X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

পারিবারিক আদালতের মামলায় ‘পাওয়ার অব অ্যাটর্নি’ নয়: হাইকোর্ট

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০২১, ২১:৪৪

পারিবারিক আদালতে মামলা পরিচালনার জন্য মূল ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে অন্য কাউকে ক্ষমতা অর্পণ (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) করা যাবে না মর্মে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত এক রিভিশন আবেদন খারিজ করে মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) বিচারপতি এ কে এম আবদুল হাকিম, বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বৃহত্তর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে মামলার বাদীপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার মো. সাইদুল আলম খান। বিবাদীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট এম খালেদ আহমেদ।

একইসঙ্গে ‘পারিবারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন করার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার প্রয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে না, যদিও পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশে দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০ ও ১১ ব্যতীত অন্য ধারার প্রয়োগকে বারিত করা আছে’ মর্মে রায়ে নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এর আগে এ মামলার এক নারী বাদী হয়ে তার আমেরিকা প্রবাসী সাবেক স্বামীকে বিবাদী করে দেনমোহর ও সন্তানের ভরণপোষণের দাবিতে সিলেটের বিচারিক আদালতে মামলা দায়ের করেন। কিন্তু বিবাদী বিদেশে থাকায় তার পক্ষে মামলা লড়তে এক আত্মীয়কে ‘পাওয়ার অব অ্যাটর্নি’ প্রদান করা হয়। কিন্তু ১৯৮৫ সালের পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ অনুযায়ী পারিবারিক মামলায় পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নেওয়ার বিধান নেই বলে বিচারিক আদালত বিবাদীর পাওয়ার অব অ্যাটর্নি গ্রহণ না করে আদেশ দেন। পরে সেই আদেশের বিরুদ্ধে বিবাদী আপিল করলে সিলেটের জেলা জজ আদালত আবেদনটি খারিজ করে দেন। কিন্তু সেই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন আমেরিকা প্রবাসী ওই বিবাদী।

এরপর বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে ওই রিভিশন আবেদনের শুনানি হয়। সে শুনানিতে পারিবারিক আদালতের মামলায় দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ও ১১ ধারার বাইরে অন্য কোনও ধারা প্রযোজ্য হবে কিনা সে বিষয়ে হাইকোর্টের সামনে ভিন্ন ভিন্ন রায় পরিলক্ষিত হয়। একপর্যায়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ রিভিশন আবেদনটি শুনানির জন্য বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করতে আবেদনটি প্রধান বিচারপতির কাছে প্রেরণ করেন।

পরে প্রধান বিচারপতি রিভিশন আবেদনটি শুনানির জন্য তিন বিচারপতির সমন্বয়ে একটি বৃহত্তর হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন। ওই বেঞ্চে আবেদনটি শুনানিতে অভিমত দিতে চার জন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীকে অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দেন আদালত। তারা হলেন—জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আই ফারুকী, এ এফ হাসান আরিফ, কামালুল আলম ও প্রবীর নিয়োগী। পরে তাদের মতামতে ভিত্তিতে রিভিশন আবেদনটি নিষ্পত্তি করে রায় দেন হাইকোর্ট।

/বিআই/এফএ/এমওএফ/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
মা ও ২ সন্তানকে গলা কেটে হত্যা
মা ও ২ সন্তানকে গলা কেটে হত্যা
ডনবাসের পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত জটিল’: জেলেনস্কি
ডনবাসের পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত জটিল’: জেলেনস্কি
বৈশ্বিক সংকটেও বেশ ভালো আছে বাংলাদেশ
বৈশ্বিক সংকটেও বেশ ভালো আছে বাংলাদেশ
দেশে ফিরলেন ভারতে পাচার হওয়া ৫ তরুণী
দেশে ফিরলেন ভারতে পাচার হওয়া ৫ তরুণী
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
মামলায় অযাচিত সময়ক্ষেপণে জরিমানা বাড়ানো হচ্ছে: আইনমন্ত্রী
মামলায় অযাচিত সময়ক্ষেপণে জরিমানা বাড়ানো হচ্ছে: আইনমন্ত্রী