প্রস্তাবিত বাজেটে কম দামি সিগারেটের ওপর আরোপিত কর যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেন, তামাকমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে তামাকজাত পণ্যের ওপর আরোপিত কর আরও বাড়ানো দরকার। এ ছাড়া বৈষম্যমূলক রাজস্বনীতি পরিহার করে সমতা নিশ্চিত করা জরুরি। চূড়ান্ত বাজেটে এ বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। রবিবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গবেষণা ও উন্নয়ন কালেকটিভ (আরডিসি) আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
‘জাতীয় বাজেট ২০১৬-১৭: বিড়ি শ্রমিক ও বিড়ি শিল্প’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উত্থাপন করেন আরডিসির চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ধূমপানকে নিরুৎসাহিত করতে আরও বেশি কর আরোপ প্রয়োজন। লাখ-লাখ বিড়ি শ্রমিক যেন বেকার না হয়, সেজন্য বিকল্প কর্মসংস্থানেরও পরিকল্পনা নিতে হবে। একইসঙ্গে বিড়ি শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি নির্ধাণের করতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধে বলা হয়, প্রতি বছর ধূমপানের কারণে অসুস্থ হয়ে এক লাখ মানুষ মারা যাচ্ছে। আর তামাকজাত পণ্য থেকে যে পরিমাণ রাজস্ব আদায় হচ্ছে, তার থেকে বেশি অর্থ ধূমপানজনিত রোগের চিকিৎসায় ব্যয় হচ্ছে। তাই ধূমপান বন্ধ করা প্রয়োজন। এ জন্য তামাকজাত পণ্যের ওপর উচ্চহারে করারোপ করতে হবে। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে তা হয়নি।
ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে আলোচনায় অংশ নেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সবুর, বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এম কে বাঙ্গালী, কারিগর বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রণব দেবনাথ, আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরির এজিএম কাজী মো. আনোয়ারুল ইসলাম, বিড়ি শ্রমিক হেনা বেগম প্রমুখ। সেমিনার পরিচালনা করেন আরডিসির সাধারণ সম্পাদক জান্নাত-এ ফেরদৌসী।
আরও পড়তে পারেন: কাফনের কাপড় পাঠিয়ে তথ্যমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি
/ওএফ/এমএনএইচ/








