খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচন ১৭ ডিসেম্বর

Send
খুবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৮:১৯, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:২১, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) শিক্ষক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে আগামী ১৭ ডিসেম্বর। ভোটাধিকার প্র‍য়োগ করতে পারছেন ৪৪৪ জন শিক্ষক। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন আওয়ামীলীগ ও বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের তিন প্যানেল।

আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের ২টি প্যানেলের মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ) ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ। বিএনপিপন্থী একটি শিক্ষক প্যানেল হলো ন্যাশনালিস্ট টিচার্স এসোশিয়েশন (এনটিএ)। এদিকে শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের ব্যানারে বা প্যানেল করে নির্বাচন করার সুযোগ নেই বিধায় সমিতির ১৩টি কার্যনির্বাহী পরিষদের পদের বিপরীতে তিন প্যানেলের ৩৯ জন শিক্ষক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রত্যেকেই তারা নিজ নিজ প্যানেল সমর্থিত।

স্বাশিপ থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসেনে আরা ও প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাস। বঙ্গবন্ধু পরিষদ হতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন ও প্রফেসর ড. তরুণ কান্তি বোস। বিএনপিপন্থী শিক্ষক প্যানেল এনটিএ হতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন প্রফেসর মো. খসরুল আলম ও প্রফেসর শরীফ মোহাম্মদ খান।

এদিকে ভোট প্রয়োগের বা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের ১৮ শিক্ষক। বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের একাংশের বিরোধীতায় তারা আসন্ন নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন না। এ প্রসঙ্গে শিক্ষক সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর মোঃ শরীফ হাসান লিমন বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতন হতে সমিতির চাঁদা কাটার কথা, কিন্তু নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এখনও বেতন পাননি। বিভিন্ন মতবিরোধ থাকলেও সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের ১২ জন শিক্ষকের উপস্থিতিতে সাধারণ সভায় নিয়োগপ্রাপ্ত নতুন শিক্ষকদের এবারের নির্বাচনে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় না রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গঠনতন্ত্রে উল্লেখিত ধারা মেনেই এটা করা হয়েছে।

অন্যদিকে এ ঘটনাকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছেন সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. সারওয়ার জাহান। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা সমিতির চাঁদা পরিশোধ করেই ভোটার হতে পেরেছিলেন, তখন এই নিয়ে বিতর্ক হয়নি। এবারই প্রথম বিতর্কের সৃষ্টি হচ্ছে যা ব্যাক্তিগতভাবে আমার কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত ও হতাশাজনক।

আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। এতে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আছেন প্রফেসর ড. মোঃ কামরুল হাসান তালুকদার। তিনি বলেন, প্রতিবছরই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শিক্ষক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবারও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে।

এছাড়াও সহকারী নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আছেন অধ্যাপক মীর সোহরাব হোসেন, অধ্যাপক খন্দকার কুদরত-ই কিবরিয়া, অধ্যাপক মাসুদুল ইসলাম ও সহকারী অধ্যাপক তুহিন রয়।

/এফএএন/

লাইভ

টপ