মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছেন, সমুদ্রসীমা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি বড় অর্জন। এর ফলে বাংলাদেশের সামনে ব্লু ইকোনমির নতুন দিগন্ত উম্মোচিত হয়েছে। সরকার ব্লু ইকোনমির আহরণ ও সংরক্ষণের ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী।
বিশ্ব সমুদ্র দিবস-২০১৬ উপলক্ষে সোমবার সকাল ১১ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর একাডেমিক ভবনের ইউআরপি ডিসিপ্লিনের লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের (এফএমআরটি) উদ্যোগে সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
আরও পড়তে পারেন: বরিশালে হস্তান্তরের আগেই বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ভবনে ফাটল
সেমিনারে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তৃতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন নাঈম গোলাম মোক্তাদির। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. নাজমুল আহসান। স্বাগত বক্তৃতা করেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোহা. আব্দুর রউফ। সভাপতিত্ব করেন এফএমআরটি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মো. আইয়াজ হাসান চিশতী। পরে টেকনিক্যাল সেশনে কয়েকটি গবেষণা নিবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. সাইফুদ্দিন শাহ্, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিন প্রধান ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালকসহ এফএমআরটি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক ও সিনিয়র শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯ টায় ক্যাম্পাসে এক র্যালি বের করা হয় এবং ৩টি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক শেখ তারেক আরাফাত।
প্রধান অতিথি বলেন, আমাদের দিগন্ত বিস্তৃত সমুদ্র সম্পদ আছে। কিন্তু তা আহরণের মতো দক্ষ জনবল ও প্রযুক্তি নেই। এ ক্ষেত্রে দ্রুত অগ্রগতি লাভ করতে পারলে অর্থনীতির চেহারা পাল্টে যাবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনকে সহায়তা দিতে পারলে এই ডিসিপ্লিন সমুদ্র সম্পদ নিয়ে গবেষণা, সম্পদ আহরণ, উন্নয়ন ও সংরক্ষণ সম্পর্কিত শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।
অারও পড়তে পারেন: ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় আরও ওপরে শেখ হাসিনা
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, সমুদ্র সম্পদ আহরণ ও সংরক্ষণসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করতে আগ্রহী। কারণ এখানে মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি পড়ানো হয়। এখানে দক্ষ শিক্ষক ও গবেষক আছে। তাদেরকে সুযোগ ও সহযোগিতা দিতে পারলে এ ক্ষেত্রে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বড় ভূমিকা পালন করতে পারবে।
/এমএসএম/







