খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী রকি আলমের (২৭) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে পুলিশ মহানগরীর বয়রা জংশন এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর থেকেই নিহতের স্ত্রী আমেনা বেগম (২০) ও তাদের দেড় বছরের সন্তান নিখোঁজ রয়েছে।
নিহতের বাবা মো. মোবারক জানান, রকি কুয়েট থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি শেষ করে এমএসসিতে পড়ছিল। ২/৩ দিন ধরে তিনি ছেলের মোবাইল বন্ধ পাচ্ছিলেন। সোমবার সন্ধ্যার পর তারা বড় বয়রা জংশন রোডের ছেলে যে বাড়িতে ভাড়া থাকে সেখানে যান। বাসায় তালা লাগানো দেখে কিছুক্ষণ সেখানে অপেক্ষা করেন। ওই সময় ছেলের ঘর থেকে দুর্গন্ধ আসছিল। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে খাটের ওপর রকির লাশ লেপ দিয়ে ঢাকা অবস্থায় দেখতে পান। তখন ঘরে রকির স্ত্রী ও সন্তানকে পাননি তারা।
খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রকির লাশ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদনের সময় তার গলায় শ্বাসরোধের আলামত দেখা গেছে। তাকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
/এসএম/এসটি/








