দাবি না মানলে বড় আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ, শিক্ষানীতি ২০১০ বাস্তবায়ন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুরূপ ইনক্রিমেন্টের পরিবর্তে বার্ষিক ৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি, বৈশাখী ভাতা।
রবিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি এক সংবাদ সম্মেলনে এ হুমকি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিকি বলেন, অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের পর সরকারি কর্মকর্তাদেরকে ইনক্রিমেন্টের পরিবর্তে বার্ষিক ৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতা দেওয়া হলেও এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীকে সে সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন কাঠমোতে বৈষম্য রাখা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষকরা একই কারিকুলামের অধীনে সিলেবাস, একই একাডেমিক সময়সূচি, একইভাবে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজে নিয়োজিত থেকেও আর্থিক সুবিধার ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে পাহাড়সম বৈষম্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘২০১৫ সালের ২০ ডিসেম্বর একটি কুখ্যাত প্রজ্ঞাপন জারি করে "অনুদান-সহায়তা" শব্দটি যুক্ত করে শিক্ষকদেরকে অপমান করা হয়েছে। তাই দ্রুত এই প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করার দাবি জানাচ্ছি।
কর্মসূচি ঘোষণা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, দাবি আদায়ে আগামী ২৭ নভেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে বেশ কয়েকটি মানববন্ধন, সমাবেশ ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারির মধ্যে দাবি মেনে না নিলে বৃহত্তম আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুমকি দিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সাধারন সম্পাদক আবুল কাশেমসহ অন্যান্য শিক্ষক নেতারা।
/আরএআর/এসটি/






