X
সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২
৩১ শ্রাবণ ১৪২৯

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮১তম প্রয়াণ দিবস আজ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৬ আগস্ট ২০২২, ১০:০১আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২২, ১০:০৩

আজ বাইশে শ্রাবণ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮১তম প্রয়াণ দিবস। বহু প্রতিভার অধিকারী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১২৬৮ বাংলা সনের ২৫ বৈশাখ (ইংরেজি ১৮৬১ সালের ৭ মে) পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মা সারদাসুন্দরী দেবী। বাংলা ১৩৪৮ সনের ২২ শ্রাবণ কলকাতায় পৈতৃক বাসভবনে ইহলোক ত্যাগ করেন তিনি।

মহাকালের চেনাপথ ধরে প্রতিবছর বাইশে শ্রাবণ আসে। এই বাইশে শ্রাবণ বিশ্বব্যাপী রবী-ভক্তদের কাছে একটি শূন্য দিন। রবীন্দ্র কাব্যসাহিত্যের বিশাল একটি অংশে যে পরমার্থের সন্ধান করেছিলেন, সেই পরমার্থের সঙ্গে তিনি লীন হয়েছিলেন এদিন।

রবীন্দ্রকাব্যে মৃত্যু এসেছে বিভিন্নভাবে। জীবদ্দশায় মৃত্যুকে তিনি জয় করেছেন বারবার। মৃত্যুবন্দনা করেছেন তিনি এভাবে- ‘মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান। মেঘবরণ তুঝ, মেঘ জটাজুট! রক্ত কমলকর, রক্ত-অধরপুট, তাপ বিমোচন করুণ কোর তব মৃত্যু-অমৃত করে দান’।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮০তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বাংলা একাডেমি অনলাইনে প্রবন্ধ পাঠ, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতার এবং বেসরকারি টেলিভিশনগুলো এ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা ও নাটক প্রচার করবে।

জীবনের শেষ নববর্ষের সময় রবীন্দ্রনাথ ছিলেন তার সাধের শান্তিনিকেতনে। সেদিন তার কলমে রচিত হয়েছিল ‘সভ্যতার সংকট’ নামের অমূল্য লেখাটি। তারও ক’দিন পর ১৯৪১ সালেরই ১৩ মে লিখে রাখলেন, রোগশয্যায় শুয়েই ‘আমারই জন্মদিন মাঝে আমি হারা’।

শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের শেষ দিনগুলোতে কখনও তিনি শয্যাশায়ী, কখনও মন্দের ভালো। শেষের দিকে ১৯৪১ সালের ২৫ জুলাই, শান্তিনিকেতনের আশ্রম বালক-বালিকাদের ভোরের সংগীত অর্ঘ্য তিনি গ্রহণ করেন তার উদয়ন গৃহের পুবের জানালার কাছে বসে। উদয়নের প্রবেশদ্বার থেকে ছেলেমেয়েরা গেয়ে ওঠেন কবিরই লেখা ‘এদিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিলো দ্বার, আজি প্রাতে সূর্য ওঠা সফল হলো আজ’।

আগস্টের প্রথম দিন দুপুরবেলা থেকেই রবীন্দ্রনাথের ‘হিক্কা’ শুরু হয়। কবি কাতর স্বরে তখন উপস্থিত সবাইকে বলেছিলেন, ‘একটা কিছু করো, দেখতে পাচ্ছো না কী রকম কষ্ট পাচ্ছি।’ পরের দিন হিক্কা থামানোর জন্য ময়ূরের পালক পুড়িয়ে খাওয়ানো হলেও তাতে কিছুমাত্র লাঘব হলো না। আগস্টের ৩ তারিখ থেকে কিডনিও নিঃসাড় হয়ে পড়ে। ৬ আগস্ট রাখি পূর্ণিমার দিন কবিকে পূর্বদিকে মাথা করে শোয়ানো হলো। পরদিন ২২শে শ্রাবণ, ৭ আগস্ট রবীন্দ্রনাথের কানের কাছে জপ করা হলো ব্রাহ্মমন্ত্র ‘শান্তম, শিবম, অদ্বৈতম…’ ‘…তমসো মা জ্যোতির্গময়…’।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তখন মৃত্যুপথযাত্রী। জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির ঘড়িতে তখন ২২ শ্রাবণের বেলা ১২টা বেজে ১০ মিনিট। কবি চলে গেলেন অমৃতআলোকে।

/ইউএস/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
ব্রিজ থেকে বাস ছিটকে পড়লো নিচে, ১৪ যাত্রী আহত 
ব্রিজ থেকে বাস ছিটকে পড়লো নিচে, ১৪ যাত্রী আহত 
‌‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ’
‌‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ’
শোক দিবসে এনবিআরের ভিন্নধর্মী আয়োজন
শোক দিবসে এনবিআরের ভিন্নধর্মী আয়োজন
এফডিসিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শিল্পী-কুশলীদের শ্রদ্ধা
এফডিসিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শিল্পী-কুশলীদের শ্রদ্ধা
এ বিভাগের সর্বশেষ
‌‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ’
‌‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ’
‌‘বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে অনেক আগেই সোনার বাংলা হতো দেশ’
‌‘বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে অনেক আগেই সোনার বাংলা হতো দেশ’
‘বাংলাদেশ অতীতের যেকোনও সময়ের চেয়ে উন্নত অবস্থায় রয়েছে’
‘বাংলাদেশ অতীতের যেকোনও সময়ের চেয়ে উন্নত অবস্থায় রয়েছে’
যাদের জয় বাংলা বলতে লজ্জা হয়, তারা স্বাধীনতাবিরোধী: প্রধান বিচারপতি
যাদের জয় বাংলা বলতে লজ্জা হয়, তারা স্বাধীনতাবিরোধী: প্রধান বিচারপতি
বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী
বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী