দুই সিটির প্রথম ইভিএম ভোট শেষ, গণনা চলছে

প্রকাশিত : ১৭:০৫, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

সারাংশ

ভোটারদের নগণ্য উপস্থিতির মধ্য দিয়ে শেষ হলো ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এখন শুরু হচ্ছে গণনার প্রস্তুতি। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। তবে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। এ কথা স্বীকার করেছেন ভোটকেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বরত নির্বাচনি কর্মকর্তা ও সব প্রার্থীর এজেন্টরা। সরকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে কয়েকটি কেন্দ্রে হামলা, মারধর, হাতাহাতির অভিযোগ করেছেন বিএনপির দু্ই মেয়র প্রার্থীসহ প্রতিদ্বন্দ্বী বিভিন্ন কাউন্সিলর প্রার্থীরা। তাদের দাবি বেশিরভাগ কেন্দ্র থেকে তাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে।  

লাইভ রিপোর্টিং

১৬:৫৯, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

ভোটাররা স্বস্তি পাননি: তাবিথ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট



তাবিথ আউয়ালভোটাররা এ নির্বাচনে স্বস্তি পাননি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আওয়াল। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় তিনি বেশ কিছু অভিযোগ তুলে ধরেন।
তাবিথ আওয়াল বলেন, ‘আমি সারাদিন বিভিন্ন কেন্দ্র পরির্দশন করেছি। বিভিন্ন কেন্দ্রে দেখেছি আমাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমি নিজে গিয়ে এজেন্টদের কেন্দ্রে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছি। ভোটারা যেন আসতে পারেন সেজন্য রিটানিং অফিসারদের সঙ্গে কথা বলেছি।’
তিনি বলেন, ‘সব কেন্দ্রে একই চিত্র— ভোটারদের উপস্থিতি খুবই কম। ৪টা পর্যন্তই ভোটারদের উপস্থিত কম ছিল। আরেকটা চিত্র হচ্ছে, কেন্দ্রর সামনে মহড়ার মতো লোকজন ছিলেন, যারা ভোটারদের সহায়তা না করে ভয়-ভীতি দেখানোর চেষ্টা করেছে।’
বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, ‘সকালে বনশ্রী আইডিয়াল স্কুলে গিয়েছিলাম, তখন আমার এজেন্টকে বের করে দেওয়ার পর আবার ঢুকিয়ে দিয়ে যাই। বিকেলে গিয়ে একই কেন্দ্রে দেখলাম, এজেন্টদের আবার বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশ্ন করলাম, তারা বললেন, তাদের কিছু করার ছিল না। প্রিজাইডিং অফিসারকে খুঁজে পেতে আমার আধঘণ্টা লেগেছে। আইডিয়াল স্কুলে দুটি রুমে দরজা বন্ধ দেখেছি। পরে দেখি সেখানে গিয়ে দেখলাম ফিংগার প্রিন্ট ওভার রাইট করে ভোট দেওয়া হচ্ছে। তখন সেখানে থাকা কর্মকর্তারা বললেন, ফিংগার প্রিন্ট কাজ করছে না বলে ঠিক করছিলেন। যদিও এর মধ্যে ভোট কাউন্ট বেড়ে গিয়েছে। একটি রুমে দেখলাম, একটি মেশিনই বদলে ফেলা হয়েছে।’ সব কেন্দ্র থেকে তথ্য নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করবেন বলে জানান তিনি।

১৫:৪৯, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

শিল্পকলা থেকে ঘোষণা হবে দক্ষিণ সিটি নির্বাচনের ফল

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

শিল্পকলা একাডেমি থেকে দক্ষিণের ফলাফল ঘোষণার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে

ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যার পর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে শিল্পকলা একাডেমি থেকে। এরই মধ্যে ফলাফল ঘোষণার জন্য সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘ফলাফল ঘোষণার জন্য সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে শিল্পকলায়।’

জানা যায়, বিকাল ৪টায় ভোট শেষ হওয়ার পর কেন্দ্রভিত্তিক ভোট গণনা ও কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করবেন প্রিজাইডিং অফিসার। এরপর একীভূত তথ্য নিয়ে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করবেন রিটার্নিং অফিসার।






ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মেয়র সাঈদ খোকনের জায়গায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী করা হয়েছে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে। এই সিটি করপোরেশনে পরিবর্তন এসেছে বিএনপির প্রার্থীর ক্ষেত্রেও। পাঁচ বছর আগে পরাজিত প্রার্থী মির্জা আব্বাসের জায়গায় এবার প্রার্থী করা হয়েছে অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেনকে। দুই সিটিতেই একযোগে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে সাত জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩২৬ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৮২ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। দক্ষিণে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ১৫০টি, ভোট কক্ষের সংখ্যা ৬ হাজার ৫৮৮টি।

 

 



 

১৫:৪৭, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

‘যিনি নগরবাসীর কথা ভাবেননি তাকে ভোট দেবো কেন?’

জাকিয়া আহমেদ

ভোট কেন্দ্রে ভোটার নাইভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়েও ভোট দেবেন না বলে জানিয়েছেন একাধিক ভোটার। তারা মেয়রপ্রার্থীদের সমালোচনা করে বলেন, ‘যে নগরীতে ভোটের আগে মাইকের শব্দে ঘুমানো যায়নি, বাচ্চারা পড়তে পারেনি, যে নগরীর ভবিষ্যৎ মেয়র নির্বাচিত হওয়ার আগে নগরবাসীর কথা ভাবেননি, তাকে ভোট দেবো কেন? আওয়ামী লীগ কিংবা বিএনপির প্রার্থী নয়, আমি সব প্রার্থীর কথাই বলছি।’ শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন চলার সময় সিদ্বেশ্বরী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত একাধিক ভোটার এমন মন্তব্য করেন।

সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিদ্বেশ্বরী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে  দেখা গেলো মাঠের ভেতরে বিভিন্ন প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক-ভোটারদের জটলা। সেখানে কথা হয় দুই নারীর সঙ্গে। ‘ভোট দিয়েছেন, না দেবেন?’— এমন প্রশ্নের জবাবে তাদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ভোট কি আসলেই দিতে হবে? যে নগরীতে ভোটের আগে মাইকের শব্দে ঘুমাতি পারিনি, স্কুলগামী বাচ্চারা পড়তে পারেনি, পোস্টারের জন্য আকাশ দেখা যায়নি, সে নগরীর মেয়র নির্বাচনে কেন ভোট দেবো? যে নগরীতে লেমিনেটেড পোস্টার নিয়ে এত সমালোচনা হওয়ার পরও প্রার্থীরা সেসব পোস্টার সরাননি, তাদের ভোট দেবো? মেয়র নির্বাচিত হওয়ার আগেই যিনি নগরবাসীর ভালোমন্দের কথা ভাবেননি, তাকে ভোট দেবো কেন?’

এ সময় পাশে থাকা দ্বিতীয় নারী বললেন, ‘গত কয়েক বছর ধরেই বর্ষা মৌসুমে ঢাকার প্রতিটি গলিতে প্লাস্টিকের কারণে পানি জমে থাকে। কেউ ভাবলো না, এসব প্লাস্টিক শেষে কোথায় যাবে? ঢাকা শহরের জন্য তারা কেউ ভাবেননি। তাই আমি কাউকেই ভোট দেবো না। আমার জায়গা থেকে এটা আমার প্রতিবাদ।’

দুপুর ১২টার দিকে সিদ্বেশ্বরী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় দেখা গেছে, নারীদের জন্য নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রগুলোয় নারীদের উপস্থিতি কম। পোলিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে—একটি বুথে ৩৩৪ জন নারী ভোটারের বিপরীতে ভোট পড়েছে মাত্র ২০টি।  

এই কেন্দ্রের পোলিং অফিসার মাখন লাল দাশ বলেন, ‘সকালের দিকে ভোটার সংখ্যা একেবারেই কম ছিল। এখন কিছুটা বাড়ছে, তবে, তাও অনেক কম।’

মগবাজার বিশাল সেন্টার ভোটকেন্দ্রের সাত নম্বর পোলিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই বুথে ৩৪৫ জনের বিপরীতে ভোট পড়েছে নয়টি। পোলিং অফিসার মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা কম।’

সিদ্বেশ্বরী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে কথা হয় তিতাস গ্যাসের এক কর্মকর্তার সঙ্গে। তিনিও নাম না প্রকাশের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আগে দেশে দুই ঈদের চেয়ে বেশি উৎসব ছিল ভোটের দিন। আগে মানুষ দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও ভোট দিয়েছে। সারাদিন ভোটকেন্দ্রে থেকেছে। চা খেয়েছে, গল্প করেছে। নারীরা হয় খুব ভোরে দলবেঁধে এসে ভোট দিয়ে রান্না করতো অথবা রান্না শেষে দলবেঁধে আসতো ভোট দিতে। অথচ এই শীতের দিনে এমন রৌদ্রকরোজ্জ্বল সকালে কেউ নেই ভোট দিতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি ভোট দিতে এসেছি, আমার স্ত্রী আসেননি। এখানে আসার পরও তাকে ফোন করে ভোট দিতে আসার জন্য বললাম। কিন্তু তিনি আসবেন না, তার কোনও উৎসাহ নেই। কেন এমন মানসিকতা হলো ভোটারদের, সেটা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এটা ভেবে দেখা দরকার।’

ভোটাররা কি সবাই ঘুমাচ্ছেন প্রশ্ন করে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে মোশাররফ হোসেন নামের একজন ভোটার বলেন, ‘একটা প্রশ্ন করতে চাই আপনাকে। মেয়রকে ইদানীং বলা হচ্ছে নগরপিতা।’ কিন্তু মেয়র আসলে নগরপিতা হবেন না নগরসেবক হবেন, এমন প্রশ্নও রেখেছেন তিনি।

১৫:৪১, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

ভোটার কম, নেতাকর্মীদের সমাগমই বেশি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ফাঁকা ভোটকেন্দ্রভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতির চেয়ে নেতাকর্মীদের সমাগমই বেশি দেখা গেছে। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আজিমপুর, লালবাগ, বাংলাবাজার, ওয়ারীসহ পুরান ঢাকার বেশ কিছু এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ওই এলাকার বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্র ঘুরে জানা গেছে, সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১০ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, ভোটকেন্দ্রে অবসর সময় পার করছেন কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাররা। কিন্তু কেন্দ্রের বাইরে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের সমর্থকরা জটলা করে আছে। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই ভেতরে ভোটার আছে কিনা।

দুপুর পর্যন্ত ভোটার সংখ্যা কম কেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৬৪৫ নম্বর ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, ‘ভোটাররা এই টেকনোলজি হয়তো একসেপ্ট করতে পারেনি। তাই তারা ভোট দিতে আসছে না। এই বিষয়টি আরও পরিচিত করতে পারলে হয়তো ভোটারদের সমাগম বেশি হতো।’

একই বিষয়ে ৫৯৭ নম্বর ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জাকির হোসেন বলেন, ‘ভোটাররা হয়তো এখন আর ভোট দিতে স্বাচ্ছ্ন্দ্যবোধ করেন না। তাই হয়তো ভোটের প্রতি আগ্রহ নেই তাদের। ভেবেছিলাম শীতের সকাল হওয়ায় হয়তো কম ভোটার আসছে, কিন্তু দুপুর গড়িয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি বাড়েনি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি ২৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ হাসিব উদ্দিন রসি বলেন, ‘লালবাগ অংশে ভোটার উপস্থিতি ভালোই আছে। কিন্তু আজিমপুর অংশে কম। কিন্তু কেন ভোটাররা ভোট দিতে আসছেন না সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না। কোনও পক্ষের লোকজন যেন বিশৃঙ্খলা করতে না পারে তাই আমাদের নেতাকর্মীরা বাইরে দাঁড়িয়ে পর্যবেক্ষণ করছেন।’

এদিকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন কেন্দ্রে থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দেখা গিয়েছে, পুরান ঢাকার আরমানিটোলার আহমেদ বাওয়ানী অ্যাকাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫৩৫ নম্বর ভোটকেন্দ্রে ১ হাজার ৮৩৭ ভোটার থাকলেও ভোট পড়েছে ৩৪০টি, আওলাদ হোসেন লেনের ফকির মোহাম্মদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৮৬ নম্বর ভোটকেন্দ্রে ১ হাজার ১৬৭-এর মধ্যে ভোট পেড়ছে ১৮০টি এবং ৫৮৭ নম্বর ভোটকেন্দ্রে ১ হাজার ২৩৫ ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ১১৭টি, ৫৯৭ নম্বর বুলবুল ললিতকলা অ্যাকাডেমি ভোটকেন্দ্রে ২ হাজার ২৭৭ ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ৪৯৪টি, ৫৯৮ নম্বর বাংলাবাজার সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের ১ হাজার ৩১২ ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ২০০টি এবং ৬৪৫ নম্বর ওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ২ হাজার ২৫২ জন ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ২০০টি।

১৫:১৭, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

কেন্দ্র থেকে কেন্দ্র ছুটছেন ইশরাক

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

এক কেন্দ্র থেকে আরেক কেন্দ্র ছুটে যাচ্ছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। ভোটকেন্দ্রে ফিরিয়ে আনছেন নিজের এবং দল সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের। একইসঙ্গে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ভোটারদের সঙ্গে।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে নিজ কেন্দ্র শহীদ শাহজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন ইশরাক। একইসঙ্গে এই কেন্দ্রে নিজের পোলিং এজেন্টকেও বসিয়ে দিয়ে আসেন। এরপর ছুটে যান সেন্ট্রাল ইউমেন্স কলেজ, করাতিটোলা সি.এম.এস. মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেদার টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, স্বামীবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ১০টি কেন্দ্রে।
এ সময় ইশরাককে বিভিন্ন কেন্দ্রের বাইরে থাকা এজেন্টদের ভোটকক্ষে প্রবেশ করিয়ে দিতে দেখা যায়। আবার কখনও ভোটারদের বিভিন্ন অভিযোগ শোনেন। বেলা ১১টায় সেন্ট্রাল ইউমেন্স কলেজে নিজের কয়েকজন পোলিং এজেন্টকে সঙ্গে করে নিয়ে ভোটকক্ষে বসিয়ে দিয়ে আসতেও দেখা যায় তাকে।

মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমি প্রত্যেক জায়গায় গিয়ে এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢোকানোর চেষ্টা করেছি। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে সাড়ে ৬ হাজার এজেন্ট রয়েছে, সাড়ে ১১শ কেন্দ্র রয়েছে। এখন আমি একা কতগুলো কেন্দ্রে যাবো? কতগুলো কাভার করবো।

এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ করে বিএনপির এই মেয়র প্রার্থী বলেন, ‘কোথাও জোরজবরদস্তি করে আমাদের এজেন্টকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। কোথাও এজেন্টের এই ভুল সেই ভুল বলে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। আবার মহিলা কেন্দ্রে পুরুষ থাকা যাবে না বলে এজেন্টকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। অথচ মহিলা কেন্দ্রে পুরুষ এজেন্ট থাকতে পারবে।’

দুপুরে রায়েরবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ইশরাক অভিযোগ করেন, ‘ভোটাররা যখন হাতের ছাপ দিয়ে ব্যালট পেপার অ্যাকটিভ করছে তখন নৌকা মার্কার এজেন্ট গোপন কক্ষে গিয়ে তাদের মার্কায় ভোট দিয়ে দিচ্ছে। এটাই সবখানে হচ্ছে। আমি যেখানে যাচ্ছি সেখানে ভোটাররা আমাকে জড়িয়ে ধরে বলছেন ভোট দিতে পারছি না। যদি সম্ভব হতো তাহলে আমি সবাইকে হেল্প করতাম। আমি তো চেষ্টা করে যাচ্ছি কিন্তু কিছু হচ্ছে না।’
আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের কারচুপির বিষয়টি আমরা আগে থেকেই বলেছি। এখন আপনারা দেখতে পারছেন। আমি চেষ্টা ও লড়াই করে যাবো। শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবো।’

১৫:১৪, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

দক্ষিণে হাত পাখার তিন শতাধিক এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট


ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ২৮টি কেন্দ্র থেকে তিন শতাধিক হাতপাখার এজেন্টকে মারধর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ রিটার্নিং কার্যালয়ে দিয়েছে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুর রহমান। তার মিডিয়া সমন্বয়ক আহমদ আবদুল কাইয়ূম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, আব্দুর রহমানের প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক দক্ষিণ সিটির ২৮টি কেন্দ্র থেকে প্রায় ৩ শতাধিক হাতপাখার এজেন্টকে মারধর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ জমা করেছেন।
তারা অভিযোগে বলেছেন, ধানমন্ডির সিটি কলেজে কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার এজেন্টদের কার্ডে স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ধানমন্ডির বিদ্যা নিকেতন থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এজেন্টদেরকে বের করে দিয়েছেন। হাজারীবাগের নতুনকুড়ি প্রাইমারি স্কুলে ফিঙ্গার প্রিন্ট নেওয়ার পর ভোটারকে বের করে দিয়ে জোর করে ভোট নিয়ে নিয়েছে। সবুজবাগের নন্দিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এজেন্টদেরকে বের করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে দলটি।


১৫:০৮, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

সিটি নির্বাচনে বিএনপির উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেছেন ফখরুল: হাছান মাহমুদ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির মূল উদ্দেশ্য কী, সেটা দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তাদের সাফল্য সেখানেই যে তারা মাঠে নামতে পেরেছেন। তার এ বক্তব্য থেকে নির্বাচনে জয় লাভ করা তাদের কতটুকু উদ্দেশ্য, এ নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যায়।  সুতরাং, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নানা অভিযোগ উপস্থাপন করবে, এগুলো গঁৎবাধা অভিযোগ। সব সময় তারা এগুলো করে আসছে। নির্বাচন চলাকালীন নানা অভিযোগ করবে, বিকালবেলা করবে, সন্ধ্যাবেলাও করবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রথম থেকেই বিএনপির প্রচেষ্টা ছিল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। নানা ধরনের অভিযোগ নির্বাচনি প্রচারের সময় তারা উপস্থাপন করেছিল। আজকেও  সকালবেলা থেকে সেটা উপস্থাপন করছে। তারা দুপুরবেলা কী বলবে, সেটা ঠিক করে রেখেছে। বিকালবেলা কী বলবে, সেটা ঠিক করে রেখেছে। নির্বাচনের ফল যে রকমের হয়, সে রকমের জন্য তারা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।’

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত মানুষ উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে। আমি মনে করি, অতীতের যেকোনও সময়ের তুলনায় নির্বাচনি পরিবেশ ভালো। আমরা যদি কলকাতা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের দিকে তাকাই এবং ভারতের অন্যান্য স্থানীয় স্থানীয় নির্বাচনের দিকে তাকাই, সেই বিচারে ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনেক সুন্দর পরিবেশ হচ্ছে।’

নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক আহত হওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কোনও সাংবাদিক আহত হওয়া অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক।  সেটি কেন হয়েছে, কীভাবে হয়েছে—নিশ্চয়ই নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে। কোনও সাংবাদিক নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আহত  হওয়া বা বাধাগ্রস্ত হওয়া কোনোভাবে সমীচীন নয়, আমরা সেটা সমর্থন করি না।’

ভোটার উপস্থিতি কমের বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শীতের সকাল ৮টা অনেক সকাল। আর একইসঙ্গে শনিবার বন্ধের দিন। বন্ধের দিনে মানুষের মাঝে একটা বন্ধের আমেজ থাকে। সেই পরিস্থিতিতে ভোটার উপস্থিতি কম ছিলো। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিত বেড়েছে। এখনও ভোটের সময় বাকি রয়েছে,  আমি সবাইকে অনুরোধ জানাবো, যে যেখানে ইচ্ছা সেখানেই ভোট দেবে। তারা যেন তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন, স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে আসেন।’

আরও পড়ুন:

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

‘কেন্দ্রে অলস সময় কাটাচ্ছেন সবাই’

সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

 

 

 

১৫:০০, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

আতিকের সঙ্গে সেলফি তুলতে ভোটকেন্দ্রে জটলা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভোটকেন্দ্রে আতিকুল ইসলাম ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলামের সঙ্গে সেলফি তুলতে ভোটকেন্দ্রে জমায়েত ও জটলা সৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আতিকুল ইসলাম বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

দুপুরে মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে ওই স্কুলে যান। এ সময় উৎসুক নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে ধরে ভোটকেন্দ্রে সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এতে ভোটকেন্দ্রের প্রবেশমুখে জটলা সৃষ্টি হয়।

বিষয়টি স্বীকার করে আতিক বলেন, ‘আমি শুধু ভোটকেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করছি। এটা নির্বাচনি আচরণবিধির আওতায় পড়ে। তবে কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলেই নেতাকর্মীরা ঘিরে ধরে সেলফি তুলছে। তাই আমি কয়েকটি কেন্দ্রের বাইরে থেকেই ঘুরে এসেছি। ভোটকেন্দ্রের ভেতরে যাইনি। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা সবার স্বার্থেই এমনটি করেছি। তাই কেন্দ্রের সামনে মাঠে দাঁড়িয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছি। এটি আইন মেনেই করছি।’

এ বিষয়ে জানতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাশেমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ সময় ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কমের বিষয়ে প্রশ্ন করলে আতিক বলেন, ‘এটি মূলত অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। ভোটের আগের দিন এবং ভোটের দিন ছুটি থাকায় ভোটাররা ছুটির আমেজে রয়েছেন। তাই হয়তো দেরি করে আসছেন। সবাইকে এখনও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোট প্রদান করতে আহ্বান জানাচ্ছি।’

১৪:৫২, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাইনি: দক্ষিণের রিটার্নিং কর্মকর্তা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেছেন, ‘ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হোক বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী হোক, কেন্দ্রে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত আছেন তারা কেউ বলেননি, কোনও কেন্দ্রে কারও এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে বা আসতে দেওয়া হয়নি। কেউ যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করতে পারেন, তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেবো। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিল্পকলা একাডেমিতে অবস্থিত নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘সাধারণ অভিযোগের ওপর অ্যাকশন নেওয়া খুবই কঠিন। কারণ নির্দিষ্ট অভিযোগ করতে হবে কোন কেন্দ্র থেকে কখন, কাকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আদৌ সেখানে কাউকে এজেন্ট হিসেবে দেওয়া হয়েছে কিনা। সেগুলো যদি নির্দিষ্ট করা না হয়, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। তবে আমরা যেসব কেন্দ্রে গেছি, সেগুলোতে যখন জিজ্ঞাসা করেছি তারা বলছে সব প্রার্থীর এজেন্ট আছে।’
আবদুল বাতেন বলেন, ‘আমরা লিখিত ও মৌখিকভাবে অনেক অভিযোগ পাচ্ছি। সেগুলো নিজেরাও সরেজমিনে গিয়ে দেখছি। অভিযোগ যদি আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত হয়, তখন আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জানিয়ে দিচ্ছি। আরও বড় ধরনের সমস্যা যদি দেখি তখন বিজিবি বা র‌্যাবকে বলছি। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনও সহিংসতা বা কার্যক্রমের পরিপন্থী কোনও ঘটনা পরিলক্ষিত হয়নি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ছোটখাটো ঘটনা ঘটেছে, যেগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক কালচার বলে পরিগণিত হয়।’ তিনি বলেন, ‘পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বা একটা ঘটনা ঘটলে একটু বড় করে বলা। ছোট হোক, বড় হোক, আমরা সব ধরনের অভিযোগের তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমি বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে গিয়েছি। কিছু স্বাভাবিক ঘটনা ঘটছে। যেমন, ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) নতুন এসেছে। একটি নতুন জিনিসের সঙ্গে ভোটারদের পরিচিত হতে একটু সময় লাগে। কেন্দ্র থেকে যখনই মানুষ ভোট দিয়ে আসেন, তারা খুব হাসিমুখে বের হন।’

ভোটার উপস্থিতির হার ভালো, তবে একটু কম
রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, আমরা দেখেছি এখন পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতির হার ভালো। তবে একটু কম। আমরা শেষ পর্যন্ত দেখতে চাই। যেসব কেন্দ্রে উপস্থিতি কম আসলে সেগুলোতে ভোটার সংখ্যা কেমন সেটা তো আমরা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারছি না। আমরা শেষ পর্যন্ত দেখতে চাই।

আরও পড়ুন: কিছু ত্রুটি থাকলেও ভোট ভালো হচ্ছে: রিটার্নিং কর্মকর্তা


১৪:২৩, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে: আইজিপি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন আইজিপিপুলিশের আইজি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, ভোটে কোথাও কোনও বিশৃঙ্খলা হচ্ছে না। দুই সিটিতেই সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটার ও গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে আমরা এমন চিত্রই পেয়েছি। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি)  ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বনানী বিদ্যা নিকেতন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আইজিপি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী আরও  বলেন, ‘নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে গণমাধ্যমের কর্মীরা হামলার শিকার হলে, সেটা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মোহাম্মদপুরে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মোস্তাফিজুর রহমান সুমন নামে এক সংবাদকর্মীর আহত  হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের কাছেই শুনলাম, অবশ্যই বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে— এমন অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ‘আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর যারা নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন, তাদের খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।’

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রসহ আরও কিছু কেন্দ্র ঘুরে দেখেন ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

ব্রিফিংয়ে আইজিপি’র সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন— ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শফিকুল ইসলাম ও ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:

আরও পড়ুন:

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

‘কেন্দ্রে অলস সময় কাটাচ্ছেন সবাই’

সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

 

 

 

১৪:০৯, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

তাবিথের অভিযোগ শোনার সময় নেই উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তার!

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

উত্তর সিটি করপোরেশনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেমঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সব কেন্দ্র থেকে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দেওয়াসহ বিভিন্ন কেন্দ্রের ৩২টি অভিযোগ দিয়েছেন তাবিথ আউয়াল। তার পক্ষ থেকে মো. জুলহাস উদ্দিন নামের একজন প্রতিনিধি এলেও তাকে কথা বলার সময় নেই বলে বিদায় দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টায় অভিযোগ নিয়ে আসেন জুলহাস। এসময় তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বলেন, ‘বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া, মারধরসহ বেশকিছু অভিযোগ নিয়ে এসেছি। এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।’অভিযোগ নিয়ে যান মো. জুলহাস উদ্দিন

এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম বলেন, ‘অভিযোগ দিয়েছেন, রেখে দিলাম, দেখবো। এখন কথা শোনার সময় নেই। অভিযোগ কি আগেই লিখে রেখেছিলেন নাকি?’

জবাবে জুলহাস বলেন, ‘আগে কেন লিখে রাখবো। আমাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া, মারধর করছে নৌকা প্রার্থীর কর্মীরা। অনেকের মাথা ফাটিয়েছে। তারা হাসপাতালে আছে। আজ ভোট, আপনি এখন ব্যবস্থা না নিলে এমনটা হতে থাকবে।’

এসময় রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম কফি খেতে খেতে বলেন, ‘অভিযোগ দিয়েছেন দেখবো। আগেও তো দেখেছি।’

পরে জুলহাস সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, ‘তিনি (রিটার্নিং কর্মকর্তা) আমার কথাই শুনলেন না। এখন আর দুই-তিন ঘণ্টা সময় আছে। এখনও তিনি ব্যবস্থা না নিলে কখন নেবেন? তিনি ফোন করে খোঁজ-খবর নিতে পারেন। প্রমাণ পেলেই ব্যবস্থা নেবেন। তিনি তো অভিযোগ রেখেই দিলেন।’

আরও পড়ুন-

আমরা এমন ভোট চাইনি: সিইসি

সিইসি’র আঙুলের ছাপ মিললো না ইভিএমে 

ভোটার উপস্থিতি কম, কিছু কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

১৪টি অভিযোগ পেয়েছি: উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

‘নৌকার কোনও ব্যাক গিয়ার নেই’

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

১৪:০৪, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

ভোটকেন্দ্রে অন্য আতিক

শেখ জাহাঙ্গীর আলম

বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করছেন আতিকুল ইসলাম

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম বরাবরই সব বয়সী ভোটারদের আকৃষ্ট করতে নানা কৌশল নিয়েছেন। প্রচারের সময় কখনও চা বানিয়ে খাইয়েছেন, তরুণদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলেছেন। আবার কখনও টেবিল চাপড়ে গান গেয়েছেন। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই আরেকটু অন্যরকম আতিককে দেখতে পাচ্ছেন ভোটাররা। এদিনে সকাল থেকেই ঢাকা উত্তরের একপ্রান্ত থেকে ও অন্যপ্রাস্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি। কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন কারোর কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা। ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ও করেছেন।

সকাল ৮টায় উত্তরা নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে নিজের ভোটটি দিয়েই আতিক ছুটে যান অন্য কেন্দ্রে। হাবিবুল্লাহ কেন্দ্রে তিনি পৌঁছানোর আগেই হাতাহাতির মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জেতার পরে এটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ সুন্দর পরিবেশে নির্বাচনটা সম্পন্ন করার অনুরোধ জানান।

মিরপুরের বাসিন্দা রায়হানুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘একজন হবু মেয়র কেন্দ্রে এসে আমার কাছে জানতে চাইছেন কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা। এই সংস্কৃতি তো আমাদের দেশে নেই। নেতারা দূরে দূরে থাকেন। জনগণকে তো তারা চেনেই না।’

কেন্দ্রে ভোটার কম দেখে তিনি অন্যকিছু না বলে ভোটার কম এসেছে স্বীকার করে নিয়ে দ্রুত সবাইকে কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান। এই বিষয়টিও সচরাচর দেখা যায় না বলে অনেক ভোটারকে বলতে শোনা গেছে।

৩ নম্বর ওয়ার্ডের মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনিস্টিউটের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আতিকুল বলেন, ‘অনেক কেন্দ্র পরিদর্শন করলাম। অনেকে কেন্দ্রে ভোটারের লাইন আছে। আবার অনেক কেন্দ্রে লাইন নেই। তবে মানুষ ভোটকেন্দ্রে আসছে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে  ভোটারও কেন্দ্রে আসছে।’

এর আগে বাংলা স্কুলে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এরপরও আমি সবাইকে অনুরোধ করছি, ভোটকেন্দ্রে এসে আপনারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।’

কুর্মিটোলা হাই স্কুল, খিলক্ষেত, সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ, মিরপুর-১২, মিরপুর বাংলা স্কুলের বালক ও বালিকা শাখা,মিরপুর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মিরপুর আদর্শ স্কুল, সরকারি গ্রাফিক্স আর্ট কলেজ, রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়সহ বেশকিছু কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বনানী এলাকার দিকে যান আতিক।

আরও পড়ুন- 

 



ভোটার উপস্থিতি কম, কিছু কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

 

১৪টি অভিযোগ পেয়েছি: উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

‘নৌকার কোনও ব্যাক গিয়ার নেই’

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

 

১৩:৪১, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

ইভিএমে আঙুলের ছাপ না মেলার অভিযোগ ভোটারদের

হাসনাত নাঈম

ইভিএমে আঙুলের ছাপ না মেলার অভিযোগ ভোটারদেরঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের অনেক কেন্দ্রেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটারদের ফিংগার প্রিন্ট মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোটাররা। তবে প্রিজাইডিং অফিসাররা বলছেন, এমন ঘটনা স্বাভাবিক। ভোটারের পরিচয় শনাক্ত হলেই তারা ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৪, ২৫ ও ২৬ নং ওয়ার্ডের দশটি ভোট কেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

দেখা যায়, কোনও কোনও ভোটার ৫ মিনিট সময় ব্যয় করেও তার ফিংগার প্রিন্ট যাচাই করতে পারছেন না। অনেক ক্ষেত্রেই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ভোটারদের। আবার শনাক্ত করা গেলে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার তা নিশ্চিত করে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন। অনেকে ফিংগার প্রিন্ট ম্যাচ করলেও ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়াটিকে জটিল মনে করছেন।

২৬ নং ওয়ার্ডের ভোটার রাইসুল ইসলাম মাহমুদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অনেকবার চেষ্টা করা হলো তবুও ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিললো না। পরে আমাকে আবার আসতে বললো। আসলে এত কঠিন প্রক্রিয়ায় ভোট দেওয়া যায় না।’

২৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাহিদা বেগম বলেন, ‘স্যাররা অনেকক্ষণ চেষ্টা করলেন। তবু হাতের আঙুলের ছাপ মিললো না। আবার পরে আসতে বলছে।’লালবাগে ভোটারদের লম্বা লাইন

২৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, ‘ভোট দিতে ভালোই লাগছে। একটু সমস্যা হয়েছিল, ফিংগার প্রিন্ট মিলছিল না। ৭-৮ বার চেষ্টা করার পর সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আমাকে শনাক্ত করে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।’

এদিকে এই প্রক্রিয়াটিকে স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন প্রিজাইডিং অফিসাররা। তারা বলছেন এমন ঘটনা একশতে দু-একটি ঘটতেই পারে। এ বিষয়ে ২৬ নং ওয়ার্ডের ৪৭১ নং ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার তানভির মোহাম্মদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অনেকের আঙুলের কাটা দাগ থাকায়, পান খাওয়া বা বিভিন্ন কারণেই আঙুলের ছাপ না মিলতে পারে। এটা একটা স্বাভাবিক ঘটনা। তবে যাদের আমরা শনাক্ত করতে পারছি, তাদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’

২৬ নং ওয়ার্ডের ৪৭৩ নং ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আমজাদ হোসেন বলেন, ‘ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলার ঘটনাটা স্বাভাবিক। এটা নিয়ে বিচলিত হওয়ার কিছু নাই। ১০০ ভোটারের মধ্যে ২/৩ জনের এমন ঘটনা ঘটতেই পারে।’

এদিকে ২৪নং ওয়ার্ড লালবাগ ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মহিলা ভোটারদের উপস্থিতি দেখা গেলেও অনেকেরই ফিংগারপ্রিন্ট ম্যাচিং না হওয়ায় ভোট দিতে পারেননি।

ভোটার উপস্থিতিও কম

দক্ষিণ সিটির ২৬ নং ওয়ার্ডের ৪৬৭ নং ভোটকেন্দ্রের (অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজ) প্রিজাইডিং অফিসার মাইন উদ্দিন জানান, এখানে মোট পুরুষ ভোটার ১৫৩০টি। এখানে প্রথম এক ঘণ্টায় চারটি বুথের মধ্যে মোট ভোট পড়ে ১৯টি।

২৬ নং ওয়ার্ডের ৪৬৮ নং ভোট কেন্দ্রের (অগ্রণী স্কুল এন্ড কলেজ) প্রিজাইডিং অফিসার সাজ্জাদ হোসেন জানান, এখানে মোট মহিলা ভোটার রয়েছে ২২৫১টি। ছয়টি বুথের মধ্যে এক নম্বর বুথে একটিও ভোট পড়েনি প্রথম দুই ঘণ্টায়। আর বাকিগুলোতে ভোট পড়ে মোট ১৫টি।

২৬ নং ওয়ার্ডের ৪৭৩ নং ভোটকেন্দ্রের (ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ) প্রিজাইডিং অফিসার মো. আজাদ হোসেন জানান, এখানে মোট মহিলা ভোটার আছে ১৫৩৫টি। চারটি বুথের মধ্যে প্রথম দুই ঘণ্টায় ভোট পড়ে ৩৩টি।

২৬ নং ওয়ার্ডের ৪৭৪ নং ভোটকেন্দ্রের (ভিকারুননিসা স্কুল এন্ড কলেজ) প্রিজাইডিং অফিসার আহসানুল হক বলেন, ‘আমার এখানে মোট মহিলা ভোটার রয়েছেন ১৫৮৪ টি। চারটি বুথের মধ্যে প্রথম দেড় ঘণ্টায় মোট ৩৫টি ভোট পড়ে।’

২৫ নং ওয়ার্ডের ৪৫৫ নং ভোটকেন্দ্রের (রহমতুল্লাহ মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বালিকা শাখা) প্রিজাইডিং অফিসার মো. কামরুল হাসান জানান, এখানে মোট মহিলা ভোটার রয়েছে ২০৮৮ টি। ছয়টি বুথের মধ্যে প্রথম দুই ঘণ্টায় ভোট পড়ে ২৫টি।

 

আরও পড়ুন- 


সিইসি’র আঙুলের ছাপ মিললো না ইভিএমে 

 

 

১৩:২৫, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

বুথে ইভিএমে ভোট দেওয়া শেখাচ্ছেন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

বুথে ভোটারকে ভোট দেওয়ার নিয়ম শেখাচ্ছেন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারভোট দেওয়ার জন্য বুথে শুধুমাত্র ভোটারকেই উপস্থিত থাকতে হয়। কিন্তু ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) পদ্ধতিতে হওয়ায় একটি কেন্দ্রের বুথে ঢুকে ভোটারকে ভোট দেওয়ার নিয়ম শেখাতে দেখা গেছে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের (ইউল্যাব) নারী কেন্দ্রের ৭ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আল মুজাহিদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বুথের ভেতরে ঢুকে ভোট দেওয়া দেখা হচ্ছে না। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাররা ভোট দেওয়ার বিষয়টি ভোটারদের মধ্যে ম্যানুয়ালি উপস্থাপন করেছেন।’
সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুল মান্নান বলেন, ‘ইভিএম নতুন প্রযুক্তির হওয়ায় অনেকে এতে ভালোভাবে অভ্যস্ত নয়। যার কারণে প্রত্যেককে আমাদের শিখিয়ে দিতে হচ্ছে। দুই-একজনকে পেয়েছি, যারা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিয়েছেন। আমাদের ধারণা, তারা ইউটিউব বা অন্য কোনও মাধ্যম থেকে শিখে এসেছেন।’
বুথে ভোটারের সঙ্গে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারসরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বেসরকারি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট তিনটি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। তবে এসব কেন্দ্রের কোনটিতেই বিএনপির এজেন্ট পাওয়া যায়নি।
একটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার নুরুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সকাল থেকেই বিএনপির কোনও এজেন্ট আমাদের এখানে আসেনি। তবে নৌকা ও হাতপাখা মার্কার এজেন্টদের আমরা পেয়েছি।

১৩:২৫, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

মিরপুর এলাকায় ভোটার উপস্থিতি কম

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ভোটাকেন্দ্রের বাইরে দলীয় কর্মী সমর্থকদের ভিড়ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে মিরপুর,পল্লবী ও কাফরুল এলাকার ভোট কেন্দ্রগুলোয় ভোটার উপস্থিতি খুব একটা নেই। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত এসব এলাকার কোনও ভোটকেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি খুব একটা ছিল না। তবে কেন্দ্রগুলোর সামনে ও আশপাশের এলাকায় আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুল ইসলামের সমর্থকদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো ছিল। তবে বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী তাবিথ আউয়ালের নির্বাচনি এজেন্ট চোখে পড়েনি। 

ডিএনসিসি’র ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৯টি বুথ। বেলা ১১টা পর্যন্ত কোনোটি ৭৫, কোনোটিতে ১০০, কোনোটিতে ২৫০ ভোটার ভোট দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা।

ভোটকেন্দ্র ও  আশপাশের এলাকায় আতিকুল ইসলামের সমর্থকদের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। কেন্দ্রের ভেতরে ভোটারদের দু’টি লাইন দেখা গেলেও বুথগুলোয় ভোটার উপস্থিতি ছিল কম।

ভোট দেওয়ার পর সাবিনা রহমান নামে এক ভোটার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ইভিএমে ভোট দেওয়া নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি ছিল। তবে ভোট দিতে গিয়ে সেই বিভ্রান্তি কেটে গেছে।’ পছন্দের প্রার্থীকেই ভোট দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

ভোটাকেন্দ্রের বাইরে দলীয় কর্মী সমর্থকদের ভিড়আশিকুর রহমান নামে আরেক ভোটার বলেন, কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে আওয়ামী লীগের মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের সরব উপস্থিতির কারণে বিএনপির মেয়র-কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থক ও ভোটাররা ভোট দিতে আসছেন না।

১৩ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৯৫ হাজার। ভোটকেন্দ্র ৩৫টি। এই ওয়ার্ডের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ (বালক শাখা) ভোট কেন্দ্রের সামনে ও ভেতরেও আওয়ামী লীগ সমর্থক মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। কেন্দ্রটিতে তাবিথের কোনও এজেন্টের দেখা মেলেনি।

এই কেন্দ্রের ভোটার মোহাম্মদ আউয়াল বলেন, ‘এখানে ভোটার উপস্থিতি কম হলেও আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর সমর্থকদের ভিড় আছে। ’

ভোটাকেন্দ্রের বাইরে দলীয় কর্মী সমর্থকদের ভিড়

ভোট দিয়ে বের হওয়ার পর সাদেক নামে এক ভোটার জানান,বুথে সবাই অলস সময় কাটাচ্ছেন।

এছাড়া হাজী আশ্রাফ আলী হাইস্কুল, সালাউদ্দিন শিক্ষালয়, হাজী ইউসুফ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নর্থ-সাউথ কিন্ডারগার্টেন, স্কলার কিন্ডারগার্টেন, হালিম ফাউন্ডেশন উচ্চ বিদ্যালয়, গ্লোরি স্কুল, আলিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, শহীদ আবু তালেব উচ্চ বিদ্যালয় ও গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্র ঘুরে একই চিত্র দেখা গেছে।

আরও পড়ুন- 

ভোটার উপস্থিতি কম, কিছু কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

 

১৪টি অভিযোগ পেয়েছি: উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

‘নৌকার কোনও ব্যাক গিয়ার নেই’

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

 

 

১৩:২৫, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

জনসমর্থনের প্রতি তোয়াক্কা না করা বিএনপির জন্মগত বৈশিষ্ট্য: নানক

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন জাহাঙ্গীর কবির নানক

জনসমর্থনের প্রতি তোয়াক্কা না করা বিএনপির জন্মগত মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, ‘ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে চলছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে প্রথমবারের মতো শতভাগ ইভিএমের মাধ্যমে ভোট চলছে। কিন্তু সকাল থেকেই বিএনপির প্রার্থীরা এজেন্ট বের করে দেওয়াসহ নানা অমূলক অভিযোগ করে যাচ্ছে। ভোটারদের মন জয় না করে, নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি না নিয়ে তারা অবান্তর অভিযোগ করে যাচ্ছে। ইভিএমে কারচুপির সুযোগ নেই। তাই ভোট কারচুপি করতে পারবে না জেনে তারা বায়বীয় অভিযোগ করছে।’

শনিবার ( ১ ফেব্রুয়ারি) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সিটি নির্বাচনের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির অভিযোগ প্রসঙ্গে নানক বলেন, ‘বিএনপির এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে বলে যে অভিযোগ করা হয়েছে—এটা তাদের পুরনো রেকর্ড। আপনারা (সাংবাদিক) লক্ষ করেছেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন চিরাচরিত মিথ্যাচার দিয়ে দিন শুরু করেছেন। তিনি নিজে শহীদ শাজাহান প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেছেন। সেই কেন্দ্রে তিনি যখন ভোট দেন, তখন তাদের পোলিং এজেন্ট ছিল না। অথচ তারা বায়বীয় কায়দায় মিথ্যাচার করছে, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাদের পোলিং এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে।’

জাহাঙ্গীর কবির নানক আরও বলেন, ‘‘ভোট শুরু হওয়ার আগেই ইশরাক বলেছিলেন, ‘আহত বা নিহত যা-ই হই, ভোটকেন্দ্র ত্যাগ করবো না।’ অথচ নিজের কেন্দ্রে পেলিং এজেন্টের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারেন নাই। সেখানে আগে থেকেই আহত বা নিহত হওয়ার কথা বলে মাঠ গরম করার মধ্য দিয়ে নির্বাচন বানচাল করার দুরভিসন্ধিমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে।’’

নানক বলেন, ‘ভোটাধিকার জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। ভোটাররা শান্তিপূর্ণ ও স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। বিগত দিনগুলোতে আমরা দেখেছি, জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে বিএনপি-জামায়াত চক্র ছিনিমিনি খেলেছে। বিএনপি আমলে নির্বাচন স্টাইল ছিল—১০টি হোন্ডা, ২০টি গুন্ডা, নির্বাচন ঠান্ডা। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করে না, তারা প্রযুক্তির বিপক্ষে কথা বলে। কারণ, প্রযুক্তির বিকাশের মধ্যেই স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনগণের ক্ষমতায়নের পথ সুগম হয়।’ কিন্তু এটা বিএনপি চায় না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর অন্যতম এ সদস্য বলেন, ‘‘কেন্দ্র দখল করে, সিল পিটিয়ে একজনের ভোট আরেকজনের দেওয়ার সুযোগ ইভিএম পদ্ধতিতে নেই। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমার ভোট আমি দেবো, যাকে পছন্দ তাকে দেবো।’ এই নিয়মে ভোট চলছে এবং সেভাবে ভোট হবে। তিনি  আরও  বলেন, ‘আজ  সবাই ভোট দিতে পারছে, সেই পরিবেশ আমরাই সৃষ্টি করেছি। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখবে।’’

কূটনীতিকদের সিটি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নিয়ে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশন দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। কূটনৈতিক মিশনগুলো থেকে বিদেশি পর্যবেক্ষকের পাশাপাশি দেশি পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে পর্যবেক্ষক নিয়োগে আন্তর্জাতিক বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হয়েছে। বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরিরত বাংলাদেশিদের বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে মনোনীত করে কূটনৈতিক মিশনগুলো সঠিক করেনি।’

নানক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আছে, জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনও কাজ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা করা থেকে শুধু বিরত থাকবেই না, এমন কাজকে প্রতিহত করবে। আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাই, যে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা রোধ করার জন্য তারা যেন কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে।’

ঢাকাবাসীর প্রতি কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘আপনারা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করুন। আমরা বিশ্বাস করি, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ভোটাররা উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও সম্ভাবনার পক্ষে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, এস এম কামাল, সাখাওয়াত হোসেন শফিক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, নির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট এ বি এম রিয়াজুল কবির কাওছার প্রমুখ।

 




আরও পড়ুন: 

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

‘কেন্দ্রে অলস সময় কাটাচ্ছেন সবাই’

সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

১৩:২০, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

ডোন্ট লিভ দ্য সেন্টার: মির্জা ফখরুল

সালমান তারেক শাকিল

নয়া পল্টন কার্যালয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির নির্বাচনি এজেন্ট ও নেতাকর্মীদের ভোটকেন্দ্র ত্যাগ না করার নির্দেশনা দিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে দলের নয়া পল্টনের কার্যালয় ত্যাগ করার সময় তিনি বলেন, ‘ডোন্ট লিভ দ্য সেন্টার। সবাই যার-যার কেন্দ্রে ফিরে যান।’ 

শনিবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন মির্জা ফখরুল। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান। কার্যালয়ে আসার পরই ঢাকার বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীরা ফখরুলের কাছে নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি এসব অভিযোগ শোনার পর প্রত্যেক প্রার্থী ও নেতাকর্মীকে কেন্দ্রে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।

দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কার্যালয়ে প্রবেশ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। এসময় তার নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন অনিয়মের কথা আলোচনা করেন মির্জা ফখরুলের সঙ্গে। মির্জা আব্বাস জানান, খিলগাঁও এলাকাসহ তার নিজের ওয়ার্ডেও অপরিচিত লোকদের নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে ডাকা হয়েছে। পরে তিনি পুলিশের সামনেই অপরিচিত লোকদের কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যেতে আহ্বান জানান। ফখরুলের উদ্দেশ্যে মির্জা আব্বাস আরও বলেন, ‘আমার এলাকায় একটি কেন্দ্রে বোমা হামলার মতো কিছু ঘটেছে। ইভিএমে ভোট দিতে গিয়ে ধানের শীষের মার্কা আসে না।’ জবাবে মির্জা ফখরুল জানান, সকাল থেকেই তিনি এসব অভিযোগ শুনছেন। এরপর ফের নেতাকর্মী ও প্রার্থী-এজেন্টদের নিজ কেন্দ্রে অবস্থানের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন ঢাকা দক্ষিণে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনের নির্বাচনি এজেন্ট আবদুস সালাম। মির্জা ফখরুলের কক্ষে এসে মহানগরের কয়েকজন কাউন্সিলর প্রার্থীকে দেখে রেগে গিয়ে সবাইকে কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

নয়া পল্টনে যাওয়ার আগে সকালে গুলশানের কার্যালয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

এর আগে, আবদুস সালামের স্বাক্ষরে একটি অভিযোগ পাঠানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনে। শায়রুল কবির খান জানান, ডিএসসিসির ৪৪, ৪২, ১৮ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে বলে রিটার্নিং অফিসার আবদুল বাতেনের কাছে পাঠানো অভিযোগে জানানো হয়েছে।

দুপুর পৌনে ১টার দিকে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস বিএনপির কার্যালয় ত্যাগ করেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তার বাড়িতে অবস্থান করবেন বলে জানান বাংলা ট্রিবিউনকে। কার্যালয় ত্যাগের আগে আবারও বিএনপির মহাসচিব ব্রিফিং কক্ষে অবস্থানরত দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘এখানে থাকার দরকার নাই। সবাই যার-যার কেন্দ্রে যান। নিজে গিয়ে কেন্দ্রে বসেন। শেষবেলা পর্যন্ত কেন্দ্রে থাকতে হবে।’

এদিকে, ভোটের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের ব্যাপারে দুপুর একটা পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বিএনপি। দলের স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য গুলশানের কার্যালয়ে সকাল থেকে অবস্থান করলেও নেতারা ভোটের পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান বলে জানান একজন সদস্য।

তবে ভোটের সময় শেষ হওয়ার পর নয়া পল্টনে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের অবস্থান তুলে ধরা হতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন স্থায়ী কমিটির একহন সদস্য। 

প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল ৮টায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। 

 

 

১৩:০৮, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

আমরা এমন ভোট চাইনি: সিইসি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

নিজের ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিইসিঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিভিন্ন কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, হাতাহাতি, ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে। সাংবাদিকরা সিইসির কাছে জানতে চান−আপনি কি এমন ভোট চেয়েছিলেন? জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেন, ‘আমরা এমন ভোট চাইনি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যারা আছে তাদের কাছে আমার নির্দেশ, এ জাতীয় পরিস্থিতি যদি ঘটে, তাহলে তারা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেবেন। যারা প্রার্থী, ভোটার বা সমর্থক তাদের প্রতি আমার অনুরোধ, যাতে তারা পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রাখেন।’

সিইসি আরও বলেছেন, ‘ভোটার উপস্থিতি এখন পর্যন্ত ভালো না। হয়তো পরে ভোটার বাড়বে।’ শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরে আইইএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। ওই কেন্দ্রে দুপুর পর্যন্ত ২৭৬ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন।

সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘আমি বাসা থোকে আসার সময় পথে একটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। সেখানেও সকালে ভোটার কম দেখেছি।’উত্তরায় ভোট দেন সিইসি কে এম নূরুল হুদা

প্রার্থীদের অভিযোগ পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এখন পর্যন্ত অভিযোগ নেই। আমি বাসা থেকে বের হওয়ার আগে টিভিতে দেখলাম মানুষ লাইন দিয়ে ভোট দিচ্ছে। ইভিএমের বিষয়ে মানুষের ইতিবাচক সাড়া মিলছে। ইভিএম বুঝতে যাদের কষ্ট হচ্ছে, তারা বুঝে নিয়ে ভোট দিচ্ছে। তারা খুশি।’

ইভিএম মেশিনে যাদের আঙুলের ছাপ মিলছে না, তাদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যাদের ফিংগার প্রিন্ট মিলছে না, তাদের ভোট দেওয়ার তিন-চারটি উপায় রয়েছে। এর যেকোনও একটি উপায়ে তারা ভোট দিতে পারবেন।’ উনার নিজেরও আঙুলের ছাপ মেলেনি। পরে তিনি জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে ভোট দেন।

ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সকালে আসেনি, হয়তো পরে আসবে। যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, ভোটার আনার বিষয়ে তাদের দায়িত্ব বেশি। এক্ষেত্রে আমাদের দায়িত্ব কম। আমাদের পরিপূর্ণ দায়িত্ব আমরা পালন করেছি।’

বিএনপির এজেন্ট বের করে দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্দেশনা হলো ম্যাজিস্ট্রেট বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি এমন অভিযোগ পায় তাহলে তাকে ভোটকেন্দ্রে ফের ঢুকিয়ে দেবেন। এজেন্টদের সঙ্গে এমন কিছু ঘটলে প্রথমে তিনি প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কাছে যাবেন। তার সাহায্য চাইবেন। সেখানে কাজ না হলে ভোটকেন্দ্রের বাইরে এসে তার নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট থাকলে তাকে জানাবেন। ম্যাজিস্ট্রেট না থাকলে ঊধ্বর্তন পুলিশ কর্মকর্তাদের জানাবেন।’

সিইসি বলেন, ‘এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে টিকে থাকার সামর্থ্য থাকতে হবে। একজন বের হতে বললো আর বের হয়ে আসবেন, এমন হতে পারে না। বের হতে বললেই বের হবেন, এটা ম্যানেজ হলো না। তারা যেন তাৎক্ষণিক প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেন। একজন বের হতে বললো আর বের হয়ে গেলো−এর না আছে কোনও অভিযোগ, না আছে কোনও ভিত্তি, না আছে লোকটির অস্তিত্ব। আমরা এমন অভিযোগের কী করতে পারি?’

তিনি বলেন, ‘এজেন্টকে বের হয়ে যেতে বললে সেটা তার প্রতিহত করা উচিত। এজেন্ট বলবে−আমি যাবো না।’

তাহলে কি এজেন্ট মারামারি করে কেন্দ্রে টিকে থাকবে? এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমি মারামারির কথা বলছি না। যদি বলে ‘যাও’, এজেন্ট বলবে ‘আমি যাবো না।’ এরপরও যদি বের করার চেষ্টা হয় তাহলে পরবর্তী ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারে এজেন্ট। এজেন্টকে কেউ বের করে দিলো, নাকি নিজের ইচ্ছায় বের হয়ে গেলো, তা প্রতিষ্ঠিত হওয়া দরকার।’

কেন্দ্রে যাতে কোনও বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি না হয়, সেজন্য তিনি প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের প্রতি অনুরোধ করেন।

বেলা ১২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের পরিবেশ নিয়ে নিজের সন্তুষ্টির কথা বলেন সিইসি। তিনি বলেন, ‘কোনও কেন্দ্র যদি প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বা রিটার্নিং কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে সেই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া আছে।’

আরও পড়ুন- 


সিইসি’র আঙুলের ছাপ মিললো না ইভিএমে 

১২:৫৫, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ভোট দিচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘খুবই সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর শুনিনি। আশা করি, সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশে ভোট গ্রহণ শেষ হবে।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পাশে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পর তিনি এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ভোট হচ্ছে। সার্বিক নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা প্রস্তুত রয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে কোনও ধরনের আশঙ্কা নেই।
ভোট দিয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।


১২:৫১, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

দুই সিটিতেই বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের অভিযোগ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনে সকাল থেকেই কিছু কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট না থাকা, বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের নির্বাচনি এজেন্টকে বের করে দেওয়া ও বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় ভোট শুরুর পর এখনও বড় কোনও সংঘর্ষের খবর পাওয়া না গেলেও ভোটে বাধা প্রদানসহ বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের তথ্য পাওয়া গেছে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের অনেকের পক্ষ থেকে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, দুই-একটি ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে।

জানা গেছে, ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর কয়েকটি এলাকায় কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সকাল ৯টার দিকে গেণ্ডারিয়া হাইস্কুল কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এসি প্রতীকের মিনুর অনুসারীরা দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ঘুড়ি প্রতীকের নির্বাচনি বুথ ভেঙে দেয়। এর কিছুক্ষণ পর মিনুর অনুসারীরা ফরিদাবাদ হাইস্কুলে ঢুকে ঘুড়ি প্রতীকের পোলিং এজেন্টদের কার্ড কেড়ে নিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। পাশের ফজলুল হক মহিলা কলেজ কেন্দ্রের গেটে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত গেন্ডারিয়া থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘দুই প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে একটু ঝামেলা হয়েছিল। আমরা সবাইকে সরিয়ে দিয়েছি। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

এদিকে সকালে আদাবরের ৩০ নম্বর ওয়ার্ড ইকরা স্কুল কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আবুল কাসেমের সমর্থকরা বিদ্রোহী টিফিন ক্যারিয়ার প্রার্থীর লোকজনদের মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মিরপুরের আদর্শ স্কুল কেন্দ্রে ঠেলাগাড়ি প্রতীকের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর অনুসারীদের সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থী কদম আলী মাতবরের লোকজনের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অনুসারীদের তেমন একটা উপস্থিতি নেই। সকালে কলাবাগানের খান হাসান স্কুল কেন্দ্রে ১৬ নং ওয়ার্ডের বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হন। এছাড়া ২২ নং ওয়ার্ডের হাজারীবাগ থানার সালেহা স্কুল ও নবাবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিএনপির মেয়র ও দলটির সমর্থিত কাউন্সিল প্রার্থীর এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বকশিবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী ও বিএনপির প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় অন্তত ৮টি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এই কেন্দ্রে সকাল থেকেই মিষ্টি কুমড়ো প্রতীকের আওয়ামী মনোনীত প্রার্থী ওমর বিন আবদাল আজিজ তামিম ও তার সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১১টা ৪৭ মিনিটের দিকে এই ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শাহেদা মোরশেদের সমর্থকেরা উপস্থিত হন। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি ও ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা অন্তত আটটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এই ঘটনার সময় ভোট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের লাইনে থাকা ভোটাররা স্থান ছেড়ে সরে যান। তাৎক্ষণিকভাবে কিছু সময়ের জন্য ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে।

ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এদিকে ঝামেলা হয়েছিল। ভোটগ্রহণ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ ছিল। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।’  

এছাড়া রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জাফরাবাদে আগামী নিউজের রিপোর্টার মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীর লোকজন। তাকে উদ্ধার করে শিকদার মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে দুই সিটি নির্বাচনে রাজধানীজুড়ে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘সারা ঢাকা শহরে ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে আসছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারের সংখ্যাও বাড়বে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের দায়িত্ব পালন করছে। কারও কোনও অভিযোগ থাকলে তাদের জানালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এছাড়াও প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং এজেন্টরা রয়েছেন।’

কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘তারা এমন কথা সবসময়ই বলে আসছেন, এটা নতুন কিছু নয়। বিগত দিনগুলোতেও তাদের এমন কথা বলতে শুনেছি।’

ছবি: নাসিরুল ইসলাম

আরও খবর: ভোটার উপস্থিতি কম, কিছু কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ 

 

১২:৪০, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

শান্তিপূর্ণ ভোট আশা করে যুক্তরাষ্ট্র

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে, এই আশা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ফেসবুক পেজে বলা হয়, ‘আমরা ঢাকার ভোটারদের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন কামনা করি, যাতে আগ্রহী ভোটাররা নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নেওয়ার জন্য স্বাধীনভাবে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকারের চর্চা করতে পারেন।’
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার, যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত রবার্ট চ্যাটার্টন, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত সার্লোটা স্লাইটারসহ বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রদূত রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এর আগে ৩০ জানুয়ারি এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশে অবস্থিত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা বলেছিলেন, ‘ঢাকায় অবস্থিত কূটনীতিক ও নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত পর্যবেক্ষক হিসেবে আমরা এই শহরের ভোটকেন্দ্রগুলোতে গণতন্ত্রকে কার্যকর অবস্থায় দেখার প্রত্যাশা করছি। আমরা আশা করছি, বাংলাদেশ সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট সব রাজনৈতিক দল শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে জনগণের ভোট দেওয়ার অধিকারকে সম্মান জানাবে এবং স্বচ্ছতা ও সততার সঙ্গে ভোট গণনা করা হবে।’

১২:৩৯, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

এখন পর্যন্ত ২১টি অভিযোগ পেয়েছে ইসি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ইসির মনিটরিং সেলে সিইসিঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অনিয়ম, কেন্দ্র দখল, অস্ত্র উদ্ধারসহ মোট ২১টি অভিযোগ জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টা পর্যন্ত এসব অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ইসির কন্ট্রোল রুমের সমন্বয়ক মেজর রাজু।

কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে, ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের একটি কেন্দ্র থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা উত্তরের ১১৭১ নম্বর বড় বেরাইদ ঋষিপাড়া কেন্দ্রে একজনকে অস্ত্রসহ আটক করে পুলিশ।

মনিটরিং সেলের সমন্বয়ক মেজর রাজু বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গা থেকে বেশ কিছু অভিযোগ আসছে। একটি অভিযোগ বেশি আসছে সেটি হলো  ভোটাররা কেন্দ্রে ঢুকতে পারছে না। আমরা মেসেজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে র‍্যাব, বিজিবি, পুলিশের ফোর্স পাঠিয়ে ক্লিয়ার করছি।’

ভোট দেওয়ার পর নির্বাচন ভবনের চার তলায় স্থাপিত মনিটরিং সেলে যান সিইসি। মনিটরিং সেলের সমন্বয়ক তাকে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানান। পরিস্থিতি জেনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

এছাড়া রাজধানী গেন্ডারিয়া, নারিন্দা, আদাবর, বকশিবাজারে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

ইসির মনিটরিং সেলে সিইসিএদিকে, কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়া এবং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির দুই মেয়র প্রার্থী। সকাল ৮টায় গুলশান-২ এর মানারাত ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ভোট দেওয়ার পর উত্তরের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। এসময় তিনি এসব অভিযোগ করেন।

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কালাচাঁদপুর স্কুল কেন্দ্রে যান তাবিথ আউয়াল। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ কেন্দ্রে ভোটারদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের এজেন্টদেরও বের করে দিয়েছে। আমি এসেছি যেন ভোটারদের অন্তত প্রবেশ নিশ্চিত করতে পারি।’ কেন্দ্রে  উপস্থিত থাকা পুলিশ সদস্যদের কাছে তিনি অভিযোগ জানান।

পোলিং এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা শুনেছি, কয়েকটি কেন্দ্রে আমাদের পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। আমরা ম্যাজিস্ট্রেটদের অবহিত করেছি। আমি সশরীরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরবো। কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রের ২০০ এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছে ইসলামী আন্দোলন। দলটির উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মিডিয়া সমন্বয়ক কে এম শরীয়াতুল্লাহ বলেন, উত্তরা, গুলশান, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর, শেরেবাংলা, ভাষানটেক, দারুস সালাম ও হাতিরঝিল থানার ২৫টির বেশি কেন্দ্র থেকে হাতপাখার দুই শতাধিক পোলিং এজেন্টকে জোরপূর্বক বের করে দিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুন:

ইভিএম-এ কেউ খুশি, কেউ বেজার 

 
 
 

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

হারজিত যাই হোক ফল মেনে নেবো: আতিক

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

ভোটার উপস্থিতি কম, কিছু কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

সিইসি’র আঙুলের ছাপ মিললো না ইভিএমে

১২:৩২, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

কিছু ত্রুটি থাকলেও ভোট ভালো হচ্ছে: রিটার্নিং কর্মকর্তা

আদিত্য রিমন

রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেনঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেছেন, ‘ভোটে কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলেও এখন পর্যন্ত ভালো ভোট হচ্ছে। সকাল থেকে আমরা যতকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়েছি সেখানে ভালো সাড়া পেয়েছি।’ শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের এই প্রতিবদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ভোটার উপস্থিতি কম কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন,‘ সকাল থেকে অনেক কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক ছিল। হয়তো কিছু কেন্দ্রে কম। আশা করি, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার আরও বাড়বে।’
বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হেসেন অভিযোগ করেছেন তার পোলিং এজেন্টকে এই কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে- এই বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি? এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এই অভিযোগ সঠিক না। আমাদের কাছে এ ধরনের কোনও অভিযোগ আসেনি। আমরা সকাল থেকে খোঁজ নিয়েছি বিভিন্ন কেন্দ্রে। তাদের (বিএনপি) পোলিং এজেন্ট কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে রিপোর্ট করেননি বা কেন্দ্রে আসেননি।’
এই কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটারদের ফিঙ্গার প্রিন্ট মিলছে না যা আপনি নিজে দেখেছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুল বাতেন বলেন, ‘কিছু কিছু ভোটারের বয়সের কারণে তাদের আঙুলের ছাপে সমস্যা হয়েছে। এ কারণে হয়তো কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমি নিজেও একজন বয়স্ক ভোটারকে এই সমস্যায় পড়তে দেখেছি। পরে আমি নিজেই তা দেখে ঠিক করে দিয়েছি।’
মো. আব্দুল বাতেন বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেন এলাকার নির্বাচন নিয়ে লিখিতভাবে মাত্র দুটি অভিযোগ এসেছে। এছাড়া মোবাইল ফোনে অনেকগুলো অভিযোগ এসেছে। সবগুলো অভিযোগ আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, শনিবার বেলা ১১ টার দিকে সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজে গিয়ে বিএনপি প্রার্থী ইশরাক হোসেন অভিযোগ করে বলেন, কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। যারা ঢুকেছিলেন তাদেরও বের করে দেওয়া হচ্ছে। এই কলেজটির দুই তলা ভবনের আটটি বু্থের একটি ছাড়া অন্য কোথাও কোনও এজেন্ট নাই। এই কেন্দ্রে একে একে সব বুথে ঢুকে ইশরাক জানতে চান- ধানের শীষের এজেন্ট আছেন কিনা। কিন্তু মাত্র একটি ছাড়া বাকি সাতটি বুথে তিনি তার এজেন্টদের খুঁজে পাননি।
পরে প্রিজাইডিং অফিসার মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চান, কেন এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে? বিষয়টি স্বীকার করে প্রিজাইডিং অফিসার বলেন, ‘এজেন্ট বের করে দেওয়ার পর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি।
এ সময় পাশে থাকা একজন এজেন্ট ইশরাককে বলেন, ‘কয়েকজন যুবক এসে আমাদের বের হয়ে যেতে বলেছে। পরে আমি বের হয়ে গেছি।’ তখন তাৎক্ষণিকভাবে এক পুলিশ কর্মকর্তা ওই এজেন্টকে বুথে বসিয়ে দেন।

 

১২:০৭, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

ইভিএম-এ কেউ খুশি, কেউ বেজার

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ভোট দিয়ে বের হওয়ার পর একজন ভোটারঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। ফলে অনেক ভোটার প্রথমবারের মতো ইভিএম-এ ভোট দিয়েছেন।  ভোট দেওয়ার পর তারা ভালো-মন্দ দু’ধরনের প্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছেন। কীভাবে ভোট দেবেন, ভোট দিতে পারবেন কিনা, ব্যালটের মতো লুকিয়ে নাকি সবার সামনে ভোট দিতে হবে এসব প্রশ্ন নিয়ে কেন্দ্রে গিয়েছিলেন ভোটাররা। তবে ভোট দিয়ে অনেকেই খুশি মনে বেরিয়েছেন।  তারা বলছেন, এই পদ্ধতি যদি সঠিকভাবে চালু রাখা যায় তাহলে এর চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না। যারা কিছুটা নাখোশ তারা বলছেন, এই যন্ত্রের ওপর আস্থা আনতে সময় লাগবে।

ভিকারুন্নেসা নুন স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন জাকির মিয়া। তিনি বলেন, ‘কীভাবে ভোট দেবো তা নিয়ে ভয়ে ছিলাম। কিন্তু পদ্ধতি বেশ সহজ, ভালোই লাগছে।’

উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বেরিয়ে চিকিৎসক সালমা পারভীন বলেন, ‘উপায়টা সহজ, তবে যারা লেখাপড়া জানেন না তাদের জন্য এটা কঠিন হবে।’

ইভিএম মেশিনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ভোটার ফৌজিয়া সুলতানা ভোট দিয়েছেন উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে। তিনি বলেন, ‘ইভিএম পদ্ধতি আসলেই বেশ ভালো ও সহজ। যদি এই পদ্ধতি ঠিকভাবে চালু করা যায় তাহলে খুব ভালো হবে।’

ভোট দিতে এসেছিলেন দুই গার্মেন্টস কর্মী। ইভিএম সম্পর্কে তাদের ধারণা ছিল না। তারা জানান, বাসায় গিয়ে আগেই বলেছিলে কেমনে কেমনে চাপ দিয়ে ভোট দিতে হবে। বুথেও দেখিয়ে দিয়েছে। আগামীবার আর দেখাতে হবে না। আসলেই মেশিনে ভোট দেওয়া সহজ।

সকাল সকাল বেশ কয়েকটা কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে টেকনিক্যাল সমস্যার খবর পাওয়া গেছে। মোহাম্মদপুর নুরজাহান রোডের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রের ১ নম্বর কক্ষে মেশিনে কাগজ আটকে যাওয়ায় ভোটগ্রহণ শুরুই হয় প্রায় ৪০ মিনিট পর।

কেন্দ্রে বাইরে ভোটাররা

মিরপুর এলাকায় ভোটার তারেক হোসেন ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্র থেকে বিরক্ত হয়ে বেরিয়ে আসেন। কেন ভোট না দিয়ে বের হয়ে এলেন প্রশ্ন করলে বলেন,  ‘ভোট দিয়ে অফিসে যাবো ভেবেছিলাম। ভোটার বেশি না, কিন্তু পদ্ধতি না জানায় একজনেরই অনেক সময় লাগছে।’

ভোট দিতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নন্দিতা দাশ। কোনোভাবেই তার ফিঙ্গার প্রিন্ট মিলছিল না। প্রায় ১৫ মিনিট চেষ্টার পর তিনি ভোট দিতে পারেন। এরপর তিনি বলেন, ‘শেষের বার ভেবেই রেখেছিলাম এটাই লাস্ট, না হলে চলে যাবো। কিন্তু শেষবার ভোটটা হয়ে গেল। সবাইতো আর এতবার ট্রাই করবে না। আবার সবার পক্ষে ক্যানসেল কনফার্ম বোঝাও সম্ভব না।’

এদিকে সকাল সকাল বেশ কয়েকটা কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে টেকনিক্যাল সমস্যার খবর পাওয়া গেছে। মোহাম্মদপুর নুরজাহান রোডের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রের ১ নম্বর কক্ষে মেশিনে কাগজ আটকে যাওয়ায় ভোট গ্রহণ শুরুই হয় প্রায় ৪০ মিনিট পর।

আরও পড়ুন:

 

‘নৌকার কোনও ব্যাক গিয়ার নেই’

 

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

হারজিত যাই হোক ফল মেনে নেবো: আতিক

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

ভোটার উপস্থিতি কম, কিছু কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

সিইসি’র আঙুলের ছাপ মিললো না ইভিএমে

 

১২:০৪, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

সিইসি’র আঙুলের ছাপ মিললো না ইভিএমে

আমানুর রহমান রনি

ভোট দিচ্ছেন সিইসিউত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরের আইইএস স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। তবে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) মেশিনে তার ফিংগার প্রিন্ট মেলেনি। পরবর্তী সময়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর দিয়ে তিনি ভোট দিয়েছেন।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১১টার দিকে সিইসি ভোট দিতে আসেন। কলেজ ভবনের দোতালায় ৮ নম্বর বুথে তিনি ভোট দিতে যান। ইভিএম মেশিনে তার দুই হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি স্ক্যান করা হয়। তবে কোনোটিই ম্যাচ করেনি। এরপর দ্রুত কর্মকর্তারা তার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। এরপর তিনি ভোট দিয়ে চলে যান।

সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সিদ্দিকা বুলবুল এ বিষয়ে বলেন, ‘সিইসির প্রথম দুটি বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে তা ম্যাচ করেনি। পরে আমরা আর চেষ্টা করিনি। তাড়াহুড়োর কারণে এবং ভোটাগ্রহণ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য আমরা তার এনআইডি নম্বর দিয়ে ভোট নিয়েছি।’

ইভিএম মেশিনে ফিংগার প্রিন্ট না মেলার বিষয়ে পরে সাংবাদিকদের সিইসি বলেন, ‘কারও ফিংগার প্রিন্ট না মিললেও ভোট দেওয়ার তিন-চারটি উপায় আছে। সেভাবে তারা ভোট দিতে পারবেন।’

আরও পড়ুন- 

ভোটার উপস্থিতি কম, কিছু কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

১৪টি অভিযোগ পেয়েছি: উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

‘নৌকার কোনও ব্যাক গিয়ার নেই’

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

১১:৫৫, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

নির্মাণাধীন ভবনেই ভোট কেন্দ্র!

সাদ্দিফ অভি

নির্মাণাধীন ভবনে ভোট কেন্দ্রঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮ থেকে অডিট কার্ড বা শূন্য ভোট প্রিন্টের মাধ্যমে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। রাজধানীর মোহামদপুর এলাকার কয়েকটি ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে সেখানে কেন্দ্রের ভেতরে নির্মাণাধীন ভবনেই করা হচ্ছে ভোট গ্রহণের কাজ। এসব ভবনে কাজ করতে গিয়ে নানা সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়েছে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের।নির্মাণাধীন ভবনে ভোট কেন্দ্র

মোহাম্মদপুরের বেঙ্গল মিডিয়াম হাই স্কুলের পুরাতন ভবন একটি। এই ভবনের দুই তলায় একটি রুমে ভোট গ্রহণ চলছে। আর একটি রুমে প্রিজাইডিং অফিসার বসেন। এই স্কুলের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে নতুন ভবন। এই ভবনের সঙ্গে পুরাতন ভবনের দূরত্ব প্রায় এক হাত। নির্মাণাধীন এই ভবনের দরজা জানালা কিছুই নেই। বারান্দায় নেই দেয়াল। এখানে কয়েকটি কক্ষে বসানো হয়েছে ইভিএম মেশিন। দুই বিল্ডিংয়ের মাঝে চলাচলের জন্য রাখা হয়েছে স্কুলের হাই বেঞ্চ। এর ওপর পা রেখে এক বিল্ডিং থেকে আরেক বিল্ডিং যাচ্ছেন ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নির্মাণাধীন ভবনে ভোট গ্রহণের মতো কাজে সমস্যা হয় কিনা জানতে চাইলে এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. রেজাউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এখানে অনেক সমস্যা। ধুলাবালি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করা খুব কঠিন। কিন্তু কিছু করার নেই। আমাদের আর কোনও উপায় নেই।’নির্মাণাধীন ভবনে ভোট কেন্দ্র

নির্মাণাধীন ভবনে ভোট দিতে এসে অবাক হচ্ছেন ভোটাররা। তারা বলছে এরকম উন্মুক্ত অবস্থায় ধুলাবালির মধ্যে কীভাবে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয় এটা বোধগম্য না।

অন্যদিকে মোহাম্মদপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়েও নির্মাণাধীন ভবনে চলছে ভোটগ্রহণ। এই ভবনের পুরোটাই নারীদের জন্য রাখা হয়েছে। এখানে ৫টি কক্ষে ৯টি বুথ বসানো হয়েছে। কিন্তু কোনও কক্ষের দরজা জানালা নেই। ভবনটির দোতলায় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে ভোটের জন্য। আর ভবনে প্রবেশের মুখে উচ্চতা কমানোর জন্য রাখা হয়েছে বালির বস্তা।নির্মাণাধীন ভবনে ভোট কেন্দ্র

এই প্রসঙ্গে এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার হুমায়ুন কবির মজুমদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এখানে বসার মতোও কিছুর ব্যবস্থা ছিল না। আমাকে অন্য বিল্ডিং থেকে চেয়ার টেবিল এনে এখানে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। এখানে লেবার দিয়ে কাজ করতে হয়েছে। এর জন্য তো নির্বাচন কমিশন আলাদা কোনও ব্যবস্থা করেনি।’নির্মাণাধীন ভবনে ভোট কেন্দ্র

প্রসঙ্গত, এবারই প্রথম ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের সব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হচ্ছে ইভিএমে। দুই সিটিতে ভোটগ্রহণের জন্য ২৮ হাজার ৮৭৮টি ইভিএম প্রস্তুত করা হয়েছে। ঢাকা উত্তরে ১৫ হাজার ৭০০টি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৩ হাজার ১৭৮টি ইভিএম মেশিন থাকবে। এ নির্বাচনে দুই সিটিতে ২ হাজার ৪৬৮টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন ৫৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬৭ জন ভোটার।

আরও পড়ন- 

ভোটার উপস্থিতি কম, কিছু কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

১৪টি অভিযোগ পেয়েছি: উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

‘নৌকার কোনও ব্যাক গিয়ার নেই’

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

১১:৪১, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

বিএনপি বানোয়াট ও মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে: শেখ সেলিম

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

বনানীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শেখ সেলিম

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে বিএনপির লোকজন কিছু কিছু জায়গায় বানোয়াট ও মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বনানীতে উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই অভিযোগ করেন।

এসময় শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ শান্ত রয়েছে। আমাদের কাছে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর আসেনি। বিএনপির লোকজন কিছু কিছু জায়গায় বানোয়াট ও মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছেন। তারা ঠিকই ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোট দিয়ে আসছেন, তারপরও মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে কারচুপির অভিযোগ আছে, কিন্তু কারচুপি করার কোনও সুযোগ নেই। এই নির্বাচনে সবাই আছে, মিডিয়া থেকে শুরু করে সবাই মনিটরিং করছে। আমরা কারচুপির নির্বাচন বিশ্বাস করি না।’

সবার কাছে যেন নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয় সেই চেষ্টা হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে কোনও দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আপনারা জানেন- জনগণের ভালোবাসা নিয়ে আমরা রাজনীতি করতে চাই। আমাদের নেত্রী তো বলছেন-যাকে খুশি তাকে ভোট দেবেন। আমরা এই নীতিতেই বিশ্বাস করি। আমরা কোনও ধরনের ডাকাতির নির্বাচন করতে চাই না।’

এক প্রশ্নের জবাবে শেখ সেলিম বলেন, ‘তারা তো (বিএনপি) অপ্রীতিকর ঘটনার কথা বলে, কিন্তু তারা যদি কোথাও এজেন্ট না দেয় এর দায়িত্ব কে নেবে?’

কাউন্সিলর নির্বাচনের বিষয়ে শেখ সেলিম বলেন, ‘সেটার সঙ্গে মেয়র ইলেকশন অনুভবে সংশ্লিষ্ট। কিন্ত সেটা আমরা একসঙ্গে করতে চাই না। আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থীদের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটানো হয়নি। গোলাগুলির জন্য আমরা দায়ী নই। যারা করেছে তারা জানে। আবার এসব কমিশনাররাও করতে পারেন।’

বিএনপির বিভিন্ন অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন কে কী বলবে, তার দায় আমরা নেবো না। হেরে গেলে বলবেন- কারচুপি হয়েছে, আর জিতলে বলবেন যে- কারচুপি হয়নি।’

এসময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী একরামুল হক শামীমসহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

১১:৩৬, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

আস্থাহীনতার কারণে ভোটার উপস্থিতি খুব কম: কামাল হোসেন

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ড. কামাল হোসেন

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমন্বয়কারী এবং গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ভোটার উপস্থিতি খুবই কম। দুই হাজার ৬০০ ভোটারের মধ্যে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ১০০ ভোটও পড়েনি, এটা জনগণের আস্থাহীনতা।

ঢাকা সিটি নির্বাচনে দক্ষিণের ভোটার ড. কামাল হোসেন। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ভিকারুননিসা নূন স্কুলে ভোট দিতে এসে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, সবাই ভোট দিতে আসুক।’ ইভিএম পদ্ধতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি নিজেই দেখলাম ইভিএম পদ্ধতি খুবই জটিল। অনেক সময় লাগছে।’ ভোটের পরিবেশ সম্পর্কে ড. কামাল বলেন, ‘আমরা অনেক অভিযোগ পাচ্ছি। অনেক কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে সকাল সোয়া ১০টায় কেন্দ্রে ঢুকে তিনি তিন তলায় যান। ৮২ বছর বয়সী ড. কামাল হোসেন এসময় দোতালার সিঁড়িতে বসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন। এরপর ১০টা ২৫ মিনিটে তিনি তিন তলার ভোটকক্ষে প্রবেশ করেন। এই সময় তিনি আঙুলে ছাপ দিয়ে তার ভোটার আইডি নম্বর ৩৬১ মেলানোর চেষ্টা করেন। বয়সের কারণে আঙুলের ছাপ মিলছিল না। এরপর সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার কাউসার-ই জাহান তার আইডি নম্বর মিলিয়ে আঙুলে ছাপ দিয়ে আইডি মেলান। এরপর ড.কামাল হোসেন ভোট প্রদান করেন।

আরও পড়িুন: 

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

‘কেন্দ্রে অলস সময় কাটাচ্ছেন সবাই’

সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

১১:২১, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

১৪টি অভিযোগ পেয়েছি: উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

নারিন্দা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম বলেছেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৩১৮টি, এর মধ্যে আমি ১৪টি অভিযোগ পেয়েছি, যা ১ শতাংশের চেয়েও কম। আমি সব অভিযোগ সমাধান করে দিয়েছি। যারা অভিযোগ করেছিলেন, তাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তাদের সন্তুষ্টি আদায় করেছি। সমস্যা সমাধানের পর সারাদিন এমন পরিবেশের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। আমি বলেছি, এমন পরিবেশ থাকবে।’

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরে আইই স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম বলেন, ‘আমি এখানে আসার আগে বাড্ডা সাতারকুল, মোহাম্মদপুর রেসিডেন্সিয়াল স্কুল ও কলেজে, লালমাটিয়াসহ মোট ১৪টি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগকারীরা ফোনে আমাকে জানিয়েছেন, ভোটকেন্দ্রের তুলনায় যা এক শতাংশের চেয়ে কম। আমি যখন যে অভিযোগ পেয়েছি, তা সমাধান করেছি। যারা ঝামেলা করেছে, আমি তাদের বলেছি ভোটকেন্দ্র বন্ধ করে আপনাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের মেয়র প্রার্থী ও কাউন্সিলর প্রর্থীদের পোলিং এজেন্টকে কোনও কোনও ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি সকাল থেকে যেসব কেন্দ্রে গিয়েছি, সেখানে সব প্রার্থীদের এজেন্ট দেখেছি। কারও কোন সমস্যা আছে কিনা, নিজে ডেকে তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। কোথাও এজেন্ট নেই, এরকম আমি পাইনি।  প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থী ছয়জন হলেও মূলত চার জন প্রার্থীর এজেন্ট আছে।’

বায়োমেট্রিক মেশিনে অনেকের আঙুলের ছাপ ম্যাচ না করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এমন অভিযোগগুলো লিখে নিচ্ছি। তাদের জন্য ব্যবস্থা একটি আছে। যাদের ম্যাচিং হবে না, সেগুলো আমরা লিখে রাখছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘উত্তরের সব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। ভোটাররা এসে সবাই ভোট দিতে পারছেন। তবে ভোটার উপস্থিতি একটু কম। কারণ আমাদের ঢাকার যুবকরা একটু লেট করে ঘুম থেকে জাগেন। আমরা আশা করছি বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার বাড়বে।’

ছবি: নাসিরুল ইসলাম

১১:১৭, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিএনসিসির ফল ঘোষণা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

 রিটার্নিং অফিসারের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের কাছে ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ব বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তন থেকে ফল ঘোষণা করা হবে।
এরই মধ্যে মিলনায়তনের সাজসজ্জার কাজ শেষ হয়েছে। ব্যানার টানানো হয়েছে, অতিথিদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুই-একটি গণমাধ্যম (বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল) কর্মীকে লাইভ সম্প্রচারের জন্য সেখানে যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে দেখা গেছে। তবে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কাউকে সেখানে দেখা যায়নি।
অস্থায়ী প্যান্ডেল তৈরির কাজ অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলা হল মাঠে তাবু টানিয়ে অস্থায়ী প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। সেখানেও গোছগাছের কাজ চলছে। এই প্যান্ডেলে ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন সামগ্রী ও ইভিএম এনে রাখা হবে। মাঠের প্রস্তুতির কাজ এবং নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়ায় মাঠে নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতি নেই বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সকাল থেকে মাঠে উপস্থিত আছেন। তাদের গল্পগুজব করে অলস সময় কাটাতে গেছে।

 

 

 

১১:১২, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

২০০ এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ইসলামী আন্দোলনের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রের ২০০ এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছে ইসলামী আন্দোলন। দলটির উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মিডিয়া সমন্বয়ক কে এম শরীয়াতুল্লাহ এ অভিযোগ করেন।

মিডিয়া সমন্বয়ক শরীয়াতুল্লাহ বলেন, শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনের দিন উত্তরা, গুলশান, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর, শেরেবাংলা, ভাষানটেক, দারুস সালাম ও হাতিরঝিল থানার ২৫টির বেশি কেন্দ্র থেকে হাতপাখার দুই শতাধিক পোলিং এজেন্টকে জোরপূর্বক বের করে দিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুন:

দোষারোপ না করতে তাবিথের প্রতি আতিকের আহ্বান

 

‘নৌকার কোনও ব্যাক গিয়ার নেই’

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

হারজিত যাই হোক ফল মেনে নেবো: আতিক

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

ভোটার উপস্থিতি কম, কিছু কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

 

 

১১:১১, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

ভোট পর্যবেক্ষণে বিএনপি নেতারা, দুপুরের পর ব্রিফিং

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপি নেতারাঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতারা অবস্থান করছেন। তারা জানিয়েছেন, শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে শুরু হওয়া ভোটে নানা অনিয়মের খবর পাচ্ছেন তারা। তবে আজ দুপুরের আগে তারা আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য করতে চান না।

শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে আরও তথ্য নিয়ে ব্রিফ করবে বিএনপি। সিটি ভোটে দলের পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বক্তব্য দেবেন, তবে সেটা দিতে দুপুর হতে পারে।গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপি নেতারা

সকাল ১০টার আগেই মির্জা ফখরুল, মওদুদ আহমদ, শামা ওবায়েদ গুলশান কার্যালয়ে আসেন। এরপর সকাল ১০.২৫ মিনিটের দিকে আসেন ড. আব্দুল মঈন খান, সকাল সাড়ে ১০টায় কার্যালয়ে পৌঁছান ড. মোশাররফ হোসেন।

সকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) দলের প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। তারা নিয়মিত মহাসচিবকে নির্বাচনের আপডেট জানাচ্ছেন।নয়া পল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীরা

বিএনপি নেতারা জানান, ঢাকা সিটি ভোটে তাদের কাছে নানা অনিয়মের খবর আসছে। দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ জানান, ‘দলের নেতারা সিদ্ধান্ত নেবেন কখন ব্রিফ হবে। তবে এখন পর্যন্ত আমরা পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার খবর পেয়েছি। ভয়ভীতি দেখিয়ে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেওয়ার খবর এসেছে। ভোটারদের মধ্যে ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’

বিএনপির সিনিয়র এক নেতা জানান, ব্রিফিং গুলশান নাকি নয়া পল্টনে হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। আরও পরে জানা যাবে।

এদিকে, নয়া পল্টনে বিএনপির কার্যালয়ের নিচে ও ভেতরে মিলিয়ে অন্তত দুই শতাধিক নেতাকর্মী আছেন। দলের চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মহাসচিব মির্জা ফখরুল কার্যালয়ে আছেন। অনেকে ভোট দিতে না পেরে ফিরে এসেছেন। কেউ কেউ ভোট দিতে না পারার অভিযোগ করছেন।’ যারা ফিরে এসেছে তাদের আবারও ভোট দিতে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ন- 

ভোটার উপস্থিতি কম, কিছু কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

১৪টি অভিযোগ পেয়েছি: উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

 

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

‘নৌকার কোনও ব্যাক গিয়ার নেই’

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

 

১১:০২, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

ইভিএমে শুরুতেই বিপত্তি!

সাদ্দিফ অভি

ইভিএমঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণের শুরুতেই দুটি কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে বিপত্তির ঘটনা দেখা গেছে। এ কারণে ভোট গ্রহণ শুরু করতেও কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের দুটি কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। ইভিএম মেশিন নিয়ে কিছু সময়ের জন্য ঝামেলা পোহাতে হয়েছে এখানকার প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের। 

মোহাম্মদপুর নূরজাহান রোডের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে সকাল ৮টায় অডিট কার্ড প্রিন্ট করে শূন্য ভোট গণনা সবার সামনে দেখিয়ে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। কেন্দ্রের ১ নম্বর কক্ষে মেশিনে কাগজ আটকে যাওয়ায় ভোট গ্রহণ শুরু হয় প্রায় ৪০ মিনিট পর। এসময় ভোট কক্ষের বাইরে ভোটারদের বিরক্ত হয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

ভোটার এস এম আক্কাস আলী বিষয়টিকে ‘বিরক্তিকর’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সকাল ৮টার দিকে ভোট দিতে আসলেও এই দীর্ঘসময় তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে শুধুমাত্র মেশিনের সমস্যার কারণে। তবে ইভিএমে ভোট দেওয়া সহজ প্রক্রিয়া বলেও জানান তিনি।

বিলম্বের বিষয়ে জানতে চাইলে এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ইমতিয়াজ আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে ‘একটু টেকনিক্যাল প্রবলেম ছিল। যখন প্রিন্ট বের হচ্ছিল তখন ভেতরে কাগজটি আটকে যায়। তখন পুরো মেশিনটি বন্ধন করে আবারও চালু করতে হয়েছে। ইলেকট্রনিক মেশিন  তো অনেক সময় সমস্যা করে। অন্য কোনোটাতে হয়নি, কেবল আর এটাতেই হয়েছে। ’

অন্যদিকে, পাশের একটি কেন্দ্রেও মেশিনে ফিঙ্গার প্রিন্ট পড়ার সমস্যার কথা জানালেন ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার। প্রাইমারি স্কুলের ঠিক পাশে বেঙ্গল মিডিয়াম হাই স্কুলের প্রিজাইডিং অফিসার মো. রেজাউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মেশিনের শুরুতে একটু সমস্যা দিচ্ছিল।  মূল সমস্যাটা ইভিএম মেশিনে,  ফিঙ্গার প্রিন্ট ঠিক মতো মিলছে না।  অনেকবার চেষ্টা করতে হয়েছে।  এ কারণে  সময়ও বেশি লাগছে।  যেখানে এক মিনিট লাগতো সেখানে হয়তো কয়েক মিনিট লেগে যাচ্ছে। ’

এছাড়া ভোট দিতে এসে ভোট কক্ষ নিয়েও বিভ্রান্তির শিকার হচ্ছেন ভোটাররা। মোহাম্মদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নির্বাচন কমিশন থেকে বিভিন্ন কক্ষের সিরিয়াল করে দেওয়া হয়েছে । কিন্তু সিরিয়াল অনুযায়ী, কক্ষ মিলছে না অনেকেরই। যার কারণে কয়েকটি কক্ষে ঘুরতে হচ্ছে ভোটারদের। এই বিষয়ে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বলেন, ‘সিরিয়াল নম্বর কমিশন থেকে দেওয়া আছে। সেই অনুযায়ী কক্ষের সামনে সিরিয়াল নম্বর টানানো আছে। কিন্তু এই এলাকায় দুটি আলাদা ব্লক আছে। যে কারণে সিরিয়াল নিয়ে একটু বিভ্রান্তি হচ্ছে। এখানে আমাদের কিছু করা নেই। এটা নির্বাচন কমিশন থেকে দেওয়া। তারা আমাদের ব্লক আলাদা করে দেয়নি।’

অন্যদিকে এই এলাকার কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে তেমন ভোটার উপস্থিতি চোখে পড়েনি। কেন্দ্রে কর্মীদের প্রচুর সমাগম থাকলেও ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম।

আরও পড়িুন: 

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

‘কেন্দ্রে অলস সময় কাটাচ্ছেন সবাই’

সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

 

 

 

১০:৫৫, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

‘কেন্দ্রে অলস সময় কাটাচ্ছেন সবাই’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল কেন্দ্রে ভোটার নেই রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের ভোটকেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। ভোট দিয়ে বেরিয়ে এই কেন্দ্রের এক নারী ভোটার জানান, ভোটার নেই। অলস সময় কাটাচ্ছেন সবাই।
দেখা গেছে, এই কেন্দ্রে পাঁচটি বুথ করা হয়েছে। মোট ভোটার ১ হাজার ৬৮৪ জন। এই পাঁচটি বুথ ঘুরে দেখা গেছে, কেন্দ্রে ভোটার রয়েছেন দুই-একজন।

বিএনপির পোলিং এজেন্ট নেই
বিএনপির পক্ষের পোলিং এজেন্টদের চোখে পড়েনি এই কেন্দ্রে। ২ নম্বর বুথে ভোটার সংখা ২৯১ জন। সকাল ১০টা পর্যন্ত এই বুথে ভোট দিয়েছেন ১১ জন। ভোটার না থাকায় বারান্দায় রোদ পোহাচ্ছেন পোলিং কর্মকর্তারা।
ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার সাধন কুমার বলেন, কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ১ শতাংশও নেই। একেবারেই উপস্থিতি নেই।
এই কেন্দ্রের নারী ভোটকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে সালমা পারভীন নামের একজন ভোটার বলেন, ‘ভোট দেওয়ার সিস্টেম আমাদের জন্য সহজ, কিন্তু যারা লেখাপড়া জানেন না তারা এটা দিতে পারবেন না। ভোটার নেই। অলস সময় কাটাচ্ছেন সবাই।’
ভোটকেন্দ্রে প্রধান বিচারপতিএই কেন্দ্রে সকাল ১০টা ২৩ মিনিটে স্ত্রীকে নিয়ে ভোট দিতে আসেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘সিস্টেমের ভেতর কোনও গোলমাল নেই। খুবই ভালো সিস্টেম।’

এই ভোটকেন্দ্রে তিনটি বুথে পুরুষ ও দুটি বুথে নারীদের ভোট নেওয়া হচ্ছে। ১ নম্বর বুথে মোট ভোটার ২৯২টি। এর মধ্যে ভোট পড়েছে ১৭টি। ২ নম্বর বুথে মোট ভোটার ২৯২টি। ভোট দিয়েছেন ৮ জন। ৩ নম্বর বুথে ২৯১টি ভোটের মধ্যে ১২ জনের ভোট পড়েছে। ৪ নম্বর বুথে ৪০৫ ভোটের মধ্যে ৫ জন ভোট দিয়েছেন। এছাড়া ৫ নম্বর বুথে ৪০৪ ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ১৬টি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ভোটার বলেন, ‘পেঁয়াজের কেজি ১৬০ টাকা। ভোট দিলে তো তা কমে ৬০ টাকা হবে না। ভোট দিয়ে লাভ কী?’
৩ নম্বর বুথের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার নিত্যনন্দ গায়েন বলেন, ‘১১টা বেজে গেছে। অথচ ভোটার নাই। আগে শুনতাম ভোটের দিন একটা উৎসব। কিন্তু আজকে মনে হয় ঢাকার মানুষ সবাই ঘুমাচ্ছে।’

১০:৫৪, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

ইশরাকের নিজ কেন্দ্রেই ছিল না ধানের শীষের এজেন্ট

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ভোট প্রদানের পর ইশরাক হোসেন

ভোট শুরু হওয়ার প্রায় একঘণ্টা পরও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনের নিজ কেন্দ্রে তার পোলিং এজেন্টকে পাওয়া যায়নি। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে শহীদ শাহজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেওয়ার সময় এই তথ্য জানতে পারেন তিনি।

পোলিং এজেন্ট না থাকার কারণ জানতে চাইলে ইশরাক হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই বিষয়টি মাত্র আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তবে কেন নেই বিষয়টি দেখবো এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা করবো।’ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলা শেষে সকাল ৯টার পরে ইশরাক নিজেই পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশ করিয়ে দেন।  

স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকে এই কেন্দ্রের সামনে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মহড়া দিয়েছে। এই কারণে বিএনপির পোলিং এজেন্ট এলেও কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারেননি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ইশরাক হোসেন বলেন, ‘১৬ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ওপর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা করেছে। এই ওয়ার্ডের কালাবাগান খান হাসান স্কুল কেন্দ্রে নিজের পোলিং এজেন্ট নিয়ে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে মারধর করা হয়।’

এছাড়া ২২ নং ওয়ার্ডের হাজারীবাগ থানার সালেহা স্কুল ও নবাবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৮ নং ওয়ার্ড, ২২ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

১০:৪৮, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

ভোটার উপস্থিতি কম, কিছু কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ভোটার নেই কেন্দ্রেঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। প্রথমবারের মতো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট নেওয়া হচ্ছে এই দুই সিটিতে। সকাল ৮টায় এই ভোট শুরু হয়। তবে বেলা ১০টা পর্যন্ত বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি খুবই কম। কিছু কেন্দ্রে ভোটার নেই বললেই চলে। নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারীদের অলস সময় পার করতে দেখা গেছে এসব কেন্দ্রে। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একটি কেন্দ্রের সামনে দুই কমিশনার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল কেন্দ্র

রাজধানীর উত্তরা, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি খুব কম। হাতেগোনা দুয়েকটি কেন্দ্র ছাড়া কোথাও ভোটারদের লাইন ছিল না। দুয়েকজন ভোটার এসে ভোট দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছেন।  

বারিধারায় কালাচাঁদপুর স্কুলকেন্দ্রে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়ে তিনটি।উত্তরায় ৫ নম্বর সেক্টরে আইইএস স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে ভোটার নেই

রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে পাঁচটি বুথ করা হয়েছে। মোট ভোটার ১৬৮৪ জন। বুথগুলো ঘুরে দেখা যায়, কোনও ভোটার নেই। ২ নম্বর বুথে ২৯১ জন ভোটারের মধ্যে ১১ জন ভোট দিয়েছেন সকাল ১০টা পর্যন্ত। এই কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার সাধন কুমার বলেন, ‘ভোটার উপস্থিতি ১ পারসেন্টও না। বলতে গেলে একেবারেই ভোটার নেই।’যাত্রাবাড়ীতে ভোট শুরুর পর একটি কেন্দ্রে লাইন ছিল ভোটারদের

মগবাজারে শের-ই-বাংলা স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে কোনও ভোটার চোখে পড়েনি। ভোটার না থাকায় বারান্দায় রোদ পোহাতে দেখা যায় পোলিং কর্মকর্তাদের।মগবাজারে ভোটারবিহীন কেন্দ্রে অলস সময় পার করছেন নির্বাচনি কর্মকর্তারা

রা‌য়ের বাজারে লোটাস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ভোট‌কেন্দ্রে কোনও লাইন চোখে পড়েনি। ছয়টি ভোটক‌ক্ষে প্রথম এক ঘণ্টায় ভোট দিতে আসেন ২০ জন। কে‌ন্দ্রের দা‌য়িত্বরত পু‌লিশ সদস্য শ‌ফিক এই তথ্য নিশ্চিত করেন।গেন্ডারিয়ায়ই দুই কমিশনার প্রার্থীর সমর্থকদের ভাঙচুর

এদিকে গেন্ডারিয়া হাইস্কুলের সামনে দুই কমিশনারের লোকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। কেন্দ্রের বাইরে চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই সংঘর্ষের জেরে ওই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল।নারিন্দায় ভোটকেন্দ্রের বাইরে সংঘর্ষ

নারিন্দা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। 

বাধার অভিযোগ বিএনপির

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়া এবং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির দুই মেয়র প্রার্থী। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় গুলশান-২ এর মানারাত ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ভোট দেওয়ার পর উত্তরের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। এসময় তিনি এসব অভিযোগ করেন।  এজেন্ট ও ভোটারদের বাধার অভিযোগ করেন তাবিথ আউয়াল

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কালাচাঁদপুর স্কুল কেন্দ্রে যান তাবিথ। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ কেন্দ্রে ভোটারদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের এজেন্টদেরও বের করে দিয়েছে। আমি এসেছি যেন ভোটারদের অন্তত প্রবেশ নিশ্চিত করতে পারি।’ কেন্দ্রে  উপস্থিত থাকা পুলিশ সদস্যদের কাছে তিনি অভিযোগ জানান। সরেজমিনে দেখা গেছে, এই কেন্দ্রটি ভোটার শূন্য। গণমাধ্যমের কর্মীদের দেখে লাইনে দাঁড়ান নৌকার কার্ডধারী লোকজন। তবে লাইনে দাঁড়ালেও কাউকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেখা যায়নি।ভোটের শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার অঙ্গীকার ইশরাক হোসেনের

বনশ্রী আইডিয়াল স্কুলেও ভোটার ও এজেন্ট প্রবেশ করতে না দেওয়ার অভিযোগ করেন তাবিথ। সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে এই কেন্দ্রে আসেন তিনি। ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে শের-ই-বাংলা স্কুল ও কলেজ পরিদর্শন করে ভোটার ও এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন তাবিথ।

পোলিং এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা শুনেছি, কয়েকটি কেন্দ্রে আমাদের পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। আমরা ম্যাজিস্ট্রেটদের অবহিত করেছি। আমি সশরীরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরবো। কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না।’ভোট দিলেন আতিকুল ইসলাম

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর গোপীবাগের শহীদ শাহজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট দেন তিনি। এরপর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ভোটারদের নিরাপদে ভোট দেওয়ার জন্য যা যা করা দরকার, সব করবো।’

উত্তরের মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম উত্তরা নওয়াব হাবিবুল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজে ভোট দিয়েছেন। মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম ভোট শেষে ডিএনসিসির ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুর্মিটোলা হাইস্কুল ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। সেখানে ভোটারদের উপস্থিতি ভালো রয়েছে।ভোট দিলেন ফজলে নূর তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে ডক্টর মালিকা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। এ সময় জয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ৯টার দিকে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে হারজিত থাকতে পারে, তবে এখন পর্যন্ত আমরা আশাবাদী, ঢাকাবাসী আমাদের নিরাশ করবে না।’ নির্বাচনের পরিবেশের ব্যাপারে তাপস বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত পরিবেশ ঠিক আছে বলেই মনে হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ যেনো বজায় থাকে।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রের ২০০ এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছে ইসলামী আন্দোলন। দলটির উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি মিডিয়া সমন্বয়ক কে এম শরীয়াতুল্লাহ বলেন, শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনের দিন উত্তরা, গুলশান, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর, শেরেবাংলা, ভাষানটেক, দারুস সালাম ও হাতিরঝিল থানার ২৫টির বেশি কেন্দ্র থেকে হাতপাখার দুই শতাধিক পোলিং এজেন্টকে জোরপূর্বক বের করে দিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।

আজ বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট চলছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে ইসি সবার সহযোগিতা চেয়েছে। একইসঙ্গে ভোটারদের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগেরও অনুরোধ করেছে ইসি। বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার মাঠে নেমেছে বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশের মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স।

আরও পড়ুন- 
তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

১০:১৯, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

‘নৌকার কোনও ব্যাক গিয়ার নেই’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

সকালে ভোট দেওয়ার পর আতিকুল ইসলামঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। নৌকার কোনও ব্যাক গিয়ার নেই। আমাদের জয় হবেই।’

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে এসে আতিক এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘ইভিএমে ভোট দেওয়া খুব সহজ ব্যাপার। আমি প্রথমবার ইভিএমে ভোট দিয়েছি। ভোট দিয়ে আমি অনেক উচ্ছ্বসিত। যারা এখনও ভোট দেননি তারা ভোটকেন্দ্রে চলে আসুন।’

এর আগে সকাল ৮টায় উত্তরা নওয়াব হাবিবুল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেন আতিক। ভোট দেওয়ার পর তিনি বলেন, ‘আমার ইচ্ছা ছিল সকাল সকাল ভোট দেওয়ার। আমি দিয়েছি। সবার প্রথমে আমি ভোট দিয়েছি। সকাল সকাল সবাই আসেন, ভোট দিয়ে যান। আশা করি আমাদের জয় হবে। কারণ নৌকা দিয়েছে উন্নয়ন। সেই নৌকা দিয়েছে স্বাধীনতা। নৌকা দিয়েছে লাল সবুজের পতাকা।’ এসময় তার সঙ্গে তার স্ত্রী-মেয়ে ও পরিবারের সদস্যরা ছিলেন।

আরও পড়ুন:

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

 

নিজের প্রথম ভোট নিজেকেই দিলেন ইশরাক

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

হারজিত যাই হোক ফল মেনে নেবো: আতিক

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

০৯:৫৯, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ তাবিথের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

কালাচাঁদপুরের একটি ভোটকেন্দ্রে তাবিথকেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে না দেওয়া এবং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় গুলশান-২ এর মানারাত ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ভোট দেওয়ার পর তিনি বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। এসময় তিনি এসব অভিযোগ করেন।  

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কালাচাঁদপুর স্কুলকেন্দ্রে যান তাবিথ। এসময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ কেন্দ্রে ভোটারদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের এজেন্টদেরও বের করে দিয়েছে। আমি এসেছি যেন ভোটারদের অন্তত প্রবেশ নিশ্চিত করতে পারি।’ কেন্দ্রে  উপস্থিত থাকা পুলিশ সদস্যদের কাছে অভিযোগ জানান তাবিথ।

ঢাকা দক্ষিণের একটি ভোট কেন্দ্রসরেজমিনে দেখা গেছে, এই কেন্দ্রটি ভোটার শূন্য। গণমাধ্যমের কর্মীদের দেখে লাইনে দাঁড়ান নৌকার কার্ডধারী লোকজন। তবে লাইনে দাঁড়ালেও কাউকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেখা যায়নি। এ কেন্দ্রে ০১-০৩ বুথে সকাল ৮.৫৭ পর্যন্ত মাত্র তিনটি ভোট কাস্ট হয়েছে।

এছাড়া বনশ্রী আইডিয়াল স্কুল, শের-ই-বাংলা স্কুল ও কলেজে ভোটার ও এজেন্ট প্রবেশ করতে না দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তাবিথ। সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে এই কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি।

আরও পড়ুন:

নিজের প্রথম ভোট নিজেকেই দিলেন ইশরাক

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

হারজিত যাই হোক ফল মেনে নেবো: আতিক

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

০৯:১৮, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

নিজের ভোট প্রদানের পর ইশরাক হোসেন

পোলিং এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা শুনেছি যে, কয়েকটি কেন্দ্রে আমাদের পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। আমরা ম্যাজিস্ট্রেটদের অবহিত করেছি। আমি সশরীরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরবো। কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না।’

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর গোপীবাগের শহীদ শাহজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট দেন তিনি।

এরপর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত। যদি হামলার স্বীকার হতে হয়, আহত হতে হয়, হবো। তারপরও ভোটকেন্দ্র দখলমুক্ত করে ভোটারদের নিরাপদে ভোট দেওয়ার জন্য যা যা করার দরকার করবো। বাবাকে স্মরণ করে বের হয়েছি। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।’

এসময় ইশরাক আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে ধানের শীষের প্রার্থীরা ৯০ ভাগ পর্যন্ত এগিয়ে আছে। যদি সুষ্ঠুভাবে ভোট হয় এবং প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালন করে, আমরা বিপুল ভোটে জয়ী হবো।’

অভিযোগ করে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘গতকাল রাতে ৩৪ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের ইসহাক সরকার কেন্দ্র দখল করতে গেলে জনগণ প্রতিরোধ করেছে। তারা সেখানে রাতেই মেশিন ওপেন করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এই ঘটনায় আমাদের একজন কর্মীর মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। পরে এলাকাবাসী ধাওয়া দিলে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। আমি মনে করি এটা জনগণের প্রাথমিক বিজয়।’

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘ভোটের আগে একজন সিনিয়র আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের ভোটকেন্দ্র দখল রাখার কথা বলেছেন। এটি একটি উস্কানিমূলক কথা। ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে পারে এরকম মন্তব্য। এটি কোনও দায়িত্বশীল আচরণ নয়। এরপর থেকেই কয়েকটি কেন্দ্রে আমাদের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ এসেছে।’

ছবি: সাজ্জাদ হোসেন 

০৯:১৭, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

নিজের প্রথম ভোট নিজেকেই দিলেন ইশরাক

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ভোট দিচ্ছেন ইশরাক হোসেন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী ইশরাক হোসেন এরবারই প্রথম ভোট দিলেন। নিজের প্রথম ভোট নিজেকেই দিয়েছেন তিনি। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে শহীদ শাহজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন তিনি।

ভোট দেওয়ার পর ভি চিহ্ন দেখান ইশরাক হোসেনভোট দিয়ে ইশরাক বলেন,  ‘আমি আমার জীবনের প্রথম ভোট দিলাম। প্রথম ভোট ধানের শীষে ভোট দিয়েছি। একইসঙ্গে বিএনপি সমর্থিত দুই কাউন্সিলর প্রার্থীকেও ভোট দিয়েছি।’

বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভির লাইন শুক্রবার রাতেই কেটে দেওয়ার অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘লাইন কেটে দেওয়ার কিছু ভিডিও পেয়েছি। যা আপনাদেরকে (সাংবাদিক) শেয়ার করেছি।’

ছবি: নাসিরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

হারজিত যাই হোক ফল মেনে নেবো: আতিক

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

 

 

০৯:০৬, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ভোট প্রদানের পর ফজলে নূর তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু আছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস বলেছেন, ‘নির্বাচনে হারজিত থাকতে পারে, রেজাল্ট যাই হোক তা আমি মনে নেবো। তবে আমি আশা করি ঢাকাবাসী আমাকে নিরাশ করবে না।’ 

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার পরে ধানমন্ডির কামরুন্নেসা গার্লস হাই স্কুল ধানমন্ডি কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

তাপস বলেন, ‘আমরা আজ সব কেন্দ্রে যাবো। যেসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়, সেগুলো পরিদর্শন করবো। ১৭০টি কেন্দ্র তারা দখলের চেষ্টা করবে এমন তথ্য আমাদের কাছে আছে। তবে কোন কেন্দ্র দখল করবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। নির্বাচনের যাতে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে আমরা তা দেখবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা গণসংযোগের সময়ও অভিযোগ নিয়ে ব্যস্ত ছিল, এখনো নালিশ নিয়ে ব্যস্ত। আমরা নির্বাচন ও গণসংযোগ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। আমরা আশাবাদী, আমরা সুনির্দিষ্ট উন্নয়নের রূপরেখা দিয়েছি। তাদের কোনও রূপরেখা ছিল না। তারা নির্বাচনে এসেছে তাদের আন্দোলনের একটি কার্যক্রম হিসেবে। আমার মনে হয়, ঢাকাবাসী উন্নত ঢাকার পক্ষে নৌকা মার্কা ভোট দিয়ে রায় প্রদান করবেন।’

নির্বাচনের পরিবেশের ব্যাপারে তাপস বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত পরিবেশ ঠিক আছে বলেই মনে হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ যেনো বজায় থাকে।’

ছবি: সাজ্জাদ হোসেন 

০৯:০৩, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

হারজিত যাই হোক ফল মেনে নেবো: আতিক

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম নির্বাচনে হারজিত যাই হোক ফলাফল মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, নির্বাচনে হারজিত থাকবেই। ফলাফল যাই হোক তা মেনে নিতে আমি প্রস্তুত আছি।
শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা ১৪ মিনিটে উত্তরার নওয়াব হাবিবুল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১২ নম্বর ভোটকেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তার স্ত্রী, মেয়েসহ পরিবারের সদস্যরা সঙ্গে ছিলেন।
মেয়র প্রার্থী আতিক বলেন, যদি আমার বিপক্ষের প্রার্থী জয়ী হন তাহলে আমি তার সঙ্গে সিটি পরিচালনায় ৯ মাসের অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। আমি যদি জয়ী হই তবে সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে কাজ করবো। আমি বিজয়ী হলে সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও আধুনিক সিটি করপোরেশন উপহার দেবো।
উত্তরার নওয়াব হাবিবুল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে আতিকুল ইসলাম তিনি বলেন, আমি এই কেন্দ্রে প্রথম ভোট দিলাম। ভোট দিতে খুব ভালো লেগেছে। কারণ হাতে কোনও কালি লাগে নাই। সকাল সকাল এসে ভোট দিতে আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি।
আতিকুল ইসলাম বলেন, ১০ জানুয়ারি থেকে ভোটের প্রচারণা শুরু করেছি। আজ ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে ভোট। এই মাসটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমেই ভাষা শহীদদের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।

০৮:৪৬, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

‘শূন্য ভোট’ প্রিন্ট দেখিয়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয় ইভিএমে

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

‘শূন্য ভোট’ প্রিন্ট দেখিয়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয় ইভিএমেঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮ টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সনাতন পদ্ধতিতে নিয়ম অনুসারে ব্যালট বাক্স খালি দেখিয়ে ভোট শুরু করা হয়। কিন্তু ইভিএম সিস্টেমে ব্যালট বাক্স নেই, তাই খালি বাক্স দেখানোর সুযোগও নেই। এজন্য ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ভোট শুরুর আগে ইভিএম-এর ক্ষেত্রে ‘শূন্য ভোট’ গণনার কাগজ প্রিন্ট করা হয়।

সব কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার পোলিং এজেন্টদের সামনে ‘শূন্য গণনা’র প্রমাণ দেখিয়ে এরপর ভোটগ্রহণ শুরু করেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের নিউ মডেল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এমনটি দেখা যায়। এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মীর আনিসুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পোলিং এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট সবার সামনেই শূন্য কাউন্টের অডিট কার্ড প্রিন্ট করে ভোট শুরু করা হয়েছে।’‘শূন্য ভোট’ প্রিন্ট দেখিয়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয় ইভিএমে

প্রসঙ্গত, এবারই প্রথম ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের সব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হচ্ছে ইভিএমে। দুই সিটিতে ভোটগ্রহণের জন্য ২৮ হাজার ৮৭৮টি ইভিএম প্রস্তুত করা হয়েছে। ঢাকা উত্তরে ১৫ হাজার ৭০০টি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৩ হাজার ১৭৮টি ইভিএম মেশিন রয়েছে। ভোটকেন্দ্রে ইভিএমের কারিগরি সহায়তা দিতে সশস্ত্র বাহিনীর ৫ হাজার ১৫ জন সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।

সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় ঢাকা উত্তরে ৩৬টি ও দক্ষিণে ৫৭টি ওয়ার্ড ছিল। এবারের দুই সিটিতে ১৮টি করে মোট ৩৬টি ওয়ার্ড সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এতে বেড়েছে ভোটার ও কেন্দ্র সংখ্যাও। এ নির্বাচনে দুই সিটিতে দুই হাজার ৪৬৮টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন ৫৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬৭ জন ভোটার।

এর মধ্যে পুরুষ ২৮ লাখ ৪৩ হাজার ৮ জন এবং নারী ভোটার ২৬ লাখ ২০ হাজার ৪৫৯ জন। সিটি করপোরেশনের হিসাবে ঢাকা উত্তর সিটিতে মোট ভোটার রয়েছে ৩০ লাখ ১০ হাজার ২৭৩ জন; যার মধ্যে পুরুষ ১৫ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ জন ও নারী ১৪ লাখ ৬০ হাজার ৭০৬ জন। অন্যদিকে দক্ষিণ সিটিতে ভোটার সংখ্যা ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪ জন; যার মধ্যে পুরুষ ১২ লাখ ৯৩ হাজার ৪৪১ জন ও নারী ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫৩ জন।

ছবি: সাদ্দিফ অভি। 

আরও পড়ুন- 
তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

আশা করি ঢাকাবাসী নিরাশ করবে না: তাপস

কোনোকিছুই আমাদের আটকাতে পারবে না: ইশরাক

 

০৮:৩১, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

ভোট দিলেন আতিক ও তাবিথ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

ভোট দিয়েছেন আতিকঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম উত্তরা নওয়াব হাবিবুল্লাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দিয়েছেন। উত্তরের বিএনপির মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল গুলশান-২ এর মানারাত ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ভোট দিয়েছেন। দুই প্রার্থীই শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় তাদের ভোট দিয়েছেন।

ভোট দেওয়ার পর আতিক বলেন, ‘আমার ইচ্ছা ছিল সকাল সকাল ভোট দেওয়ার। আমি দিয়েছি। সবার প্রথমে আমি ভোট দিয়েছি। সকাল সকাল সবাই আসেন, ভোট দিয়ে যান। আশা করি আমাদের জয় হবে। কারণ নৌকা দিয়েছে উন্নয়ন। সেই নৌকা দিয়ে স্বাধীনতা। নৌকা দিয়েছে লাল সবুজের পতাকা।’ এসময় তার সঙ্গে তার স্ত্রী-মেয়ে ও পরিবারের সদস্যরা ছিলেন।

ভোট দিয়েছেন তাবিথভোট দেওয়ার পর তাবিথ বলেন, ‘আমরা হাল ছাড়ছি না। আমাদের মনোবল শক্ত আছে। আমাদের শক্তি হলো জনগণ। জনগণের শক্তি নিয়ে আমরা সারাদিন মোকাবিলা করবো।’

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৩ জন মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। আরও রয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, গণফ্রন্টের আব্দুস সামাদ সুজন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আকতার উজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লা, ইসলামি আন্দোলনের মো. আবদুর রহমান ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) বাহারানে সুলতান বাহার।

 

এদিকে, ঢাকা উত্তর সিটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আতিকুল ইসলামের সঙ্গে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বিএনপির তাবিথ আউয়াল। এছাড়া, এ সিটিতে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন—কমিউনিস্ট পার্টির ডা. আহাম্মদ সাজেদুল, এনপিপির মো. আনিসুর রহমান দেওয়ান, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি)-এর শাহীন খান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।

আরও পড়ুন:

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

০৮:০১, ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২০

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক

ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী, ছবি: পিএমওঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি।

ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি ভোট দিয়েছি। কাউন্সিলর পদে শিলু ও বাবলাকে ভোট দিয়েছি। আমি দক্ষিণের ভোটার, তাপসকে ভোট দিয়েছি। আমরা আহ্বান করবো ঢাকাবাসীকে সুষ্ঠুভাবে ভোট দেওয়ার জন্য। ভোটের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধি হবেন। উত্তরে আমাদের প্রার্থী আতিক। ইনশাল্লাহ সেও জয়যুক্ত হবে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমি ভোট দিয়েছি। প্রত্যেক ভোটার শান্তিমতো তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন।’

ইভিএম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'ইভিএম'এর মাধ্যমে অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে ভোট দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।'

তিনি বলেন, ‘ভোটের অধিকার জনগণের অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। ভোটাররা যেন শান্তিপূর্ণ ও স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনগণ যেন তার পছন্দমতো ভোট দিতে পারে, সেই পরিবেশ আমরা সৃষ্টি করেছি। আমরা জয়ী হয়ে ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তুলবো। এছাড়া নানা পরিকল্পনা রয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করবো। সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী, ছবি: পিএমওকূটনীতিকদের উদ্বেগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উদ্বেগ তারা প্রকাশ করতে পারেন। কারণ আমাদের অতীত ইতিহাস তো ভালো না। আস্তে আস্তে আমরা সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়েছি। তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে বাংলাদেশি চাকরি করেন। তাদেরকে বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তারা সঠিক কাজ করেননি। কারণ তারা কীভাবে বিদেশি পর্যবেক্ষক হয়? তারা তো সেখানে চাকরি করেন।’

প্রসঙ্গত, শনিবার ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় ঢাকা উত্তরে ৩৬টি ও দক্ষিণে ৫৭টি ওয়ার্ড ছিল। এবারের দুই সিটিতে ১৮টি করে মোট ৩৬টি ওয়ার্ড সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এতে বেড়েছে ভোটার ও কেন্দ্র সংখ্যাও। এ নির্বাচনে দুই সিটিতে ২ হাজার ৪৬৮টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন ৫৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬৭ জন ভোটার।

ইভিএম-এ ভোট দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, ছবি: পিএমও

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৩ জন মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। আরও রয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, গণফ্রন্টের আব্দুস সামাদ সুজন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আকতার উজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লা, ইসলামি আন্দোলনের মো. আবদুর রহমান ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) বাহারানে সুলতান বাহার।

এদিকে, ঢাকা উত্তর সিটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আতিকুল ইসলামের সঙ্গে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বিএনপির তাবিথ আউয়াল। এছাড়া, এ সিটিতে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন—কমিউনিস্ট পার্টির ডা. আহাম্মদ সাজেদুল, এনপিপির মো. আনিসুর রহমান দেওয়ান, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি)-এর শাহীন খান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।

টপ