স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস (ওভার কনফিডেন্স) ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় বাড়ছে করোনা। সারাদেশে স্বাস্থ্যবিধি মানতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।’ সোমবার (১৫ মার্চ) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ বিষয়ক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা বলেন।
করোনা নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা করোনা নিয়ে উদ্বিগ্ন। ইতোমধ্যে হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আমাদের হাসপাতালগুলোতে ওষুধ ও অক্সিজেনের কোনও স্বল্পতা নেই।’
স্বাস্থ্যবিধি মানায় অনীহার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় মানুষের ভিড় বাড়ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানও বেড়েছে। এসব জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনও লক্ষণ নেই। এসব জায়গায় গেলে মনে হয়, দেশে করোনা নেই।’
দেশে আবারও করোনায় সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলাচল করা, নো মাস্ক নো সার্ভিস না মানা, মাত্রাতিরিক্ত সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া, মাস্ক ব্যবহার না করা অন্যতম কারণ। নতুন করে যুক্ত হয়েছে করোনার টিকা গ্রহণে অনীহা।’
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আড়াই মাস আগে যেখানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে করোনা রোগী ছিল এক হাজার, এখন সেখানে ১৮০০ জন হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকদের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও বলা হয়েছে।’
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে বলেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে অংশ নিতে ১৭ মার্চ থেকে বিভিন্ন দেশের অতিথিরা আসতে শুরু করবেন। অতিথিদের করোনার টেস্ট করার জন্য কাজ করছে স্বাস্থ্য বিভাগ। অতিথিদের হোটেল থেকে নমুনা সংগ্রহেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আশপাশে যারা থাকবেন তাদেরও করোনা টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’









