বত্য তিন জেলার সব উপজেলাতেই এ নির্বাচন হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে কারচুপির অভিযোগ এনে বাঘাইছড়ির জনসংহতি সমিতি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বড়ঋষি চাকমা ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে পুরো জেলায় নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবির পাশাপাশি কেন্দ্রে কেন্দ্রে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন করেছে সেনাবাহিনী।

রাঙামাটি সদর উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে শহরের কিছু কিছু কেন্দ্র ভোটারের উপস্থিত ভালো হলেও অনেক কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি কিছুটা কম। ভোটারের কোনও লাইন দেখা যায়নি। তবে অনেকেই বলছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারের উপস্থিতি বাড়বে।

ভোটারদের লাইনযোগেন্দ্র পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট দিতে আসা ভোটরা বলেন, সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারছে। ভোট দিতে কোথাও কোনও বাধা দিচ্ছে না কেউ। যিনি আমাদের সবার মঙ্গলের জন্য কাজ করবেন তাকেই আমরা ভোট দেবো।  

রাঙামাটি সদর, যোগেন্দ্র পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রিজাডিং অফিসার, মহিউদ্দিন বলেন, ‘সকাল থেকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে।’

ভোটারদের লাইন

রাঙামাটি সদর কেন্দ্রের (এএসআই) আরিফিন হোসেন বলেন, ‘ভোটাররা ভোট দিয়ে চলে যাচ্ছে, কোনও ভোটার ভোট প্রদানের বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেননি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট চলেছে।’

প্রসঙ্গত,  পার্বত্য জেলা রাঙামাটির ১০ উপজেলায় একযোগে এই ভোট উৎসব চলছে। তবে লংগদু ও কাপ্তাই উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নৌকার দুই প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ায় এখন চেয়ারম্যান পদে লড়াই হচ্ছে বাকি আট উপজেলায়। এর মধ্যে জেলায় চেয়ারম্যান পদে ২০ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩১ জন, মাহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দশ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৭ হাজার ৩৫৯ জন। ভোট কেন্দ্র রয়েছে ২০৩টি। এর মধ্যে ২১টি কেন্দ্র হেলি সটিং।

 

   

আরও পড়ুন:

‘পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে আনন্দ লাগছে’

 


দেড় ঘণ্টায় ৬ ভোট!

১১৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

১০:২০, মার্চ ১৮, ২০১৯

‘পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে আনন্দ লাগছে’

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

ভোটগ্রহণ চলছেগাইবান্ধার পাঁচটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পাঁচ উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচন চলছে। সোমবার (১৮ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে ৩৫৬টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতিও বেশ ভালো।

আসমা নামে এক ভোটার বলেন, ‘সকালে কেন্দ্রে এসে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে অনেক অনন্দ লাগছে। সার্বিক পরিবেশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভালো থাকায় ভোট দিতে কোন সমস্যা হয়নি। বিকেল ৪টা পর্যন্ত যেন এমন পরিবেশ থাকে।’

ভোটকেন্দ্রে ভোটারাভোট দিতে আসা মঞ্জু মাস্টার বলেন, ‘সুন্দর পরিবেশে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরেছি। কেন্দ্রে ও আশপাশের পরিবেশ অনেক ভালো।’

সদর, সাদুল্যাপুর, পলাশবাড়ী, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন তিনটি পদে ৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ১৯ জন চেয়ারম্যান, ৩৬ জন ভাইস চেয়ারম্যান এবং ২৬ জন নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

পাঁচ উপজেলায় ভোটার ১০ লাখ ৬০ হাজার ২৭৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

সাদুল্যাপুরের কেএম পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ভোটগ্রহণ শুরু পর থেকেই নারী-পুরুষরা কেন্দ্রে এসে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন। ওই কেন্দ্রে মোট ভোটার ৩২৩২ জন। সকাল ৯টার পর্যন্ত কেন্দ্রের ৮টি কক্ষে ১০৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তবে সকাল ৯টার পর থেকে কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।

ভোটারদের লাইনএছাড়া সাদুল্যাপুর বহুমুখি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রেও ভোটারের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

পাঁচ উপজেলার ৩৫৬ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১২৯টি ভোট কেন্দ্রে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও ৯৫টি ভোট কেন্দ্র কম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলাবাহীনির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

ভোটাকেন্দ্রের বাইরেগাইবান্ধা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান বলেন, সকাল ৮টা থেকে ৩৫৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। উৎসব মুখর পরিবেশে ও নিবিঘ্নে ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে যাতে ভোট দিতে পারেন সেজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে নারী ও পুরুষ ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন। সকাল ১০টা পর্যন্ত কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বিকাল ৪টা পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে আশা করেন তিনি।

ভোটকেন্দ্রএদিকে, ভোটগ্রহণ সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট ভোট কেন্দ্রসহ পুরো নির্বাচনি এলাকায় বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আনছার সদস্যরা টহল দিচ্ছে। এছাড়া ভোটের মাঠে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিচারকি ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।

দ্বিতীয় দফায় জেলার ছয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও উচ্চ আদালতের নির্দেশে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

আরও পড়ুন:
দেড় ঘণ্টায় ৬ ভোট!

১১৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

১০:১৭, মার্চ ১৮, ২০১৯

দায়িত্ব পালনকালে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার মৃত্যু

নওগাঁ প্রতিনিধি





নওগাঁদ্বিতীয় ধাপে উপজেলা নির্বাচনের ভোট চলাকালীন নওগাঁর একটি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে মাজেদুল ইসলাম (৫০) নামে এক প্রিজাইডিং কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ( ১৮ মার্চ ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনি মারা যান।

মাজেদুল ইসলাম উপজেলার পাঠাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি মহাদেবপুর হাজী দানেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। 

মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘আজ সকালে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের জন্য মহাদেবপুর কেন্দ্রে যান তিনি। এসময় হঠাৎ করে তার শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। 


মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবারক হোসেন বলেন,‘ভোট কেন্দ্রের কর্মকর্তার মৃত্যুর পর ওই কেন্দ্রে অন্য প্রিজাইডিং কর্মকর্তা দিয়ে যথাসময়ে ভোটগ্রহণ শুরু করা হয়েছে।’




০৯:৩৮, মার্চ ১৮, ২০১৯

দেড় ঘণ্টায় ৬ ভোট!

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

ভোটার শূন্য কেন্দ্রদ্বিতীয় ধাপে মৌলভীবাজার সদরসহ সাত উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে। তবে কেন্দ্রগুলোয় সেভাবে ভোটার উপস্থিতি নেই। বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে এমনটাই দেখা গেছে। সোমবার (১৮ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে মৌলভীবাজারের সাত উপজেলার ৫১৬টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহন শুরু হয়। বিরতিহীন চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

সরেজমিনে শ্রীমঙ্গল উদয়ন উচ্চ  বালিকা বিদ্যালয়ে ভোটার উপস্থিতি দেখা যায়নি। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার ২২৯২ জন। সকাল সোয়া ৯টায় এ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটারের দেখা মেলেনি।

এ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সনজীত কুমার দাস বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,  ‘কেন্দ্রে ৬টি বুথ রয়েছে। এ পর্যন্ত ভোট কাস্টিং মাত্র ৬টি। ভোটার উপস্থিতি নেই।’

কেন্দ্রে নেই ভোটারপ্রসঙ্গত, পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে আজ মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর, কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে ভোট হবে।
মৌলভীবাজার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আশরাফুর রহমান জানান, সাতটি উপজেলায় মোট পৌরসভা সংখ্যা ৫টি, ইউনিয়নের সংখ্যা ৬৭, ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা মোট ৫১৯টি, ভোটকক্ষের সংখ্যা মোট ৩ হাজার ৩৯৩, ভোটারদের মধ্যে পুরুষ ৬ লাখ ৫২ হাজার ২৬৪ ও নারী ভোটার ৬ লাখ ৪৫ হাজার ২৪৭ জন। মোট ভোটার ১২ লাখ ৯৭ হাজার ৫১১ জন। চেয়ারম্যান পদে ২০ জন, ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৩৫ জন ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ২৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

০৮:১০, মার্চ ১৮, ২০১৯

১১৬ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১১৬টি উপজেলায় আজ সোমবার (১৮ মার্চ) ভোট নেওয়া হচ্ছে। সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।

রাজনৈতিক দলের ব্যানারে অনুষ্ঠিত এই ভোটে বিএনপিসহ বেশ কিছু নিবন্ধিত দল অংশ না নেওয়ায় খুব একটা উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে না মাঠে। গত ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত প্রথম দফার ভোটে মাত্র ৪৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। এত কম ভোট দেওয়ার ঘটনা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অতীতে খুব একটা ঘটেনি।

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনি সামগ্রী নিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের নিয়ে প্রিসাইডিং অফিসার রবিবার রাত থেকেই নিজ নিজ নির্বাচনি কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। সংশ্লিষ্ট উপজেলাগুলোতে ভোটের দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনি উপজেলাগুলোতে চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

এদিকে, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। কোনও নির্বাচনি কর্মকর্তা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হওয়ার প্রমাণ মিললে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। অনিয়মে জড়িত থাকায় দুই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বদলি ও ৪টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ভোটের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে।

১৮ মার্চকে ভোটগ্রহণের দিনক্ষণ ঠিক করে গত ৭ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল দেয় ইসি। ১৭টি জেলার ১২৯টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল হলেও এর মধ্যে গোপালগঞ্জ জেলার ৫টি উপজেলার ভোট দ্বিতীয় দফার পরিবর্তে তৃতীয় দফায় নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন উপলক্ষে ১৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টুঙ্গিপাড়া সফর থাকার কারণে তার নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে এ জেলার সব কয়টি উপজেলার ভোটের তারিখ পরিবর্তন হয়েছে। এদিকে দ্বিতীয় ধাপে থাকা দিনাজপুর সদর উপজেলার ভোটও ৪র্থ ধাপে (৩১ মার্চ) স্থানান্তর করা হয়েছে। অপরদিকে, আদালতের আদেশে দ্বিতীয় ধাপের তফসিল ঘোষিত গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ভোট স্থগিত হয়েছে। এছাড়াও ৬টি উপজেলার সবগুলো পদে একক প্রার্থী থাকায় ইতোমধ্যে এসব উপজেলার ফল ঘোষণার নির্দেশ দিয়েছে ইসি। যার কারণে এই ৬টি উপজেলায়ও ভোটগ্রহণের প্রয়োজন পড়ছে না। ফলে সব মিলিয়ে ১১৬টি উপজেলায় সোমবার ভোট হচ্ছে।

দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪৮ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ২৩ জন, ভাইস চেয়ারম্যান ১৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ১২ জন। যে ৬টি উপজেলার সবগুলো পদেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে সেগুলো হলো চট্টগ্রামের রাউজান, মিরেরসরাই, নোয়াখালীর হাতিয়া, ফরিদপুর সদর, পাবনা সদর ও নওগাঁ সদর।

দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হচ্ছেন- এক হাজার ৩১০ জন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩৭৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫৩৯ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ৩৯৪ জন। এ নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৭ হাজার ৩৯টি। ভোটার রয়েছেন ১ কোটি ৭৯ লাখ ৯ হাজার ৬জন।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনটি পদেই দলীয় প্রতীকে ভোটগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। তবে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ কেবল চেয়ারম্যান পদেই মনোনয়ন দিয়েছে। ফলে এ পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা নৌকা প্রতীকে ভোট করছেন। জানা গেছে, বিএনপি, বাম গণতান্ত্রিক দলসহ বেশ কিছু নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জনে পরিবর্তিত পরিস্থিতি নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করতে আওয়ামী লীগ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

দ্বিতীয় ধাপের ভোটের আগে ও পরে দুইদিনসহ মোট ৫দিন মাঠে থাকছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এর অংশ হিসেবে শনিবার পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, আনসার-ভিডিপি, কোস্টগার্ড, আর্মড পুলিশ, ব্যাটালিয়ান আনসার সদস্যরা মাঠে নেমেছেন। আচরণবিধি প্রতিপালন ও বিশৃঙ্খলা ঘটনা রোধে মাঠে রয়েছেন নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। নির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, আনসার, ভিডিপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ থাকবে সাধারণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রভেদে। সাধারণ কেন্দ্রে ১৪ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৫/১৬ জন নিয়োজিত থাকবেন।

পার্বত্য তিন এলাকায় সেনাবাহিনী

পার্বত্য তিন জেলায় নির্বাচন উপলক্ষে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত দিয়েছে ইসি। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ভোটের আগে ও পরে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবির পাশাপাশি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত দিয়েছে ইসি।

যা বলছেন সচিব

দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে রবিবার নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হয় তার জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনাররা বিভিন্ন স্থানে সফর করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন। রবিবার বিকালেও কমিশন সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করে কিছু নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

সচিব জানান, সকল কেন্দ্রে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনি সামগ্রী পৌঁছানো হয়েছে। প্রিসাইডিং অফিসাররা কেন্দ্রে কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

পার্বত্য জেলাগুলোতে সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে সচিব বলেন, তিন পার্বত্য জেলাতে আমরা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চেয়েছি। ইতোমধ্যে সেখানে সেনাবাহিনী কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। আপনারা জানেন এখানে বিরাজমান পরিস্থিতি রয়েছে। শান্তি চুক্তির পক্ষে বিপক্ষে কিছু সমস্যা আছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এখানে পাহাড়িদের মধ্যে একটি উত্তেজনা কাজ করে। তা প্রশমিত করার জন্যই সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে। অন্যান্য জেলা উপজেলাগুলোতে পুলিশ র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আনসার মোতায়েন থাকবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চ এই তিনদিন সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। ওইখানে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম এমনিতেই রয়েছে। অপারেশন উত্তোরণের নামে তিন পার্বত্য জেলায় তাদের কার্যক্রম থাকে। যেহেতু এটা দুর্গম এলাকা এবং উপজাতিদের মধ্যে সংঘাত বিরাজমান তাই সব দিক বিবেচনা করে আমরা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা চাইলে তারা সাড়া দিয়েছেন।

হেলালুদ্দীন বলেন, কিছু পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে দুইটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বদলির প্রস্তাব কমিশন অনুমোদন দিয়েছে তা হলো মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও গাইবান্ধার ফুলছড়ি। এছাড়া দিনাজপুরের বীরগঞ্জ, বগুড়ার শিবগঞ্জ, নওগাঁর মান্দা, বান্দবানের আলীকদম উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আগামীকালের নির্বাচনি কর্মকাণ্ড থেকে অব্যাহতি দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা কিছু অভিযোগ পেয়ে তা তদন্ত করে সত্যতা পেয়েছি যার পরিপ্রেক্ষিতে এই ব্যবস্থা আমাদের নিতে হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষ হয় এবং কেউ যাতে অনিয়ম না করে তার জন্য কমিশন কঠোর মনোভাব পোষণ করেছেন। কেউ যদি অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয় তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

সম্পর্কিত

 
 
 
 
টপ