সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

‘কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে চীন সফর’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৪ জুলাই ২০২৪, ১৭:০৪ আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২৪, ১৮:১৩

বৈশ্বিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও চীন পারস্পরিক সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নানা ক্ষেত্রে যোগাযোগ ও সহযোগিতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেবে। এই সফর বাংলাদেশের কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের আমন্ত্রণে ৮ থেকে ১০ জুলাই দেশটিতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরের বিষয়ে জানাতে আজ রবিবার (১৪ জুলাই) বিকালে সরকারি বাসভবন গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

চীনের সঙ্গে চুক্তির পূর্ণ তালিকা সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পূর্ণ তালিকা দেওয়া আছে। ২১টি নামও আছে। আপনারা চাইলে পড়তে পারি। না, অনেক সময় অনেকে বলেন, কিছুই হয়নি, কিছুই না পেয়ে খলি হাতে ফিরে আসছি। ওরা তে বলবেই। তারা আবার মনে কষ্ট পেতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ৮ জুলাই বেইজিং পৌছালে বিমানবন্দরে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ৯ জুলাই সকালে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) প্রেসিডেন্ট জিন লিকুন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় এআইআইবি-কে বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, নদী খনন, জলবায়ু পরিবর্তনসহ উপযোগী খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানাই। এরপর আমি ‘দ্য রাইজ অব বেঙ্গল টাইগার: সামিট অন ট্রেড, বিজনেস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট অপরচুনিটিজ বিটুইন বাংলাদেশ অ্যান্ড চায়না’ শীর্ষক একটি ব্যবসায়িক সম্মেলনে অংশ নেই।

তিনি বলেন, সফরসঙ্গী ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা এবং চীনের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা এতে অংশ নেন। বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ সম্মেলনে আমি চীনা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে বিশ্বের সবচেয়ে উদার বিনিয়োগ ব্যবস্থার সুবিধা নিয়ে জানাই। অবকাঠামো, আইসিটি, পর্যটন, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ জ্বালানি খাত, জলবায়ু-সহনশীল স্মার্ট ফার্মিং, বজা ব্যবস্থাপনা, সবুজ প্রযুক্তি ও উন্নয়ন খাতে বৃহত্তর বিনিয়োগের আহ্বান জানাই।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে ৩টি বিশেষ পর্যটন অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ও সেখানে চীন রিয়েল এস্টেট এবং হসপিটালিটি খাতে বিনিয়োগের সুযোগের কথা উল্লেখ করলে চীনের ব্যবসায়ী নেতারা যথেষ্ট আগ্রহ দেখান। চীনে বাংলাদেশ দূতাবাস, বিডা, বিএসইসি এবং চায়না ওয়ার্ল্ড সামিট উইং আয়োজিত এ সম্মেলনে চীনের ভাইস মিনিস্টার অব কমার্স লি ফেই, চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ওয়াং টং ঝু, এইচএসবিসি চায়নার প্রেসিডেন্ট ও সিইও মার্ক ওয়াং, হুয়াওয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সাইমন লিন বক্তব্য দেন এবং তাদের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন। এই সম্মেলনে বাংলাদেশের ১০টি কোম্পানির প্রতিনিধির সঙ্গে চীনের বিভিন্ন কোম্পানির ১৬টি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই হয়।

তিনি বলেন, ৯ জুলাই বিকালে চাইনিজ পিপলস পলিটিক্যাল কনসাল্টেটিভ কনফারেন্সের (সিপিপিসিসি) জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াং হুনিং-এর সঙ্গে বৈঠক করি। আমরা এ বৈঠকে আওয়ামী লীগ এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ করি। দলীয় নেতাদের পারস্পরিক সফরের বিষয়েও আমরা একমত হই। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আমি চীনের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করি। এদিন বিকেলে আমি চীনের ঐতিহ্যবাহী তিয়েনআনমেন স্কয়ারে শ্রদ্ধা নিবেদন করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১০ জুলাই সকালে বেইজিং-এ গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গ্রেট হল-এ পৌঁছালে লি ছিয়াং আমাকে স্বাগত জানান এবং দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। চীনের সশস্ত্র বাহিনীর গার্ড অব অনার এবং তোপধ্বনির মাধ্যমে আমাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। প্রিমিয়ার লি ছিয়াং-এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সময় বাংলাদেশ-চীনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, বাংলাদেশের বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনের সহায়তা, বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহযোগিতা, বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা প্রভৃতি বিষয় আমরা আলোচনা করি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর জন্য বাংলাদেশের কৃষিপণ্য, চামড়া, ওষুধ প্রভৃতি পণ্য চীনে আরও বেশি পরিমাণে রফতানির অনুরোধ করি। বাংলাদেশ উৎপাদিত ৯৮ শতাংশ পণ্যের চীনে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুবিধা প্রদানের জন্য আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রণীত সাউদার্ন ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (SIDI) বাস্তবায়নে চীনের অবকাঠামোগত ও আর্থিক সহায়তা কামনা করলে প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং ইতিবাচক সাড়া দেন। ২০২৬ সালে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের পর সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চীনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আমি আশাবাদ ব্যক্ত করি এবং এই বিষয়টিতেও চীনের সমর্থন লাভ করি।

শেখ হাসিনা বলেন, এরপর আমার এবং প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং-এর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন খাতে মোট ২১টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা স্মারকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে– ডিজিটাল ইকোনমি সংক্রান্ত বিনিয়োগ সহযোগিতা, ব্যাংকিং এবং ইন্সুরেন্স রেগুলেশন, বাংলাদেশ হতে আম রপ্তানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা, ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট পলিসি, বাংলাদেশ-চায়না যষ্ঠ ও নবম ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ, অবকাঠামোগত সহযোগিতা, গ্রিন অ্যান্ড লো কার্বন ডেভেলপমেন্ট, ব্রহ্মপুত্র নদের হাইড্রোলজিক্যাল ইনফরমেশন প্রদান সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক নবায়ন, শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক নবায়ন, পিপল টু পিপল কানেকটিভিটি এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ ফর সাসটেইনেবল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি। 

এছাড়াও, এই সফরের ফলাফল হিসেবে ইতোমধ্যে সম্পাদিত ৭টি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ঘোষণা করা হয়। যার মধ্যে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাব্যতা যাচাই, চীন-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ, ডিজিটাল সংযোগের আধুনিকায়ন, ডাবল পাইপ লাইনযুক্ত সিংগেল পয়েন্ট ম্যুরিং প্রজেক্টের পরীক্ষামূলক চালুকরণ, রাজশাহী ওয়াসার সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট, চীনের শ্যানডং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে গাজীপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার বিকাশে লুবান ওয়ার্কশপ নির্মাণ অন্যতম। প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং আয়োজিত ব্যাংকুয়েট-এ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিসহ অংশ নেই। 

১০ জুলাই বিকালে বেইজিং-এর গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ চীনা রাষ্ট্রপতি শি চিনপিং-এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে শি চিনপিং অনুদান, সুদমুক্ত ঋণ, রেয়াতি ঋণ ও বাণিজ্যিক ঋণ-এ ৪টি ক্ষেত্রে সহায়তার কথা উল্লেখ করেন। এই ৪টি প্যাকেজের আওতায় চীন বাংলাদেশকে। ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমান অর্থ। প্রদানে সখ্যত হয়েছে। পদ্মা সেতু, বঙ্গবন্ধু টানেলসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন বৃহদাকার অবকাঠামো বিনির্মাণে চীনা সহায়তার জন্য আমি তার প্রতি ধন্যবাদ জানাই।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৮০০ একর জমিতে শিল্প বিনিয়োগ করতে চীনা রষ্ট্রপতির মাধ্যমে দেশটির উদ্যোক্তাদের আহ্বান জানানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাশাপাশি বাংলাদেশের ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল ও আইসিটির বিশেষায়িত অঞ্চলে চীনকে বিনিয়োগের অনুরোধ করি। প্রতি চীনের অব্যাহত সমর্থনের কথা উল্লেখ করে চীনের রাষ্ট্রপতি এখানে অধিকতর বিনিয়োগের বিষয়ে আশ্বাস বাংলাদেশের দেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আশ্রিত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক-রোহিঙ্গাদের অবস্থা এবং তাদের সমস্যার প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে এব সমাধানে আমি চীনের সহযোগিতা কামনা করি। রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে চীনের মহামান্য রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করি। আমাদের এ ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যেকার সম্পর্ক "সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব" পর্যায়ে উন্নীত হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, আগামী বছর বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যেকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পররাষ্ট্র নীতি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’, এটিকে মূলনীতি হিসেবে ধরে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সফলভাবে তার কূটনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে চলছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা, ফিলিস্তিন সংকট, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন, জাতিসংঘ প্রভৃতি ক্ষেত্রে বৈশ্বিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও চীন পারস্পরিক সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, শুধু অর্থনৈতিক ক্ষেত্রই নয়, ঐতিহ্যগত দিক থেকেও এশীয় দেশ হিসেবে আমাদের মধ্যে দীর্ঘ সময়ের সংযোগ রয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা এবং আধুনিক স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গবেষণা, শিক্ষা, আইসিটি, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমি মনে করি। আমার এই সফর বাংলাদেশের কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা এবং একটি বাণিজ্য প্রতিনিধি দল সফরসঙ্গী ছিলেন।

 

/এমআরএস/এফএস/
সম্পর্কিত
প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলের পাশে মিললো যুবকের মরদেহ
রাজশাহীর পথে প্রধানমন্ত্রী, একনজর দেখার অপেক্ষায় হাজারও মানুষ
রংপুরের রাধা গোবিন্দ ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপে প্রধানমন্ত্রী, ভক্তদের উচ্ছ্বাস
সর্বশেষ খবর
স্পেনের যে গুহায় পাথরের গায়ে আদিম মানুষের শিল্পকর্ম
স্পেনের যে গুহায় পাথরের গায়ে আদিম মানুষের শিল্পকর্ম
এসআইয়ের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির মামলা, ৯৯৯-এ ফোনে উদ্ধার ভুক্তভোগী
এসআইয়ের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির মামলা, ৯৯৯-এ ফোনে উদ্ধার ভুক্তভোগী
ঘুষ দাবির অভিযোগে থানা থেকে এএসআই প্রত্যাহার
ঘুষ দাবির অভিযোগে থানা থেকে এএসআই প্রত্যাহার
আওয়ামী লীগকে ‘পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল’ বললেন স্পিকার
আওয়ামী লীগকে ‘পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল’ বললেন স্পিকার
সর্বাধিক পঠিত
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
ইশরাকের পদত্যাগের পরই ‘ক্ষমতা’ নিয়ে স্ত্রীর বার্তা
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে যা বললেন জামায়াত আমির
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর প্রসঙ্গে যা বললেন জামায়াত আমির
বাবার চোখ এড়াতে ঢোলা জামা, আড়ালে চলতো শিশুর ওপর নির্যাতন
বাবার চোখ এড়াতে ঢোলা জামা, আড়ালে চলতো শিশুর ওপর নির্যাতন
পদত্যাগ করানো সরকারের প্যারাসিটামল থেরাপি: হাসনাত
পদত্যাগ করানো সরকারের প্যারাসিটামল থেরাপি: হাসনাত
পানাম নগরী ঘুরে দেখলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত, নকশিকাঁথা-জামদানি দেখে মুগ্ধ
পানাম নগরী ঘুরে দেখলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত, নকশিকাঁথা-জামদানি দেখে মুগ্ধ