ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) দরকার হবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন। তাই বিজিবিকে দায়িত্ব পালনের জন্য অনুরোধ করা হবে। বুধবার এ কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার শাহ নেওয়াজ।
একদিন আগে তিনি ইউপি ভোটে বিজিবি না রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন।
শাহ নেওয়াজ বলেন, ‘প্রথম ধাপে পৌনে সাত হাজারের মতো কেন্দ্রে ভোট হবে। পুলিশ, র্যাব ও আনসার দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না। তাই বিজিবি দরকার হবে। আমরা ভোটের দায়িত্ব পালনের জন্য তাদের অনুরোধ করবো।’
তবে সেনা মোতায়েনের কোনো চিন্তা-ভাবনা ইসির নেই বলে জানান এই কমিশনার।
ইউপি ভোটের পরিবেশ নিয়ে বিএনপির শঙ্কার মধ্যে তার ‘বিজিবি নামানোর পরিকল্পনা নেই’ জাতীয় বক্তব্যের সমালোচনা হয় ইসিতে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার তিনি ইসির অবস্থান তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ভোটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এখনও কমিশন বৈঠক করেনি। কমিশন বৈঠকেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে শাহনেওয়াজ বলেন, ‘গত নির্বাচনে যারা ভোটের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল, এবারও তারা থাকবে। পুলিশ, আনসার, র্যাববের সঙ্গে বিজিবি থাকবে; কাউকে বাদ দেওয়া হবে না। এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি কারা থাকবে। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আরও যা করা দরকার তা করা হবে।’
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন ছিলো।
/ইএইচএস/এজে/








