বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম দস্তগীর গাজী বলেছেন, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বের সেরা মানের পাট উৎপাদন করে। সেজন্যই পাটের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
রবিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএ) নেতাদের সঙ্গে আলোচনাকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাবিনা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট আরজু রহমান ভূইয়াসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পাটমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যবহার বহুমুখীকরণ ও উচ্চমূল্য সংযোজিত পাটপণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাটকাঠি থেকে চারকোল, কম্পোজিট জুট টেক্সটাইল, জুট জিও-টেক্সটাইল, উৎপাদনের মাধ্যমে পাটখাতে নতুন নতুন বহুমুখী পণ্য সংযোজিত হচ্ছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা বিবেচনায় এবং পাট শিল্পের বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারণে সরকার ২৮২ প্রকার দৃষ্টি নন্দন পাটপণ্যকে বহুমুখী পাটজাত পণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। কাঁচাপাট ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন ও রফতানি বৃদ্ধি, দেশের অভ্যন্তরে পাটপণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি, পাটের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ ও পরিবেশ রক্ষায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তবে কাঁচাপাট রফতানিতে সরকার বাধা প্রদান করবে না।’
তিনি বলেন, ‘এই খাতের নানামুখী সমস্যা সম্পর্কে সরকার সচেতন রয়েছে। বর্তমান সরকারের গৃহীত নীতিমালা ও পরিকল্পনাকে কাজে লাগিয়ে পাটখাতের রফতানি বাজার সম্প্রসারণ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং পরিবেশ রক্ষায় অবদানের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ-উন্নত জাতিতে পরিণত করা এবং বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশকে আবারও সোনালি আঁশের দেশ হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’







