আজিমপুরে জঙ্গি আস্তানায় পুলিশি অভিযানে যে জঙ্গির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তা এখনও ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়া হয়নি। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সোহেল মাহমুদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, 'লাশ মর্গে আছে। সুরতহাল প্রতিবেদনসহ অন্যান্য কাগজপত্র পাওয়া মাত্রই ময়নাতদন্তের কাজ শুরু হবে।'
সোহেল মাহমুদ জানান, নিহত জঙ্গি করিমের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই ময়নাতদন্ত শুরু করবেন তারা। এর আগে শনিবার রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী করিমের লাশ উদ্ধার করে ঢামেক মর্গে পাঠায়।
উল্লেখ্য, আজিমপুরে জঙ্গি আস্তানায় পুলিশি অভিযানে করিম নামের একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জঙ্গি করিম আত্মহত্যা করেছিল বলে দাবি করেছেন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন। এর আগে ধারণা করা হয়েছিল, পুলিশের অভিযানে ওই জঙ্গি নিহত হয়েছে।
ওই অভিযানে নেতৃত্বদানকারী ছানোয়ার হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, পুলিশের অভিযানে মারা যায়নি করিম। যখন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা ওই বাসায় অভিযান চালায় তখন তারা সেখান থেকে জঙ্গি করিমের মরদেহ এবং দুই নারী জঙ্গিকে আহত অবস্থায় পায়। অপর নারী জঙ্গি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশের গুলিতে আহত হয়। তবে জঙ্গি করিম কিভাবে আত্মহত্যা করেছে, সে সম্পর্কে তিনি কিছু উল্লেখ করেননি।
তিন নারী জঙ্গিকে আহতাবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারা হলো শাহেলা, শারমিন ও জেবুন্নাহার।
অভিযান চলাকালে জঙ্গিদের হামলায় আহত হয়েছেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিটের পাঁচ সদস্য। তারাও ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরও পড়ুন-
৩ শিশু সন্তানের কথাও ভাবেনি জঙ্গিরা
২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও নেভেনি টঙ্গীর আগুন
/জেএ/জেইউ/এফএস/








