ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু যে আদর্শ দিয়ে বাংলাদেশের জন্ম দিয়ে গেছেন সে আদর্শের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে পারলেই এটি তার সোনার বাংলা হবে। শহীদ জাহানারা ইমামের আন্দোলনের সুফল পেতে রাজনৈতিক আদর্শ খোঁজার জন্য চেষ্টা করার দরকার হবে না, তার আদর্শ বঙ্গবন্ধুরই আদর্শ।’
শুক্রবার (৩ মে) ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন ও জাহানারা ইমামের আন্দোলন শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী রাজনৈতিক আদর্শ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভারতবর্ষে একমাত্র ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর প্রজ্ঞা তুলে ধরে বলেন, ‘জাতির পিতার অসাধারণ ধ্যান ধারণা কল্পনা করাও কঠিন। তিনি তার চারপাশের সাম্প্রদায়িকতাকে জয় করে ভাষা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাতির পিতার দ্বিতীয় বিপ্লব কর্মসূচি ছিল সুখি সমৃদ্ধ সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার জন্য একটি কার্যকর কর্মসূচি। অথচ বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের যে কর্মসূচিটি ঘোষণা করেছিলেন, আমরা তা
আলোচনার পাদপীঠে আনতে চাই না, এর ক্ষতিটা আমাদেরই হচ্ছে।’
তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানে বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় মূল চার নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়িত হবে। এর কোনও একটাকেও বাদ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন করতে পারবো না আমরা।’
মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে গত ১০ বছরের বাংলাদেশ উন্নয়নের প্রতিটি সূচকে আজ ভারত-পাকিস্তান এমনকি এশিয়ার বহু দেশ থেকে এগিয়ে রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি দুনিয়ায় বাংলাদেশ আজ নেতৃত্বের গৌরবের জায়গায় পৌঁছেছে। অগ্রগতির এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের বাংলাদেশ হবে দারিদ্র্যমুক্ত। ২০৪১ সালে বিশ্বে উন্নত দেশের
কাতারে সামিল হবে বাংলাদেশ।’
শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, রিজিউনাল এন্টি টেররিস্ট রিসার্স ইনস্টিটিউটের নির্বাহী সভাপতি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার (অব.), সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক তানবির হাসান জোহা এবং অন-লাইন এক্টিভিস্ট মারুফ রসুল বক্তৃতা করেন।








