২০২৩ সালের মধ্যে সব প্রাথমিকে ‘স্কুল মিল’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৯ আগস্ট ২০১৯, ১৬:৩৭আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০১৯, ১৬:৫৬

স্কুলের শিশুদের টিফিনে দেওয়া হবে প্রোটিনযুক্ত খাবার ‘জাতীয় স্কুল মিল নীতি, ২০১৯’ এর খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। আজ সোমবার (১৯ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০২৩ সালের মধ্যে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবার সরবরাহের এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। তবে শুরুতে চর, হাওর ও দুর্গম এলাকার স্কুলগুলোতে এই সুবিধা দেওয়া হবে।

মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক নিয়ে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। তিনি জানান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় স্কুল মিল প্রকল্প পরিচালিত হবে। তবে এখন একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে ১০৪টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে স্কুল মিল কার্যক্রম চলছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এটি চালু হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর আওতায় চলে আসবে। এই কর্মসূচির আওতায় তিন থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের দৈনিক শক্তি চাহিদার ৩০ শতাংশ (ক্যালরি) পূরণ করবে এমন খাবার দিতে হবে এই মিল থেকে।

সচিব জানান, স্কুল মিল চালুর জন্য ‘জাতীয় স্কুল মিল কর্মসূচি কর্তৃপক্ষ’ চালু হবে। এর উপদেষ্টা কমিটি থাকবে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্কুল মিল বাস্তবায়নের জন্য পরিচালনা কমিটি থাকবে। শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউএনও এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান যুক্ত থাকবেন।

তিনি জানান, পাইলট প্রকল্পের আওতায় ১০১টি উপজেলায় উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ বিস্কুট দেওয়া হচ্ছে। আর তিনটি উপজেলায় প্রাথমিক স্কুলে দেওয়া হচ্ছে রান্না করা খাবার। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব স্কুলে রান্না করা খাবার দেওয়া হয় সেখানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বেড়েছে ১১ শতাংশ। বিস্কুট দেওয়া হয় যেসব স্কুলে সেখানে ছয় শতাংশ উপস্থিতি বেড়েছে।

সচিব জানান, সারাদেশের সব সরকারি প্রাথমিক স্কুলে ছয় দিন বিস্কুট দিলে খরচ হবে দুই হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা। আর পাঁচ দিন রান্না করা খাবার ও একদিন বিস্কুট দিলে খরচ হবে পাঁচ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। অন্যদিকে বিস্কুট, ডিম, কলা দিলে খরচ হবে সাত হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা।

বর্তমানে সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক স্কুলের সংখ্যা ৬৬ হাজার। শিক্ষার্থী এক কোটি ৪০ লাখ। এখন ১০৪টি উপজেলায় খরচ হচ্ছে ৪৭৪ কোটি টাকা। এখন ১৫ হাজার ৩৪৯টি স্কুল এই সুবিধা পাচ্ছে।

স্কুল মিলের জন্য শিক্ষার্থী প্রতি সর্বোচ্চ খরচ হবে ২৫ টাকা। শুধু বিস্কুটে খরচ ৯ টাকা, রান্না করা খাবার ১৬ থেকে ১৮ টাকা, ডিম-কলা-বিস্কুট দিলে খরচ হবে ২৫ টাকা। 

/এসআই/এফএস/এমএমজে/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম