প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেছেন, মানুষের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা ছিল রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন হবে। বর্তমান সরকার সে পরিবর্তন এনেছে। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যক্তি-বন্দনার রাজনীতি থেকে বর্তমান সরকার পুরোপুরি বেরিয়ে এসেছে। অথচ অতীতে অনুষ্ঠানে কেউ এলে তাকে নিয়ে বন্দনা করতে করতে ১০-১৫ মিনিট সময় ব্যয় করা হতো। বর্তমান সরকার এই স্তুতির রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি নতুন ধারার সূচনা করেছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও জাহিদুল ইসলাম রনিসহ প্রেস উইংয়ের সদস্যরা।
সালেহ শিবলী বলেন, বর্তমান সরকার যেহেতু জনগণের সরকার, তাই জনগণের কাছে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এবং জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করতেই ১৮০ দিনের মাথায় কাজের হিসাব তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। সরকারের একটি বড় সাফল্য হলো নির্বাচনি ইশতেহারের ৩১ দফার প্রতিটি ধরে ধরে বাস্তবায়ন করা। অতীতে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি এভাবে ধরে ধরে বাস্তবায়নের কোনও নজির নেই।
তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর হাম ও রুবেলার টিকা নিয়ে যে একটি অসহনীয় অবস্থা তৈরি হয়েছিল, তার দায় এই সরকারের ছিল না। তারপরও প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে সন্তান ও স্বজনহারা শোকাহত পরিবারগুলোর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কারণ, সরকার রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকলে নাগরিকদের প্রতি তার দায়দায়িত্ব থাকে। রাজনীতিতে এই জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতার সংস্কৃতি একটি বড় সফলতা।
তিনি বলেন, সারা বিশ্বেই নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ১০০ দিনকে ‘হানিমুন পিরিয়ড’ বলা হয়। কিন্তু কোনও একটি সরকারি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে তার প্রাথমিক ফলাফল পেতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগে।
তিনি জানান, সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান।

‘বেতন দেওয়াও কঠিন হতে পারে’, মন্ত্রীর বক্তব্যে নতুন আলোচনা







