স্টুডেন্ট ইনোভেটর অ্যাওয়ার্ডসে বাংলাদেশের প্রতিনিধি ফাইজা ফাহরিন

Send
ক্যাম্পাস রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২১:০৬, জুলাই ২৪, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৪৩, জুলাই ২৪, ২০২০

চলতি বছরের মিডল ইয়ার্স প্রোগ্রাম (এমওয়াইপি) ‘স্টুডেন্ট ইনোভেটর অ্যাওয়ার্ডস ২০২০’ এর জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেছে আইবি (ইন্টারন্যাশনাল বাকালরিয়েট)। তরুণ সামাজিক উদ্যোক্তাদের সহায়তায় আইবির সম্মানসূচক তহবিল প্রাপ্তির জন্য বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার দশম গ্রেডের শিক্ষার্থী ফাইজা ফাহরিন।

এ প্ল্যাটফর্মটি মিডল ইয়ার্স প্রোগ্রামের (এমওয়াইপি) শিক্ষার্থীদের যুগের চাহিদা অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে, যেন তারা সামাজিকভাবে সচেতন নেতা, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তা হিসেবে বিকশিত হতে পারে। বিশ্বের ১৩টি দেশের ২১টি আইবি  স্কুলের শিক্ষার্থীরা এমওয়াইপি’র উদ্ভাবক হিসেবে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছে এবং নির্বাচিতরা সম্মিলিতভাবে ১ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি মার্কিন ডলার অনুদান প্রাপ্তির জন্য বিবেচিত হবে। এ প্ল্যাটফর্ম ও তহবিলের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের (যারা চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছে) সাথে যৌথভাবে কাজ করতে উৎসাহিত করা হবে এবং চূড়ান্তভাবে মনোনীত শিক্ষার্থীরা যাতে এ খাতের বিশেষজ্ঞ ও ক্যারিয়ার বিষয়ক পরামর্শ প্রদানকারীদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা পেতে পারে সে সুযোগও দেওয়া হবে। 

চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ৩২ জনের মাঝে এমওয়াইপি শিক্ষার্থী হিসেবে একমাত্র ফাইজা এ প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী। বাংলাদেশের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিষয়ে ফাইজা বেশ আগ্রহী। এ কারণেই একজন এমওয়াইপি শিক্ষার্থী হিসেবে গত পাঁচ বছর ধরে তরুণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি, তহবিল সংগ্রহ, তাদের সার্বিক উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ, সমাজে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সহায়তার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে তার কাজের পরিধি বাড়িয়েছে। ‘প্রজেক্ট ইন্ডিপেনডেন্ট’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাপ্ত আইবি তহবিল দিয়ে একটি চাকরি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে ফাইজার, যা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তরুণদের তাদের উপযোগী চাকরি পেতে সহায়তা করবে।       

এ নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার এমওয়াইপি সমন্বয়ক নিলান্থী পানাবোক্কে দাস বলেন, ‘বাংলাদেশের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সহায়তায় একাধিক সেবা প্রকল্প শুরু করতে একাগ্রতার সাথে নিরলসভাবে কাজ করেছে ফাইজা। সে আইবি লার্নার প্রোফাইলের একটি উজ্জ্বল প্রতিমূর্তি- যত্নবান, মুক্ত-মনা, ও সাহসী। যে স্কুল ও বৃহৎ পরিসরে সমাজের সেবা করতে সচেস্ট । ফাইজার এ সাফল্যে তার সকল শিক্ষক, পরিবার ও বন্ধুরা গর্বিত। এ তহবিলের মাধ্যমে ফাইজা নতুন ও সৃজনশীল উপায়ে এ উদ্যোগটি চালিয়ে নিতে পারবে।’ 

৪৮ জন আইবি শিক্ষাবিদ ও অ্যালুমনি নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক রিভিউ প্যানেল প্রতিযোগিতাপূর্ণ দু’টি ধাপে আবেদনপত্র ও রিভিউ প্রক্রিয়া শেষে শিক্ষার্থীদের প্রকল্পগুলো নির্বাচিত হয়। আবেদন পত্রে প্রকল্পগুলোর সামাজিক প্রভাব, এ উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ এবং সামাজিক পরিবর্তন সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ শুরু করতে আর্থিক প্রয়োজনীয়তার বিষয়গুলো বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের নিজেদের ধারণাগুলো চর্চার সুযোগ দেওয়া হয়।

/এনএ/

লাইভ

টপ