ইউএনএফপিএ’র কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. অ্যাসা ব্রিট্টা টরকেলসন উল্লেখ করেছেন নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ অনুকরণীয়। তার আশা, ‘সুযোগ তৈরি করে দিলেই এ দেশের নারীরা এগিয়ে যাবে ও সক্ষমতা অর্জন করবে।’ রবিবার (১১ মার্চ) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে সংসদীয় কার্যক্রম, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী দিবসের গুরুত্বসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করেন ইউএনএফপিএ’র কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ।
সাক্ষাৎকালে সামাজিক ও স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার হ্রাস এবং বাল্যবিবাহরোধে ইউএনএফপিএ’র ভূমিকার প্রশংসা করেন স্পিকার। ভবিষ্যতে ইউএনএফপিএ’র সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তার কথায়, “মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউএনএফপিএ’র অব্যাহত সহযোগিতা জাতীয় উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখছে।”
বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সহযোগিতার জন্য ইউএনএফপিএ প্রতিনিধির প্রতি আহ্বান জানান স্পিকার। জয়িতা প্রকল্পের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘জয়িতার মাধ্যমে নারীরা সক্ষমতা অর্জন করছে। কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পণ্যসামগ্রী তৈরি ও বাজারজাতকরণে সরকারি সহায়তায় এই প্রকল্প ইতোমধ্যে সাড়া জাগিয়েছে।’
মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা, মাতৃমৃত্যু হার হ্রাস ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জাতীয় সংসদের সঙ্গে যৌথ কার্যক্রম আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইউএনএফপিএ প্রতিনিধি। জয়িতা প্রকল্পের প্রশংসা করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, নারী স্বাস্থ্য ও নারীদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধিতে ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের পাশে থাকবে।







