প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা অনুযায়ী মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত।
গণভবনে চলমান সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমসটেকের মতো আঞ্চলিক গোষ্ঠী যখন সৃষ্টি হয় তখন সঙ্গত কারণেই সেখানে দ্বিপাক্ষিক সমস্যা বা রাজনৈতিক সমস্যাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। তবে সম্মেলন চলার সময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়। তখন কখনও আমরা অফিসিয়ালি কথা বলি, কখনওবা আনঅফিসিয়ালি কথা বলি। সেই হিসাবে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ওখানে ছিলেন, একপর্যায়ে তার সঙ্গে আমার রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কথা হয়। তিনি আমার কাছে স্বীকার করেন, আমাদের মধ্যে যে সমঝোতা স্বাক্ষর হয়েছে এবং সেই সমঝোতা অনুযায়ী এরই মধ্যে তিন হাজারের মতো তালিকা তাদের দেওয়া হয়েছে। মিয়ানমার তাদের ফিরিয়ে নিতে প্রস্তুত।
সাত দেশের জোট বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিয়ে ফিরে আসার পর আজ রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকাল ৪টায় গণভবনে এই সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়েছে।
গত শুক্রবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে বিমসটেকের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন থেকে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সম্মেলনে যোগ দিতে গত বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডু গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। ওই দিন সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে তিনি মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল সৃষ্টি, বিনিয়োগ ও জ্বালানি খাতে যৌথ প্রচেষ্টা, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও অর্থায়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলার মাধ্যমে বিমসটেক ফোরামে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির সঙ্গে বৈঠক করেন শেখ হাসিনা।








