বাংলাদেশ সীমান্তে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ মার্চ) সকাল থেকে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির (বর্ডার গার্ড পুলিশ) তৎপরতা বেড়েছে।
তমব্রু সীমান্তের শূন্যরেখায় (জিরো লাইন) অবস্থান নেওয়া প্রায় ছয় হাজার রোহিঙ্গা নিজ দেশে ঢুকবে ভেবে মিয়ানমারের বাহিনী সীমান্তে শক্তি প্রদর্শন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সীমান্তেই আছে, তারা জিরো লাইনে নেই। তবে আজ (বৃহস্পতিবার) মিয়ানমারের বাহিনী মনে করেছিল সীমান্তে থাকা রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ঢুকবে। এজন্য তারা সেখানে শক্তি প্রদর্শন করেছিল। আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।’
গত ফেব্রুয়ারি মাসে দুই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে আলোচনা হয় এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ না করার জন্য আহবান জানানো হয়।
অন্য একটি সূত্র জানায়, রাখাইনে সামরিক শক্তি বাড়ালে নো-ম্যানস ল্যান্ডে যে ছয় হাজার রোহিঙ্গা আছে তারা মিয়ানমারে ফেরত যেতে আগ্রহী হবে না এবং রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়াটি অনিশ্চিত হয়ে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারের রাখাইনে সে দেশের সেনাবাহিনী নিপীড়ন ও গণহত্যা চালানো শুরু করলে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তাদের অস্থায়ীভাবে আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দিলেও নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আহ্বানসহ দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে সরকার।








