২০১৪ সালের নভেম্বরে নেপালে ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ২০১৬ সালে পাকিস্তানে। এ সম্মেলন অনুষ্ঠানের জন্য সার্ক সচিবালয়ের মাধ্যমে পাকিস্তান তিনগুচ্ছ বিকল্প তারিখ প্রস্তাব করেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী ও অন্য সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আগামী সপ্তাহে নেপালের পোখারায় বৈঠকে বসবেন শীর্ষ সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করতে। এ সময় তারা অন্যান্য বিষয় নিয়েও আলোচনা করবেন। তিনগুচ্ছ বিকল্প তারিখই নভেম্বর মাসে হবে। আগামী সপ্তাহের বৈঠকে একটি তারিখ নির্ধারণের সম্ভাবনা আছে বলে মনে করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
প্রথম গুচ্ছ অনুযায়ী প্রোগ্রামিং কমিটি অর্থাৎ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক শুরু হবে ৬ নভেম্বর, ৭ ও ৮ নভেম্বর হবে স্ট্যান্ডিং কমিটি বা পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক, ৯ নভেম্বর হবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক এবং ১০ ও ১১ নভেম্বর হবে শীর্ষ সম্মেলন।
একই বৈঠকের ক্রমানুসারে দ্বিতীয় গুচ্ছ অনুযায়ী প্রথম বৈঠক হবে ১৩ নভেম্বর এবং শীর্ষ সম্মেলন হবে ১৭ ও ১৮ নভেম্বর। তৃতীয় গুচ্ছে প্রথম বৈঠক হবে ২০ নভেম্বর এবং শীর্ষ বৈঠক হবে ২৪ ও ২৫ নভেম্বর।
সার্ক সৃষ্টির শুরু থেকে বাংলাদেশ সম্পৃক্ত এবং এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া, এটি আঞ্চলিক সহযোগিতার একটি প্ল্যাটফর্ম। যার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো একে অন্যের সঙ্গে বিভিন্ন সহযোগিতামূলক বিষয়ে আলোচনা করে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েল ওই কর্মকর্তা বলেন, বিষয়গুলো বিবেচনা করে বিকল্প তিনটি প্রস্তাবের যেকোনও একটি বা একাধিক প্রস্তাব সমর্থন করবে বাংলাদেশ।
এখন পর্যন্ত প্রথম বা দ্বিতীয় গুচ্ছের যেকোনো তারিখে শীর্ষ সম্মেলনের পক্ষে মত দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। শুধু প্রথম গুচ্ছে মত দিয়েছে ভারত কিন্তু শুধু তৃতীয় গুচ্ছে মত দিয়েছে নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।
ঐকমত্যের ভিত্তিতে সার্ক সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সার্কের নিয়ম অনুযায়ী শীর্ষ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই অংশগ্রহণ করতে হবে।
/এমএনএইচ/








