প্রস্তাবিত কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও ফার্মিংয়ের মাধ্যমে যে টেকনোলজি ডেভেলপ করবে তা কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাটে বিস্তৃত হলে ওই এলাকার লোকজন ফার্মিংয়ের মাধ্যমে ভুট্টা, শাক-সবজি, মিষ্টি আলু, মিষ্টি কুমড়া ও মাছ উৎপাদনের মাধ্যমে আরও উন্নত হতে পারবে। এমন উদ্দেশ্য নিয়েই সরকার কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করছে। এটি স্থাপনে আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (৯ মার্চ) ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০২১’ এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, দেশের অন্যান্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনগুলোকে অনুসরণ করে নতুন এই আইন করা হচ্ছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে দেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হবে ৪৬টি, আর বর্তমানে ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চালু আছে।
তিনি জানান, কুড়িগ্রামে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ২০২০ সালের ২১ ডিসেম্বর এ-সংক্রান্ত আইনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা। খসড়া আইনটি আইন মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাই শেষে এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হলো।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছিলেন, কুড়িগ্রাম একসময় মঙ্গাপীড়িত ছিল, সেখানে যদি এ ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় হয়, তবে গবেষণা হবে—ফার্মিং হবে। এর মধ্য দিয়ে ওই অঞ্চলের মানুষের অবস্থার আরও উত্তরণ ঘটবে।









