করোনা: ২ লাখ মানুষকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় দিয়েছে সাড়ে ২৬ কোটি টাকা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২১ মে ২০২০, ১৮:০৫আপডেট : ২১ মে ২০২০, ১৮:০৭

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়





সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় করোনা মোকাবিলায় এক লাখ ৯৬ হাজার মানুষকে সাড়ে ২৬ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। গত ১ মে পর্যন্ত সময়ে উপকারভোগীরা এ সহায়তা পেয়েছেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদফতরের আওতায় ১১ মে পর্যন্ত ১ লক্ষ ৯৬ হাজার মানুষকে ত্রাণ হিসেবে খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৩ কোটি টাকা এবং জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ থেকে ২৩ কোটি ৪৭ লাখসহ মোট ২৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকা দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিতরণ করা হয়েছে। সমাজসেবা অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত অনুদান এবং ৫৬ হাজার নিবন্ধিত স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর অনুদানেও ত্রাণ কাজ পরিচালনা করা হচ্ছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার আওতায় ৮০ লাখ ৯ হাজার উপকারভোগীর মধ্যে ভাতা বিতরণের কাজ চলছে।
চলতি অর্থবছরে প্রায় ১১ লাখ ভাতাভোগী অনলাইনে জিটুপি পেমেন্ট এর মাধ্যমে ভাতা পাচ্ছেন। আগামী ডিসেম্বর-২০২০ এর মধ্যে সকল ভাতাভোগীকে এ পদ্ধতির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে চলমান সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণগ্রহীতার সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ ৮৩ হাজার জন এবং সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ আদায়ের হার গড়ে ৯০%। বর্তমানে সারা দেশে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সর্বমোট -৫২৩ টি হাসপাতাল সমাজসেবা ইউনিটের মধ্যে ঢাকা মহানগরীসহ জেলাপর্যায়ে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ১০৪টি ও উপজেলা পর্যায়ে ৪১৯টি উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, সুবিধাবঞ্চিত শিশু সুরক্ষা কার্যক্রমের অধীনে ৮৫টি সরকারি শিশু পরিবার, ৬টি এতিম ও প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েদের কারিগরী প্রশিক্ষণকেন্দ্র, ৩টি মহিলাদের আর্থসামাজিক প্রশিক্ষণকেন্দ্র, ৬টি ছোটমনি নিবাস, ১টি ডে কেয়ার সেন্টার, ১৩টি শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনকেন্দ্র এবং ৩টি দুস্থ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনকেন্দ্র মোট উপকারভোগী রয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠানে ১৭ হাজার এবংও ৩৯২০টি বেসরকারি ক্যাপিটেশন গ্রান্টপ্রাপ্ত বেসরকারি এতিমখানায় সাড়ে ৯৭ হাজার শিশু। আইনের সংস্পর্শে বা সংঘর্ষে আসা শিশু ও ব্যক্তির উন্নয়ন ও পুনর্বাসনের আওতায় ৩টি শিশু উন্নয়নকেন্দ্র, ৬টি মহিলাও শিশু-কিশোরী হেফাজতিদের নিরাপদ আবাসনকেন্দ্র, ৫টি সরকারি আশ্রয়কেন্দ্র এবং ৬টি সামাজিক প্রতিবন্ধী মহিলাদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনকেন্দ্রেও নতুন নিবাসীদের আলাদাভাবে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন কক্ষে রাখা নিশ্চিত করা হয়েছে। ৭৯টি প্রতিবন্ধী বিষয়ক প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১,৫৮৭ জন নিবাসীর স্কুলবন্ধ থাকায় কোচিং সাইকেলের মাধ্যমে, টিভি ও অনলাইনভিত্তিক পাঠদান নিশ্চিত করা হয়েছে। এরমধ্যে সমন্বিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৬৪টি এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ১৫টি।

/এসআই/টিএন/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
তিন বছর নয়, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে কীভাবে ভুল করলো দেশের প্রায় সব মিডিয়া
তিন বছর নয়, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে কীভাবে ভুল করলো দেশের প্রায় সব মিডিয়া
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
অধিনায়ক হিসেবে ফিরেই জয় দেখলেন কুশল মেন্ডিস
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
মার্কিন সেনা হত্যা করলে যুদ্ধবিরতি শেষ, উপদেষ্টাদের জানালেন ট্রাম্প
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
ময়মনসিংহ মেডিক্যালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু 
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম