জাতিসংঘের সঙ্গে আরও জোরদার সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক
২৪ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:৫৩আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০১৮, ১০:০৪

জাতিসংঘ আজ  (বুধবার) জাতিসংঘ দিবস। দিবসটি উপলক্ষে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘ ব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা অব্যাহতভাবে জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তারা।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন,  ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতিসংঘ সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী ও অংশীদারিত্বমূলক সংস্থায় পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৭ দশক পরও জাতিসংঘ নিরাপত্তা, শান্তি, টেকসই উন্নয়ন ও মানবাধিকার প্রশ্নে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও সক্রিয় রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতিসংঘ যে ভূমিকা পালন করছে অন্য কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষে তা সম্ভব নয়।তাই জাতিসংঘ সনদে বিবৃত নীতি-আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমাদের সবার জাতিসংঘের ইতিবাচক ভূমিকা সমুন্নত করার নিবিড় প্রচেষ্টা চালানো প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক সমস্যা সমাধানে এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তায় অবদান রাখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।এই স্মরণীয় দিনে আমরা মানুষ যাতে মর্যাদা, শান্তি ও সমৃদ্ধির সঙ্গে বসবাস করতে পারে এবং যেখানে কাউকে বাদ দেওয়া হবে না তেমন একটি উন্নত ও উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়ার জন্য জাতিসংঘকে শক্তিশালী করার আমাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বার্তায় বলেন, জাতিসংঘ দিবসের এই শুভক্ষণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পাশাপাশি বাংলাদেশও জাতিসংঘ সনদ ও বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী শান্তি বজায় রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মানবাধিকারের সুরক্ষা এবং উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার দৃঢ় সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে জাতিসংঘে যোগ দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সারাবিশ্বে টেকসই শান্তি, নিজেদের এবং সমাজের, ধর্ম জাতিগত গোষ্ঠীর  মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রচেষ্টায় জাতিসংঘকে সমর্থন দিয়ে আসছি। বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি রক্ষায় ৫৪টি মিশনে ১,২৮,৫৪৩ জন শান্তিরক্ষী মোতায়েন করেছে। আমরা এ পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে ১৪৫ জন শান্তিরক্ষীকে হারিয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং অন্যান্য আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের চমৎকার ভূমিকা একটি বিশ্ব উন্নয়ন মডেল হিসাবে আত্মপ্রকাশে সহায়তা করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। বিশ্বের অনেক দেশকে সংঘর্ষ, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যতা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। জাতিসংঘ সর্বদাই সবার জন্য মানবতা, শান্তি ও সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।খবর বাসস।

 

/এসটি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
তিন বছর নয়, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে কীভাবে ভুল করলো দেশের প্রায় সব মিডিয়া
তিন বছর নয়, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে কীভাবে ভুল করলো দেশের প্রায় সব মিডিয়া
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম