ভেজাল সার প্রতিরোধে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করার নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘এই ব্যাপারে কোনও গাফিলতি মেনে নেওয়া হবে না। কৃষকের কথা মাথায় রেখে এমওপি সারের মূল্য কমতে পারে।’ বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘সার বিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটি’র দ্বিতীয় সভা তিনি এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষিতে সাধারণত ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি, জিপসাম, জিংক সালফেট ও বরিক এসিড ব্যবহার করা হয়। আমরা চাই সারের জন্য আর কোনও কৃষককে যেন কষ্ট করতে না হয়।’
সভায় বিগত অর্থবছরের চাহিদা বরাদ্দ ও ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের জন্য সারের চাহিদা তুলে ধরা হয়েছে।
সভায় জানানো হয়, সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি করা সারের শিপিং টলারের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে প্রকৃত আমদানি করা সার ভর্তুকির অন্তর্ভুক্ত হবে। দেশের মোট চাহিদার সার বিসিআইসি, বেসরকারিভাবে উৎপাদন ও আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। বর্তমান দেশে যে পরিমাণ সার মজুত রয়েছে তাতে করে সারের জন্য কোনও রকম সমস্যা হবে না। এছাড়া ডিসেম্বর নাগাদ যমুনা সার কারখনা সার উৎপাদনে যাবে।’
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সংসদ সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মো. আব্দুল হাই, কৃষিসচিব মো. নাসিরুজ্জামান, মো. আবদুল হালিম, শিল্প সচিব, বিএডিসি ও বিসিআইসি-এর চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ।








