কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রবিবার (২৫ আগস্ট) বিশাল রোহিঙ্গা সমাবেশের বিষয়ে সরকার আগে থেকে কিছু জানতো না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সোমবার (২৬ আগস্ট) শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ’প্রকৃতপক্ষে আমরা টেলিভিশন দেখে এ তথ্য পেয়েছি। আমরা জেনেছি তারা দোয়া করার জন্য এই সমাবেশ করেছে। সেজন্য আপত্তি করা হয়নি। সেখানে অনেক দাবি-দাওয়া এসেছে। এখন আমরা নতুন করে চিন্তাভাবনা করবো কীভাবে ইস্যুটা মোকাবিলা করা যায়।’
ভবিষ্যতে আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আন্দোলন যাতে করতে না পারে সেজন্য অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেবো। আমাদের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কথা হয়েছে। কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে সে বিষয়ে সবার সঙ্গে আলোচনা করছি।’
শরণার্থী জীবনের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে রবিবার সকাল ৯ টার দিকে উখিয়ার মধুরছড়া এক্সটেনশন-৪ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের খোলা মাঠে সমাবেশ করেন রোহিঙ্গা আশ্রিতরা। এ সময় শরণার্থীরা মিয়ানমারের রাখাইনে সংগঠিত গণহত্যা, ধর্ষণ ও বর্বর নির্যাতনের বিচার চান। ‘আমরা বাংলাদেশে নয়, রাখাইনে থাকতে চাই’, ‘আমরা আমাদের দেশের নাগরিকত্ব চাই’ বলে স্লোগান দেন তারা। এতে ৫০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা উপস্থিত ছিলেন।








