বিদেশে পাঠানো নারীকর্মীদের বাংলাদেশ সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিতে পারছে না বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব নমিতা হালদার। বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) অভিবাসন সংক্রান্ত এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
সেমিনারে নমিতা হালদার বলেন, ‘বিদেশে নারী শ্রমিকদের সরকারি ব্যবস্থায় পাঠানো হয়। এটি করার জন্য জাতিসংঘের কয়েকটি সংস্থা আহ্বান জানিয়েছিল। আমরা তাদের পাঠাতে পারছি, কিন্তু আমরা কি তাদের সুরক্ষা দিতে পারছি? এটি অভিবাসন সুশাসন ব্যবস্থায় অন্য বিষয়ের মতো একটি দঃখজনক ঘটনা। আমরা তাদের সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিতে পারছি না।’
মধ্যপ্রাচ্যে যেসব নারীকর্মীরা যাচ্ছে তারা সুরক্ষিত নয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে যখন জাতিসংঘের সংস্থার প্রতিনিধিরা দেখা করতে আসে আমি তাদের বলি একটি নিরাপদ ব্যবস্থার জন্য, যাতে করে নারীকর্মীরা সুরক্ষিত থাকতে পারে। নারী শ্রমিকদের শুধু বাসায় প্রেরণ নয় তাদের অন্য কাজেও বিদেশে পাঠানো যেতে পারে।’
উদাহারণ হিসাবে তিনি বলেন, ‘রাশিয়া বাংলাদেশ থেকে পোষাক শিল্পশ্রমিক নিতে আগ্রহী এবং আমরা যদি আজ একটি প্রতিনিধিদল পাঠাই তারা তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত। এ বিষয়ে সামান্য প্রতিবন্ধকতা আছে এবং আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি।’
তিনি বলেন, ‘অনেকে সরকারকে দোষ দেয় যে তারা অদক্ষ শ্রমিক বিদেশে পাঠায়। এটি বন্ধ করার জন্য আমরা ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি গঠন করার উদ্যোগ নিয়েছি। যারা দক্ষতা বাড়ানোর জন্য কোর্স কারিকুলাম তৈরি করবে।’
ইউরোপ থেকে অনিয়মিত বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো সংক্রান্ত চুক্তি বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার অগ্রাধিকার, সরকারের অগ্রাধিকার যেকোনও বাংলাদেশিকে পুশব্যাক না করা। এটি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হতে হবে।’








