বিশ্বের ২০টি দেশের অর্থমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের সমন্বয়ে গঠিত জোট ‘জি-২০’ এর পরবর্তী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ভারতের দিল্লিতে। আগামী ৯ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় এই শীর্ষ সম্মেলনের সাইড বেঞ্চে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। তিনি বলেছেন, এই বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন কানেক্টিভিটি প্রকল্প নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী।
শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ইন্দো-প্যাসিফিক আউটলুক: সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি একথা বলেন।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কানেক্টিভিটি উদ্যোগে বিনিয়োগ করা হচ্ছে এবং এরমধ্যে রয়েছে ডিজেল পাইপলাইন তৈরি।’
বৈঠকের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, নয়া দিল্লিতে জি-২০ সম্মেলনে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক কানেক্টিভিটি প্রকল্পগুলো আলোচিত হবে।’
বাংলাদেশ চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভেরও অংশীদার জানিয়ে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, গত জুলাইতে নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কুমার দাহালের সঙ্গে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠকে বাণিজ্য ও জ্বালানি করিডোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়াও গত এপ্রিলে জাপান সফরের সময়ে ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার বাংলাদেশ ও ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্য নিয়ে বিগ-বি উদ্যোগের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দেশে মাতারবাড়ি গভীর সুমদ্রবন্দর তৈরি ও চট্টগ্রাম বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোর সঙ্গে রোড ও রেল কানেক্টিভিটি নিয়ে কাজ চলছে বলেও জানান পররাষ্ট্র সচিব।
সার্ক, বিমসটেক ও বিবিআইএন এর মতো আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক জোটের বিভিন্ন কানেক্টিভিটি উদ্যোগের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন রয়েছে বলেও তিনি জানান।









