সুন্দরবন সংলগ্ন বাগেরহাটের রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণবিরোধী মিছিলে পুলিশ বাধা দিয়েছে। এসময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে মিছিলটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা করে। তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি এই বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে।
মিছিলটি বেলা সোয়া ১২টার দিকে সাবেক রূপসী বাংলার সামনে গেলে পুলিশ প্রথমে বাধা দেয় এবং পরে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। কাঁদানে গ্যাস ও পুলিশের বাধায় আহত হয়ে ১০ জন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসাপাতালে চিকিৎসা নিতে গেছেন। উপস্থিত নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন বেশ কয়েকজনকে পুলিশ আটক করেছে।
ঢামেক ক্যাম্প পুলিশের এসআই বাচ্চু মিয়া জানান আহত ১০ নেতাকর্মী চিকিৎসা নেওয়ার জন্য হাসপাতালে এসেছেন। আহতরা হলেন সুলতানা, আলামিন, তিশা, শরিফুল চৌধুরী, রিফাত বিন সালাম, তানভীর, শুভ, মোস্তাকিম, আরিফ হোসেন, আব্দুল্লাহ আল নোমান।
এক প্রত্যক্ষদর্শী বাংলা ট্রিবিউন প্রতিনিধিকে জানায়, পুলিশ অন্তত পাঁচটি কাঁদানে গ্যাসের সেল ছোড়ে। ঘটনাস্থলে আনা হয় জলকামান। আন্দোলনকারীরা বেশ কয়েকবার সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করলেও পুলিশের অ্যাকশনের মুখে তারা বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়তে বাধ্য হয়।
এরআগে রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন চুক্তি বাতিলসহ সাত দফা দাবিতে দুপুরের রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলে হাজার খানেক নেতাকর্মী অংশ নেন। শিশু পার্ক ও শাহবাগ মোড়ে কয়েক দফা বাধা পেরিয়ে মিছিলটি বাংলামোটরের দিকে যাচ্ছিল। মিছিলটি সাবেক সোনার বাংলা হোটেলের বিপরীত পার্শ্বের পরীবাগ সংলগ্ন পেট্রোল পাম্পের সামনে আসলে পুলিশ কাঁদুনি গ্যাস ছুড়ে। এসময় অনেকেই পেট্রোল পাম্পের ভেতরে অবস্থান নেয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, মিছিলটি কয়েকবার আটকানোর চেষ্টা করা হয়। জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ বাধ্য হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন আটক থাকতে পারেন।
/ইউআই/এনএস/








